ব্রেকিং:
শহীদদের নামে রংপুরের সড়কগুলোর নামকরণের দাবি উত্তরের ফসলি জমি গিলে খাচ্ছে তামাক আজ ২০ ফেব্রুয়ারি ‘বিশ্ব সামাজিক ন্যায়বিচার দিবস’ মহান শহীদ দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকাকে পাঁচটি সেক্টরে বিভক্ত করে তিন ধাপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে র‌্যাব নারী বিশ্বকাপ ওয়ার্ম-আপ ম্যাচ: পাকিস্তানকে ৫ রানে হারালো বাংলাদেশ

বৃহস্পতিবার   ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ৮ ১৪২৬   ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪১

সর্বশেষ:
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে শুক্রবার অমর একুশে গ্রন্থমেলার দ্বার খুলবে সকাল ৮টায় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচন ১১ ও ১২ মার্চ দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে দুই ডাকাত নিহত লালমনিরহটের হাতীবান্ধা উপজেলায় ষাটোর্ধ্ব এক বৃদ্ধা মাকে মারধর করে ঘর থেকে বের করে দিয়েছেন ছেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রাক্কালে ২০ ব্যক্তি এবং এক প্রতিষ্ঠানের মাঝে ‘একুশে পদক-২০২০’ প্রদান করেছে
৫৫

মা-হারা শিশুদের দায়িত্ব নিলেন ইউএনও

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর ২০১৯  

পাঁচ বছরের শিশু সামিয়া ও আট বছরের সাব্বির দু’ভাইবোন। এখনো নিজেদের যত্ম নিতে শিখেনি। হতদরিদ্র পরিবারে জন্ম নিয়ে ছোটবেলা থেকে অভাবই দেখে এসেছে। এত অভাব অনটনের মধ্যে তাদের পরম পাওয়া ছিলো মমতাময়ী মায়ের আদরটুকুই। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস গত ৬ অক্টোবর রোববার সকালে তাদের মা সালমা বেগম গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এরপর এই শিশু দুটির জীবনে নেমে আসে অমানিশার অন্ধকার।

সামিয়া ও সাব্বিরের বাবা একরাম মাতুব্বর দরিদ্র ফেরিওয়ালা। ঘুরে ঘুরে তাবিজ-কবজ বিক্রি করেন।  

একরাম মাতুব্বর জানান, সন্তানদের ঠিকমতো খাবার জোগাড় হতো না। স্ত্রীও দুরারোগ্য ক্যান্সারের রোগী ছিলেন। এসব কারণে বড়ই হতাশ আর অভিমানী হয়ে পড়েন স্ত্রী সালমা। তবে এভাবে আত্মহত্যা করে চলে যাবেন সেটি ভাবেননি।

এ ঘটনার পর থেকে সামিয়া ও সাব্বিরের কান্না যেনো থামছে না। গত চারদিন তারা প্রতিবেশীদের বাড়ি ছুটে বেড়াচ্ছে আর মাকে খুঁজছে। গত কয়েকদিন ধরে প্রতিবেশীরা তাদের খাইয়েছেন। কিন্তু এভাবে আর কতোদিন?

শিশু দু’টির এমন করুণ হাল জানতে পেরে গত বুধবার রাতে তাদের বাড়িতে ছুটে যান ভাঙ্গার ইউএনও মূকতাদিরুল আহমেদ। এ সময় তিনি শিশু দু’টির ঘরে ঢুকে পিতৃতুল্য আদরে তাদের কোলে তুলে নেন। তাদের আদর করেন। তাদের হাতে নতুন জামা ও বইপত্র তুলে দেন।

ইউএনও মূকতাদিরুল আলম বলেন, বাচ্চা দু’টির কষ্টে আমরা ভীষণ ব্যথিত। এখন থেকে ওদের জন্য উপজেলা প্রশাসনের দরজা সব সময় খোলা। ওরা যেনো খাবারের কষ্টে না ভোগে, টাকা পয়সার অভাবে যেনো ওদের পড়াশুনা বন্ধ হয়ে না যায়, সে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

শিশু দু’টির বাবা একরাম মাতুব্বরের একটি কর্মসংস্থানের বিষয়টিও চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে বলে জানান ইউএনও। এ সময় ভাঙ্গা উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোজাফফর হোসেন, ভাঙ্গা উপজলো প্রেসক্লাবের সভাপতি মামুনুর রশিদসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিাধরা উপস্থিত ছিলেন।