ব্রেকিং:
দেশে করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মারা গেলেন ২ হাজার ৩৫২ জন। এছাড়া নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৬৬৬ জন। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৮৩ হাজার ৭৯৫ জন।
  • রোববার   ১২ জুলাই ২০২০ ||

  • আষাঢ় ২৮ ১৪২৭

  • || ২১ জ্বিলকদ ১৪৪১

সর্বশেষ:
মুজিববর্ষ উপলক্ষে এক কোটি গাছ রোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী করোনার ভুয়া রিপোর্টের ঘটনায় ডা. সাবরিনা গ্রেফতার সরকারি উদ্যোগে সারাদেশে কোরবানির পশুর ডিজিটাল হাট বর্তমান সরকার কৃষি খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে- কৃষিমন্ত্রী ই-নথি ব্যবস্থাপনায় এবারো শীর্ষে শিল্প মন্ত্রণালয়
১১৩৪

মৌমাছি কামড়ালে করণীয়

নীলফামারি বার্তা

প্রকাশিত: ১১ ডিসেম্বর ২০১৮  

মৌমাছির কামড় অত্যন্ত বিষাক্ত ও যন্ত্রণাদায়ক। হঠাৎ মৌমাছি কামড়ালে দিশাহারা হয়ে যাবেন না। মৌমাছি বা বোলতা হুল ফোটালে তা খুব যন্ত্রণাদায়ক হয়। তবে রয়েছে তার সমাধানও। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হুল ফোটানো বিপজ্জনক না হলেও কারো কারো এগুলো থেকে অ্যালার্জিজনিত শক হতে পারে। কিছু কিছু মৌমাছির বিষ অবশ্য বিপজ্জনক। শিশুদের মৌমাছি বা বোলতায় কামড়ালে বড়দের তুলনায় প্রতিক্রিয়াটা বেশি হয়।

মৌমাছি বা বোলতায় কামড়ালে যা করবেন-

যদি মৌমাছি বা বোলতা শরীরে কামড়ে বসে থাকে তাহলে তাকে তুলে ফেলুন। এগুলো সাধারণত ত্বকের সঙ্গে একই সমতলে আঁকড়ে বসে থাকে। এগুলোকে সরানোর জন্য প্রথমে আঙুলের মাথা দিয়ে আস্তে আস্তে এর ওপরে এবং পাশে আঙুল বুলিয়ে যান, পরে হঠাৎ করে ঠেলে ফেলুন।

মৌমাছি বা বোলতাকে কখনো খামচে বা চিমটি দিয়ে তুলবার চেষ্টা করবেন না। কারণ, খামচানো বা চিমটি দেওয়ার কারণে বিষের থলি থেকে সব বিষ বেরিয়ে পড়ে এবং তা হুল দিয়ে আপনার শরীরে ঢুকে যেতে পারে। কিন্তু মৌমাছি বা বোলতাকে ঠেলে সরিয়ে দিলে এ ধরনের আশঙ্কা থাকে না।

হুল ফোটানো জায়গাটা বেশ লাল গরম হয়ে ফুলে যায় এবং সেখানে যন্ত্রণা হয়। তাই প্রথমেই জায়গাটিতে বরফের টুকরো চেপে ধরুন। বেশ কিছুক্ষণ এভাবে ঠান্ডা স্যাঁক দিন। এবার স্থানটিতে অ্যান্টিবায়োটিক ক্রিম লাগান। ক্রিম লাগানোর পাশাপাশি অ্যান্টিহিস্টামিন ওষুধও খেতে হবে।

ব্যথার জন্য প্যারাসিটামল ওষুধ খেলেই চলবে।

হুল ফোটানোর কারণে অনেকের মাথাব্যথা, বমি, শ্বাসকষ্ট, হুল ফোটার জায়ড়া ছাড়াও সমস্ত শরীরে চুলকানো, চাকা ওঠা,

শরীর ফুলে যাওয়া, পেটে তীব্র ব্যথা প্রভৃতি উপসর্গ দেখা দিতে পারে। এ সব ক্ষেত্রে রোগীকে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে বা হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।

স্বাস্থ্য বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর