ব্রেকিং:
দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ কমাতে চলমান ‘কঠোর লকডাউনের’ মেয়াদ আরো এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে। ভাঙচুরের মামলায় হেফাজত নেতা মামুনুল হকের সাত দিনের রিমান্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
  • সোমবার   ১৯ এপ্রিল ২০২১ ||

  • বৈশাখ ৬ ১৪২৮

  • || ০৬ রমজান ১৪৪২

সর্বশেষ:
চলমান `কঠোর লকডাউন` আরো এক সপ্তাহ বাড়ল পুলিশের উদ্যোগে ৫ টাকায় ইফতার যাত্রা শুরু ১১০০ শয্যার করোনা হাসপাতালের সারাদেশে চার কার্যদিবসে ভার্চুয়ালি ৯০৪৬ জনের জামিন আজ ৬ষ্ঠ দিনের মতো সারাদেশে চলছে সর্বাত্মক লকডাউন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি চীনের 

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৭ এপ্রিল ২০২১  

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে কোনো একতরফা দাবি বেইজিং মেনে নেবে না। তিনি চীনের মৌলিক স্বার্থের প্রতি সত্যিকার সম্মান প্রদর্শন করতে মার্কিন সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

সোমবার চীনের গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাতে ওয়াং ই এ সতর্কবাণী উচ্চারণ করেন। সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন ও দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে নিজের সাম্প্রতিক সাক্ষাতের কথা উল্লেখ করে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এসব দেশ মনে করে চীনের উন্নতি দীর্ঘমেয়াদে এ অঞ্চলের সবগুলোর দেশের স্বার্থ রক্ষা করবে; কাজেই তা বন্ধ করা যাবে না।

তিনি বলেন, এশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মনে করেন করোনা মহামারি উত্তর যুগে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতা থাকা প্রয়োজন; সংঘর্ষ নয়।

বিভিন্ন ইস্যুতে চীনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক অবস্থানে যাওয়ার যে প্রবণতা ওয়াশিংটন দেখাচ্ছে তার তীব্র সমালোচনা করে ওয়াং ই বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যেন একথা মনে না করে যে, আন্তর্জাতিক বিষয়াদিতে তার কথাই শেষ কথা। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, চীনের সঙ্গে আলোচনা করতে আসলে আমেরিকার একতরফা দাবিগুলো মেনে নেয়া হবে না। চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তার দেশের সঙ্গে আলোচনার দরজা খোলা রয়েছে। তবে তা হতে হবে পারস্পরিক সম্মান ও সম অধিকারের ভিত্তিতে।

সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামলে বেইজিং-এর সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্কে উত্তেজনা তুঙ্গে ওঠে।  বাণিজ্য, দক্ষিণ চীন সাগর, তাইওয়ান, হংকং ও করোনাভাইরাস নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন চীনের সঙ্গে চরম সংঘাতপূর্ণ অবস্থানে চলে যায়। গত জানুয়ারি মাসে জো বাইডেন আমেরিকার ক্ষমতা গ্রহণে করে চীনের ব্যাপারে ট্রাম্পের নীতি অনুসরণ করেন। বিভিন্ন ইস্যুতে বিশেষ করে মানবাধিকার ইস্যুতে চীনের সঙ্গে সংঘাতের পথে হাঁটার ইঙ্গিত দিয়েছেন জো বাইডেন।