ব্রেকিং:
দেশে করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মারা গেলেন ১ হাজার ৯৯৭ জন। এছাড়া নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ২৮৮ জন। মহামারি করোনাভইরাসের চিকিৎসায় শর্তসাপেক্ষে রেমডেসিভির ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। শুক্রবার এই অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) হেলথ কমিশনার স্টেলা কাইরিয়াকাইডস।
  • রোববার   ০৫ জুলাই ২০২০ ||

  • আষাঢ় ২০ ১৪২৭

  • || ১৪ জ্বিলকদ ১৪৪১

সর্বশেষ:
করোনায় আমাদের নেতাকর্মীরা মানুষের পাশে আছে- শেখ হাসিনা কুড়িগ্রামে ধরলার পানি বাড়ছে: বাঁধে ভাঙন তিন মাস পর ফিরলেন মোশাররফ করিম মৃত্যুর পর মানুষের ৯ আকাঙ্খা ও আফসোস যে কারণে ভারতকে সতর্ক করলো চীন
৫৩

রংপুর এক্সপ্রেসের পুড়ে যাওয়া ইঞ্জিন-কোচ এখন পার্বতীপুরে

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২২ নভেম্বর ২০১৯  

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া রেলস্টেশনে দুর্ঘটনায় পুড়ে যাওয়া আন্তনগর রংপুর এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনসহ সবগুলো কোচ এখন পার্বতীপুরে।

বৃহস্পতিবার এসব বগি ও ইঞ্জিন উদ্ধারের পর শুক্রবার ভোরে পার্বতীপুর রেলওয়ে জংশন স্টেশনে নিয়ে আসা হয়েছে। দুর্ঘটনায় পুড়ে যাওয়া এ ট্রেনটি এক নজর দেখতে পার্বতীপুর রেলস্টেশনে উৎসুক জনতার ভিড় জমে।

দুর্ঘটনায় রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনের লোকোমোটিভকে পার্বতীপুর কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানায় নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে শনাক্ত করা হবে ইঞ্জিনটির কোন কোন যন্ত্রাংশ পুড়ে গেছে এবং কোন কোন যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়েছে। ইঞ্জিনটি মেরামত করতে কোন কোন যন্ত্রাংশের প্রয়োজন হবে এবং মেরামত করে পুনরায় রেল বহরে যুক্ত করতে কতদিন সময় লাগবে।

সবগুলো বগি এখন পার্বতীপুরে ডক ইয়ার্ডে রাখা হয়েছে। ইন্দোনেশিয়া ও বাংলাদেশি দক্ষ কারিগররা এগুলো দেখবেন। এর পর ভালো বগিগুলো ধোয়া মোছার পরে রংপুরে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে। আর যেসব বগি পুড়ে গেছে অথবা দুমড়ে মুচড়ে গেছে সেগুলো মেরামতের জন্য পাশের সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় পাঠানো হবে।

আগুনে পুড়ে যাওয়া এসি স্লিপার ১২১৫, এসি চেয়ার ১৩২৭, দুমড়ে মুচড়ে যাওয়া কোচ ১৩৩২ ও ১৩৩৭, পাওয়ার কার ১১০৯ পার্বতীপুরে আনা হয়েছে। এর সঙ্গে শোভন চেয়ার ১০৪২, ১০৫১, ১০৪৪, ১০৩৮, ১০৪৫, ১০৪০, ১০৪৬ ও ১৪১৫ কোচ ও আনা হয়েছে পার্বতীপুরে। 

রেলওয়ের লালমনিরহাট বিভাগের বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) মো. শফিকুর রহমান জানান, রেলওয়ের পাকশী বিভাগ ও পশ্চিম জোনের অধীনে পৃথক দু’টি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে। কি পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, আর্থিক ক্ষতির বিষয়টি এ তদন্ত কমিটি জানাবেন। 

তিনি বলেন, ইন্দোনেশীয় এবং বাংলাদেশি এক্সপার্টরা ক্ষতিগ্রস্ত কোচগুলো দেখবেন। তবে দুর্ঘটনা কিংবা আগুনে পুড়ে ক্ষতি হওয়া কোচের ব্যাপারে ইন্দোনেশীয় এক্সপার্টদের কিছু করণীয় থাকবে না। 

ডিআরএম আরো জানান, অক্ষত কোচগুলোর পরীক্ষা নিরীক্ষা করবেন পার্বতীপুর ক্যারেজ ডিপোর সংশ্লিষ্টরা।

রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেন দুর্ঘটনার পর বর্তমানে লালমনি এক্সপ্রেস ও রংপুর এক্সপ্রেসের আগের সাদা রংয়ের দুটি রেক চালু করা হয়েছে। আগের দুটি সাদা রংয়ের রেক ও নতুন দুটি লাল সবুজের রেক নিয়ে মোট চারটি রেক দিয়ে লালমনি এক্সপ্রেস, রংপুর এক্সপ্রেস ও আন্তগর কুড়িগ্রাম ট্রেন চলাচল করছে বলে তিনি জানান।

নগর জুড়ে বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর