ব্রেকিং:
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরো ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫ হাজার ৭২৩ জনে। এছাড়া নতুন করে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে আরো ১ হাজার ৫৪৫ জনের দেহে। এখন পর্যন্ত দেশে মোট শনাক্ত হলো ৩ লাখ ৯৩ হাজার ১৩১ জন করোনা রোগী। দিনাজপুরে গত ২৪ ঘণ্টায় ১১ জন ব্যক্তি করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩৫৫৭ জনে। বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুরের সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আব্দুল কুদ্দুছ।
  • বৃহস্পতিবার   ২২ অক্টোবর ২০২০ ||

  • কার্তিক ৬ ১৪২৭

  • || ০৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

সর্বশেষ:
গ্রামীণ সড়ক রক্ষণাবেক্ষণসহ মজবুত করে তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রংপুরে তিন ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে সাবেকরাই ফের নির্বাচিত নির্বাচনে ব্যর্থতার জন্য বিএনপি নেতাদের পদত্যাগ করা উচিত: কাদের হাতীবান্ধার দুই ইউপিতে নৌকা নিয়ে `বাবার চেয়ারে` বসলেন ছেলে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত সাক্ষাৎ করেও খালেদার গৃহবন্দির অভিযোগ!

যে কারণে মধ্যপ্রাচ্যে জনপ্রিয়তা বাড়ছে এরদোগানের 

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৬ অক্টোবর ২০২০  

আরব শাসকদের তীব্র বিরোধিতা সত্ত্বেও দেশগুলোর সাধারণ জনগণের মাঝে হু হু করে জনপ্রিয়তা বাড়ছে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোগানের। অতি সম্প্রতি প্রকাশিত আরব জনমতের ওপর একটি ব্যাপক-ভিত্তিক জরিপের ফলাফলের বরাত দিয়ে একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এ খবর প্রকাশ করেছে। খবর বিবিসির।

এতে বলা হয়, মিসরকে সঙ্গে নিয়ে উপসাগরীয় অধিকাংশ আরব দেশ তুরস্ককে কোণঠাসা করার উপায় খুঁজতে তৎপর হলেও সিংহভাগ আরব জনগণ মনে করছে এরদোগানই তাদের সবচেয়ে বড় শুভাকাঙ্ক্ষী।

জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ৫৮ শতাংশই মনে করেন, অন্য যে কোনো দেশের নীতির তুলনায় তুরস্কের মধ্যপ্রাচ্য-নীতি আরব স্বার্থের পক্ষে। ফিলিস্তিন ইস্যু তো বটেই, এমনকি সিরিয়া এবং লিবিয়ায় তুরস্কের বিতর্কিত সামরিক হস্তক্ষেপও সিংহভাগ আরব জনগণ সমর্থন করছে।

তুরস্কের পর চীন ও জার্মানির মধ্যপ্রাচ্য নীতির প্রতি আরবদের মনোভাব সবচেয়ে ইতিবাচক। চীনের নীতির প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেন ৫৫ শতাংশ, আর জার্মানির নীতির পক্ষে ইতিবাচক মতামত দেন ৫২ শতাংশ উত্তরদাতা।

তুরস্ক এবং প্রেসিডেন্ট এরদোগানের ব্যাপারে আরব দেশের সরকার ও জনগণের এই বিপরীত অবস্থান উন্মোচিত হয়েছে ওই জরিপের ফলাফলে। আরব বিশ্বের ১৩টি দেশে পরিচালিত হয় এই জনমত জরিপ।

উল্টোদিকে, সবচেয়ে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পেয়েছে আমেরিকার মধ্যপ্রাচ্য-নীতির ব্যাপারে।

এশিয়া ও আফ্রিকায় আরব বিশ্বের ১৩টি আরব রাষ্ট্রে বিভিন্ন জাতীয়, আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক ইস্যুতে সাধারণ আরব জনগণের মনোভাব জানতে এই জরিপটি করেছে দোহা এবং বৈরুতভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ‘আরব সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি স্টাডিজ’।

লন্ডনে রাজনৈতিক ঝুঁকি সম্পর্কিত গবেষণা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারেস্টের প্রধান এবং মধ্যপ্রাচ্য রাজনীতির বিশ্লেষক সামি হামদি মনে করেন, তুরস্ক রাষ্ট্রের চেয়ে ব্যক্তি প্রেসিডেন্ট এরদোগান যে সাধারণ আরব জনগণের বিরাট একটি অংশের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠছেন, তা নিয়ে সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই।

তিনি বলেন, ‘সন্দেহ নেই তুরস্কের গ্রহণযোগ্যতা, বিশেষ করে সাধারণ প্রান্তিক আরব জনগোষ্ঠীর কাছে, বাড়ছে। এবং গ্রহণযোগ্যতা বাড়ার পেছনে তুরস্ক রাষ্ট্রের চেয়ে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের ভাবমূর্তি প্রধান ভূমিকা রাখছে।’

সামি হামদি বলেন, ‘এরদোগানের আগের তুরস্ক এবং এরদোয়ান পরবর্তী তুরস্ক যে অনেক আলাদা আরবরা তা বুঝতে পারছে। তারা জানে তুরস্কের নতুন যে বিদেশ নীতি তার স্রষ্টা এককভাবে এরদোয়ান।’