ব্রেকিং:
রংপুর মেডিকেল কলেজে (রমেক) পিসিআর ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করে নতুন করে আরো ৫৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। রবিবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর মেডিকেল কলেজের (রমেক) অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাঃ একেএম নুরুন্নবী লাইজু। দেশে করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মারা গেলেন ৩ হাজার ৩৯৯ জন। এছাড়া নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন দুই হাজার ৪৮৭ জন। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ৫৭ হাজার ৬০০ জন।
  • সোমবার   ১০ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ২৫ ১৪২৭

  • || ২০ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

সর্বশেষ:
শ্রীলঙ্কার বিজয়ী প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকশা-কে শেখ হাসিনার অভিনন্দন দিনাজপুরে সাংবাদিকদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ গঙ্গাচড়ার বন্যা কবলিত ৫’শ মানুষের মাঝে ত্রান বিতরণ মেজর সিনহা নিহতের ঘটনায় কেউই ছাড় পাবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আ.লীগের প্রতিটি সংগঠনের সাথে মায়ের নিবিড় সম্পর্ক ছিল: শেখ হাসিনা
৪৯৬

রংপুর মেডিকেলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় হপার পদ্ধতি

নীলফামারি বার্তা

প্রকাশিত: ১৫ নভেম্বর ২০১৮  

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কাজে লাগানো হচ্ছে গণপূর্ত প্রকৌশলীদের উদ্ভাবিত হপার যন্ত্র। পরীক্ষামূলক বাস্তবায়নে ভালো ফল পাওয়ায় হাসপাতালে স্থায়ীভাবে এ প্রযুক্তি স্থাপন করতে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

১৯৬৭ সালে প্রতিষ্ঠিত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতিদিন প্রায় দুই হাজার রোগী ভর্তি থাকে। প্রায় এক টন চিকিৎসা বর্জ্য জমে হাসপাতালে।

সুষ্ঠু বর্জ্য ব্যবস্থাপনা না থাকায় হাসপাতাল চত্বর ও গণশৌচাগারগুলো ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা বর্জ্য খোলা স্থানে রাখে। এতে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়, বর্ষার সময় আবর্জনা গোটা হাসপাতাল চত্বরে ছড়িয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে চালকলে ব্যবহৃত হপার বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আশার আলো দেখাচ্ছে।

বর্তমানে সিসিইউ, চক্ষু গাইনি, সার্জারি, ইএনটি, লেবার ওয়ার্ড, সাধারণ সার্জারি ওয়ার্ড, নিউরো সার্জারি এবং পথ্য ওয়ার্ডসহ ১২টি ওয়ার্ডে পরীক্ষামূলক এ হপার স্থাপন করা হয়েছে। হপারের সঙ্গে যুক্ত আছে ১২ ইঞ্চি ব্যাসের পিভিসি পাইপ। হপারে বর্জ্য ফেললে পাইপ দিয়ে নিচে পড়ে যায়। সেখান থেকে শেডে ফেলেন পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা।

হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার বেলাল হোসেন বলেন, বর্জ্য অপসারণে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়ায় যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকে না। আগে প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন করে পরিচ্ছন্নতা কর্মীকে তিন শিফটে ব্যস্ত থাকতে হতো। এখন তার প্রয়োজন হচ্ছে না।

হপার পদ্ধতির প্রথম ধারণা দেন গণপূর্ত বিভাগের প্রকৌশলীরা। তারা বলেন, বর্জ্য অপসারণে হপার পদ্ধতির সুবিধা পেতে হলে হপারে যুক্ত পাইপ রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে।

হপার পদ্ধতি ভালোভাবে কাজ করলে পুরো হাসপাতাল এর আওতায় আনা হবে বলে জানিয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক অজয় কুমার রায় বলেন, বর্জ্য রাখার শেড নির্মাণ করা হয়েছে। ইনসিনারেটরও নির্মাণ করা হয়েছে। এটি চালু হলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা অনেক উন্নত হবে।

গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৗশলী সাকিউল আলম বলেন, হপার পদ্ধতি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রথম ব্যবহৃত হচ্ছে। সফলতা পাওয়া গেলে সব ওয়ার্ডে এটি চালু করা হবে।

উন্নয়ন বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর