শনিবার   ১৬ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ১ ১৪২৬   ১৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

৩১

রংপুরে পেঁয়াজের সাথে চড়া সবজির দামও

প্রকাশিত: ৮ নভেম্বর ২০১৯  

আজ শুক্রবার রংপুর নগরীর সিটি বাজার, সাতমাথা,চকবাজার,টারমিনাল, সিওবাজার, শাপলা চত্বর চামড়াপট্রি কাঁচাবাজার ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে। বাজারে গত সপ্তাহের মত একই দামে বিক্রি হচ্ছে টমেটো ও শিম। বাজারে প্রতি কেজি পাকা টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১১০ টাকায়। শিম বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৯০ টাকা কেজি। গাজর বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি। শীতের সবজি ফুলকপি ও বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে প্রতি পিস ৩০ থেকে ৪০ টাকা। আর মুলা বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি।

এদিকে গত সপ্তাহের থেকে কিছুটা বেড়ে বাজারে বরবটি, ঢেঁড়স, কাঁকরোল বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি। পাশাপাশি পটল ও ঝিঙ্গা বিক্রি হচ্ছে একই দামে। তবে বেগুন, করলা, উস্তা বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি। আর একটু কম দামের তালিকায় রয়েছে মিষ্টি কুমড়া ও পেঁপে। বাজারে প্রতি কেজি মিষ্টি কুমড়া বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি। আর পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকা কেজি। সিটি বাজারের সবজি বিক্রেতা শাহীন হোসেন বলেন, শীতের সবজি আসতে শুরু করেছে। তাই দাম একটু বেশি।

কৃষকরা বেশি লাভের জন্য আগাম শীতের সবজি চাষ করেছেন। তারা বেশি দামেই বিক্রি করছে। আর পাইকাররাও বেশি দামে কিনে বেশি দামে বিক্রি করছেন। এ কারণে খুচরা বাজারে দাম বেশি। তবে শীত বাড়ার সঙ্গে সবজির সরবরাহ বাড়বে। সে সময় দাম কমবে। অন্যদিকে সিও বাজারে নিত্যপণ্য কিনতে আসা কোরবান আলি লিটন বলেন, সরবরাহের ঘাটতি নেই, তারপরও বাজারে সব ধরনের সবজির দাম চড়া। আজ নগরীর অন্যান্য বাজারগুলোতে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয় ১১০-১৩০ টাকা। মিয়ানমারের পেঁয়াজ বিক্রি হয় ১২৫-১৩০ টাকা। দেশি রসুন বিক্রি হয় কেজি ১৫০-১৬০ টাকা। আমদানি করা রসুন বিক্রি হয় ১৪০-১৫০ টাকা।

চকবাজার পার্কের মোড় কাচা বাজারে পেঁয়াজ কিনতে আসা হোষ্টেল এ থাকা ছাত্রী শরিফা বেগম বলেন, পেঁয়াজের দাম কমছেই না। পণ্যটি কিনতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে এক কেজি ৩০০ থেকে এক কেজি ৪০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ কেজি বিক্রি হয় ৯০০-১০০০ টাকা। এক কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি বিক্রি হয় ৮০০ টাকা। ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি বিক্রি হয় ৬০০-৭০০ টাকা। ৪০০-৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি বিক্রি হয় ৩৫০-৪৫০ টাকা। এছাড়া প্রতি কেজি তেলাপিয়া বিক্রি হয় ১৫০-১৬০ টাকা, পাঙ্গাশ বিক্রি হয় ১৬০ টাকা কেজি, চাষের রুই কেজি ৪০০ টাকা, পাবদা ৬৫০-৭৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয়। টেংরা বিক্রি হয় কেজি ৬০০-৭০০ টাকা দরে। এছাড়া গত সপ্তাহের মতো প্রতি হালি ফার্মের ডিম বিক্রি হয় ৩৮-৪০ টাকা। তবে কমেছে ব্রয়লার মুরগির দাম। বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১২০-১২৫ টাকা। গরুর মাংস ৫৫০-৫৭০ টাকা ও খাসির মাংস ৭৫০-৮৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয়।

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –
এই বিভাগের আরো খবর