ব্রেকিং:
কাশ্মীর ইস্যুতে মোদী-ইমরানের কাছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফোন। শ্রম কল্যাণ সম্মেলনের উদ্বোধন আজ। তুর্কি গাড়িবহরের ওপর সিরিয়া সরকারের বিমান হামলায় তিন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে এবং আরো ১২ জন আহত হয়েছে।

মঙ্গলবার   ২০ আগস্ট ২০১৯   ভাদ্র ৫ ১৪২৬   ১৮ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

সর্বশেষ:
আজ বিকালে ঢাকায় আসছেন টাইগারদের নতুন প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গো। অস্থায়ী এমপিও হচ্ছে ১৭৬৩ স্কুল-কলেজ, পরিপত্র জারি আজ। বোলিং কোচ হিসেবে ঢাকা পৌঁছেছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের নতুন পেস বোলিং কোচ চার্ল ল্যাঙ্গাভেল্ট। দেশে ফিরে যেতে ইচ্ছুক রোহিঙ্গাদের তালিকাভুক্তির কাজ শুরু করছে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) কর্মকর্তারা। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্করের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু হয়েছে।
১০

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে নিষিদ্ধ বাংলাদেশি মাছ!

প্রকাশিত: ১৪ আগস্ট ২০১৯  

নিউইয়র্কের বাজার থেকে ৭৬ হাজার পাউন্ড আমদানি নিষিদ্ধ মাছ তুলে নেয়া হচ্ছে। প্রিমিয়াম ফুডসের মালিকানাধীন, শাহজালাল ব্র্যান্ডের প্যাকেটে করে বাংলাদেশ এবং মিয়ানমার থেকে আমদানি করা এসব মাছ নিউইয়র্ক এবং আশপাশের স্টেটগুলোতে বিক্রি করা হতো।

প্রিমিয়াম ফুডস মিথ্যা তথ্য দিয়ে, বাংলাদেশ-মিয়ানমার থেকে আমদানি করা ৭৬ হাজার পাউন্ড ফ্রোজেন মাছ শাহজালাল ব্র্যান্ড নামে, নিউইয়র্ক ও তার আশপাশে সরবরাহ করে আসছিলো। গত ২৯ জুলাই নিউইয়র্ক পোস্টে শাহজালাল ব্র্যান্ডের ফ্রোজেন মাছের আমদানি নিষিদ্ধের খবর প্রকাশিত হলে, প্রবাসীদের মধ্যে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

মূলত ক্যাটফিশ জাতীয় মাছ, যেমন বোয়াল, পাবদা, আইড়, বাতাশী, মাগুরসহ আঁশবিহীন মাছগুলোকে, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে নিষিদ্ধ করে তাঁদের কৃষি দফতরের খাদ্য নিরাপত্তা বিভাগ।

এফএসআইএস থেকে বলা হয়েছে, মাগুর বা ক্যাটফিশ জাতীয় মাছ রফতানির অনুমোদন নেই বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের। এই দুই দেশ থেকে গত ২৬ মার্চ ২০১৮ থেকে ৮ মার্চ ২০১৯ সালের মধ্যে মাছগুলো আমদানি করা হয়েছে। পরে খুচরা বিক্রির জন্য এসব মাছের চালান গেছে কলোরাডো, কানেক্টিকাট, ফ্লোরিডা, জর্জিয়া, মিশিগান, নিউ জার্সিসহ নিউইয়র্কের প্রবাসী বাংলাদেশিদের গ্রোসারিতে।

তবে এসব নিষিদ্ধ মাছের বিক্রি বন্ধ করতে কিছুদিন ধরে বিভিন্ন গ্রোসারিতে হানা দিচ্ছে ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ এগ্রিকালচারাল ফুড সেফটি অ্যান্ড ইন্সপেকশন সার্ভিসেস। ফলে যেসব গ্রোসারির মালিকরা প্রিমিয়াম ফুড ইউএসএর কাছ থেকে শাহজালাল ব্রান্ডের মাছ কিনেছেন, তারা মাছ বিক্রি করতে না পেরে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে ক্যাটফিশ জাতীয় এসব মাছ চাষের সময় এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত হয়। যদি ফ্রোজেন করা হয় তাহলে এসব মাছ মানবদেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর। বাংলাদেশ ও মিয়ানমার থেকে যেহেতু ফ্রোজেন করা ছাড়া মাছ আমদানির কোনো সুযোগ নেই, তাই ২০১৮ সালের শুরুতে এসব মাছ আমদানি নিষিদ্ধ করে ইউএসডিএ।

নীলফামারি বার্তা
নীলফামারি বার্তা