শুক্রবার   ১৫ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ১ ১৪২৬   ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

৩০৬

রংপুর বেতার আরও শক্তিশালী হোক

হারুন-অর-রশিদ, রংপুর

প্রকাশিত: ১৮ নভেম্বর ২০১৮  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

রেডিও বাংলাদেশ একটা সময় ছিল রংপুর অঞ্চলের প্রধান সংযোগ মাধ্যম এবং এই অঞ্চলের খবর ও বিনোদনের প্রধান উৎস। ১৯৬৫ সালে ঢাকায় একটি পূর্ণাঙ্গ টেলিভিশন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার পরও গণমাধ্যমের ভূমিকায় প্রধান ছিল বাংলাদেশ রেডিও। দেশ স্বাধীন হাওয়ার পরেও, বাংলাদেশ বেতার এর জনপ্রিয়তা এতটুকুও কমেনি। কিন্তু এরপর বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল চালু হাওয়া এবং ইন্টারনেট প্রযুক্তি চলে আসায়, রেডিওর জনপ্রিয়তা ধীরে ধীরে কমতে থাকে।

অথচ বংলাদেশ বেতারকে আবার আগের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকায় ফিরিয়ে আনা এমন কোন কঠিন কাজ নয়। বিশেষত যখন আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল, তখন বেতারের সেই হারানো গৌরব ও ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনাটা আমাদের সকলের কর্তব্য। দুঃখজনক ব্যাপার হল, আধুনিক প্রযুক্তির কোন ছোঁয়া এখনও আমাদের বাংলাদেশ বেতারে লাগেনি। সেজন্য এখনও বাংলাদেশ বেতার চলছে মান্ধাতা আমলের প্রযুক্তি দিয়ে।

এখন যেটা প্রয়োজন, সেটা হল – সমস্ত পুরাতন ও এনালগ যন্ত্রপাতি পরিবর্তন করে আধুনিক এবং ডিজিটাল যন্ত্রপাতি বাংলাদেশ বেতারে সংযোজন করা। বাংলাদেশে এখন বেশকিছু অ্যামেচার রেডিও স্টেশন আছে, যারা বেশ ভাল কাজ করছে। তাদের সাউন্ড কোয়ালিটি, প্রোডাকশন, কন্টেন্ট; সবকিছুই খুবই ভাল এবং মানসম্মত। একটি বেসরকারি রেডিও চ্যানেল যদি তাদের মানকে এই পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে, তাহলে সরকারি রেডিও চ্যানেলের মান তাদের চেয়েও ভাল হওয়া উচিৎ। বাংলাদেশ বেতারকে এখন পুরনো ধ্যান ধারণা ছেড়ে বেরিয়ে আসতে হবে। যুগের চাহিদা বুঝতে হবে আর সেই হিসেবে অনুষ্ঠান পরিকল্পনা করতে হবে। এখনও অনেক প্রত্যন্ত অঞ্চলে রেডিওর ব্যবহার আছে। কাজেই বাংলাদেশ বেতার যদি তাদের মান পরিবর্তন করতে পারে, এটি জনমানুষের আরও কাছাকাছি যেতে পারবে। তখন রেডিওর মাধ্যমে সামাজিক প্রচারণা, জন সচেতনতা, দারিদ্র দূরীকরণে পদক্ষেপ গ্রহণ, এমন আরও জনকল্যাণমূলক ভূমিকা শুধুমাত্র রেডিওর মাধ্যমেই রাখা সম্ভব। আমরা আশা করি, বাংলাদেশ বেতারের ডিজিটাল যন্ত্রপাতি স্থাপনের মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ভিশন ২০২১ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়ক হবে। গত ১৬ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশ রেডিওর ৫১ তম বর্ষপূর্তি। শুভ জন্মদিন বাংলাদেশ বেতার।

রেডিও বাংলাদেশ একটা সময় ছিল রংপুর অঞ্চলের প্রধান সংযোগ মাধ্যম এবং এই অঞ্চলের খবর ও বিনোদনের প্রধান উৎস। ১৯৬৫ সালে ঢাকায় একটি পূর্ণাঙ্গ টেলিভিশন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার পরও গণমাধ্যমের ভূমিকায় প্রধান ছিল বাংলাদেশ রেডিও। দেশ স্বাধীন হাওয়ার পরেও, বাংলাদেশ বেতার এর জনপ্রিয়তা এতটুকুও কমেনি। কিন্তু এরপর বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল চালু হাওয়া এবং ইন্টারনেট প্রযুক্তি চলে আসায়, রেডিওর জনপ্রিয়তা ধীরে ধীরে কমতে থাকে।

অথচ বংলাদেশ বেতারকে আবার আগের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকায় ফিরিয়ে আনা এমন কোন কঠিন কাজ নয়। বিশেষত যখন আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল, তখন বেতারের সেই হারানো গৌরব ও ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনাটা আমাদের সকলের কর্তব্য। দুঃখজনক ব্যাপার হল, আধুনিক প্রযুক্তির কোন ছোঁয়া এখনও আমাদের বাংলাদেশ বেতারে লাগেনি। সেজন্য এখনও বাংলাদেশ বেতার চলছে মান্ধাতা আমলের প্রযুক্তি দিয়ে।

এখন যেটা প্রয়োজন, সেটা হল – সমস্ত পুরাতন ও এনালগ যন্ত্রপাতি পরিবর্তন করে আধুনিক এবং ডিজিটাল যন্ত্রপাতি বাংলাদেশ বেতারে সংযোজন করা। বাংলাদেশে এখন বেশকিছু অ্যামেচার রেডিও স্টেশন আছে, যারা বেশ ভাল কাজ করছে। তাদের সাউন্ড কোয়ালিটি, প্রোডাকশন, কন্টেন্ট; সবকিছুই খুবই ভাল এবং মানসম্মত। একটি বেসরকারি রেডিও চ্যানেল যদি তাদের মানকে এই পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে, তাহলে সরকারি রেডিও চ্যানেলের মান তাদের চেয়েও ভাল হওয়া উচিৎ। বাংলাদেশ বেতারকে এখন পুরনো ধ্যান ধারণা ছেড়ে বেরিয়ে আসতে হবে। যুগের চাহিদা বুঝতে হবে আর সেই হিসেবে অনুষ্ঠান পরিকল্পনা করতে হবে। এখনও অনেক প্রত্যন্ত অঞ্চলে রেডিওর ব্যবহার আছে। কাজেই বাংলাদেশ বেতার যদি তাদের মান পরিবর্তন করতে পারে, এটি জনমানুষের আরও কাছাকাছি যেতে পারবে। তখন রেডিওর মাধ্যমে সামাজিক প্রচারণা, জন সচেতনতা, দারিদ্র দূরীকরণে পদক্ষেপ গ্রহণ, এমন আরও জনকল্যাণমূলক ভূমিকা শুধুমাত্র রেডিওর মাধ্যমেই রাখা সম্ভব। আমরা আশা করি, বাংলাদেশ বেতারের ডিজিটাল যন্ত্রপাতি স্থাপনের মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ভিশন ২০২১ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়ক হবে। গত ১৬ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশ রেডিওর ৫১ তম বর্ষপূর্তি। শুভ জন্মদিন বাংলাদেশ বেতার।

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –