শুক্রবার   ১৫ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ১ ১৪২৬   ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

৫৩

রংপুর বিভাগের ৮ জেলায় দেখা দিয়েছে পেট্রোল সংকট

প্রকাশিত: ৬ নভেম্বর ২০১৯  

রংপুর বিভাগের ৮ জেলায় পেট্রোল সংকট সৃষ্টি হয়েছে। পার্বতীপুরে জ্বালানি তেলের রেলহেড ডিপোতে পেট্রোলের সরবরাহ প্রায় শূন্যের কোটায় নেমে আসায় এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

এ ডিপোতে দৈনিক পেট্রোলের চাহিদা ১ লাখ ৮০ হাজার লিটার। কিন্তু বর্তমানে প্রতি সপ্তাহে মাত্র ১ লাখ ৮০ হাজার লিটার ডিপোতে পেট্রোল সরবরাহ দেয়া হচ্ছে। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই তেল ডিপোর একটি সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে মৌলভীবাজারের রশিদপুর গ্যাস ফিল্ড হতে সড়কপথে পার্বতীপুর রেলহেড অয়েল ডিপোতে পেট্রোল সরবরাহ করা হতো। পেট্রো বাংলার আওতাধীন পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড একদিন পর পর ট্যাংকলরিতে করে ৪ লাখ ৫ হাজার লিটার পেট্রোল পার্বতীপুর রেলহেড অয়েল ডিপোতে সরবরাহ করত।

ডিপো থেকে প্রতিদিন রংপুর বিভাগের ৮ জেলা ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী, দিনাজপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, রংপুর ও গাইবান্ধার ৪৫০ পাম্পে পেট্রোল সরবরাহ করা হতো। এতে এ অঞ্চলের পেট্রোলের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হতো। প্রায় মাসখানিক ধরে রশিদপুর গ্যাস ফিল্ড থেকে হঠাৎ করে পেট্রোল আসা কমে যাওয়ায় ডিপোতে পেট্রোল সংকট দেখা দিয়েছে।

অয়েল ডিপোর ইনচার্জ আজম খান বলেন, যেখানে আগে তিন কোম্পানি মিলে সপ্তাহে একশ’ লরি পেট্রোল আসতো, সেখানে সপ্তাহে আসছে মাত্র ৩০ লরি পেট্রোল। বর্তমানে গ্যাস ফিল্ড থেকে যে পরিমাণ পেট্রোল আসছে তাই আমরা ডিলার ও এজেন্টদের সরবরাহ করছি।

রংপুর চৌধুরী পাম্প মালিক মোস্তফা সোহরাব চৌধুরী টিটু জানান, পেট্রোল সরবরাহ কমে যাওয়ায় পেট্রোল চালিত বিভিন্ন যানবাহনে জ্বালানি তেল সরবরাহ কমে গেছে। ফলে তীব্র সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

দিনাজপুর জেলা পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রওশন আলী সরকার বলেন, পার্বতীপুর রেলহেড অয়েল ডিপোতে প্রায় মাসখানেক ধরে পেট্রোলের সংকট চলছে। আমার চাহিদার ৪ ভাগের মাত্র ১ ভাগ পেট্রোল সরবরাহ পাচ্ছি। পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁওয়ে পেট্রোল সংকট চরমে। ইতিমধ্যে অনেকে পেট্রোল পাম্প বন্ধ রেখেছেন।

দ্রুতই পেট্রোলের সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে পেট্রোল সংকট চরম আকার ধারণ করবে। তিনি বলেন, পেট্রোল সংকটের ব্যাপারে বগুড়ায় তিন কোম্পানির এজিএমদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। 

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –