ব্রেকিং:
কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বাণিজ্যের প্রসার ও রাজস্ব আহরণে শুল্কায়ন ব্যবস্থাপনাকে আরও সহজতর করতে হবে: রংপুরে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

সোমবার   ২৭ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ১৩ ১৪২৬   ০১ জমাদিউস সানি ১৪৪১

সর্বশেষ:
করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে ১১ দেশে: বাংলাদেশে সতর্কতা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নির্বাচন আগামীকাল। বরগুনার বহুল আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির জামিন বাতিলের শুনানির দিন পিছিয়ে আগামী ২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করেছে আদালত। ওয়াসার আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর শেখ রাসেল পানি শোধনাগার প্রকল্প উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উপজেলা পর্যায়ে ৩২৯টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপন একনেক সভায় অনুমোদন হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে শুভেচ্ছা র‌্যালি করেছে ঠাকুরগাঁওয়ের কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠনের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা। অর্থনৈতিকভাবে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ- প্রধানমন্ত্রী। বাণিজ্যের প্রসার ও রাজস্ব আহরণে শুল্কায়ন ব্যবস্থাপনাকে আরও সহজতর করতে হবে: রংপুরে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী তিনদিন পর দুঃখ প্রকাশ করে দুইজনের মরদেহ ফেরত দিয়েছে বিএসএফ পাকিস্তান সিরিজের শেষ ম্যাচে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর আস্থাশীল ৮৬ শতাংশ মানুষ ভারতের ‘পদ্মভূষণ’ ও ‘পদ্মশ্রী’ পদক পেলেন দুই বাংলাদেশি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
৪০৮

রপ্তানি আয় বেড়েছে ১৮.৬৫ শতাংশ

নীলফামারি বার্তা

প্রকাশিত: ১২ নভেম্বর ২০১৮  

চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি রপ্তানি আয় হয়েছে। ছাড়া গত অর্থবছরের তুলনায়ও রপ্তানি আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল এক হাজার ২১২ কোটি লাখ ডলার। এর বিপরীতে আয় হয়েছে এক হাজার ৩৬৫ কোটি ১৭ লাখ মার্কিন ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ১২ দশমিক ৫৭ শতাংশ বেশি। ছাড়া গত বছরের একই সময় আয় হয়েছিল এক হাজার ১৫০ কোটি ৫৮ লাখ মার্কিন ডলার। সেই হিসেবে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় রপ্তানি আয় ১৮ দশমিক ৬৫ শতাংশ বেশি হয়েছে।  অন্যদিকে অক্টোবর মাসে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৭৯ কোটি ডলার। এর বিপরীতে আয় হয়েছে ৩৭১ কোটি ১৮ লাখ ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৩২ দশমিক ৬৮ শতাংশ বেশি। গত বছর অক্টোবর মাসে আয়ের পরিমাণ ছিল ২৮৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় রপ্তানি আয় বেড়েছে ৩০ দশমিক ৫৩ শতাংশ। প্রধান রফতানি পণ্য পোশাক খাতের আয় ধারাবাহিকভাবে ভালো করেছে এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য রপ্তানি আয় ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বাংলাদেশের রপ্তানি খাত মূলত পোশাক নির্ভর। রপ্তানিতে পোশাক খাতের অবদান দিন দিন বাড়ছে। এর পাশাপাশি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ক্রমান্বয়ে রপ্তানি আয় বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখছে।  রপ্তানি আয় আরও বাড়াতে প্রচলিত বাজার ছাড়াও নতুন নতুন বাজারের সম্ভাবনা কাজে লাগানো এবং পোশাকের পাশাপাশি পণ্য বহুমুখীকরণ বিশেষ করে বেশি মূল্য সংযোজন হয় এমন পণ্য রপ্তানির প্রতি মনোযোগ দেওয়া উচিত। ইপিবির হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, পোশাক খাতের নিট পণ্য (সোয়েটার, টি-শার্ট জাতীয় পোশাক) রপ্তানি আয় প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় দুই- বেড়েছে। ৫০২ কোটি ১৮ লাখ ডলারের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৫৮৭ কোটি ৫২ লাখ ডলার। প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৭ দশমিক ৮৩ শতাংশ। লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ১৬ দশমিক ৯৯ শতাংশ বেশি রপ্তানি আয় হয়েছে। গতবছরের প্রথম ১১ মাসে নিট পণ্যের রপ্তানি আয় ছিল ৪৯৮ কোটি ৬২ লাখ ডলার। সে সময় ওভেন পণ্যেও (শার্ট, প্যান্ট জাতীয় পোশাক) রপ্তানি আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে। ক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২২ দশমিক ৬১ শতাংশ। ৫১৪ কোটি ২৭ লাখ ডলারের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ওভেন পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৫৪৫ কোটি ৭৮ লাখ ডলারের। গতবছরের একই সময় এর পরিমাণ ছিল ৪৪৫ কোটি ১৫ লাখ ডলার। লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় দশমিক ১৩ শতাংশ বেশি রপ্তানি হয়েছে।

জুলাই-অক্টোবর সময় কৃষিজাত পণ্যের রপ্তানি আয় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এই খাতে রপ্তানি আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৬ কোটি ৬৫ লাখ ডলার, যার প্রবৃদ্ধি ৮০ দশমিক ৩৭ শতাংশ। লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় এর আয় বেড়েছে ৬৫ দশমিক ৭৯ শতাংশ। উক্ত সময় রাসায়নিক পণ্যের রপ্তানি আয় ৪০ দশমিক ৪২ শতাংশ বেড়েছে। সময় এই খাতের রপ্তানি আয় ছিল ছয় কোটি ৩১ লাখ ডলার। পেট্রোলিয়াম বাই প্রোডাক্ট রপ্তানি হয়েছে ১৬ কোটি ৬২ লাখ, যার প্রবৃদ্ধি ৮৮৮ শতাংশ। প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে তিন কোটি ৯৬ লাখ ডলার, প্রবৃদ্ধি ৩১ দশমিক ১৪ শতাংশ। বেডশিট, কিচেন-টয়লেটসহ হোম টেক্সটাইল পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৮২ কোটি ৩০ লাখ ডলার। এতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১১ দশমিক ৬৭ শতাংশ। ছাড়া হিমায়িত মাছ, হ্যান্ডিক্রাফটস, সিমেন্ট, সল্ট, স্টোন, ইমারত তৈরির সরঞ্জাম সিরামিকের রপ্তানি আয় বেড়েছে। তবে চামড়া চামড়জাত পণ্য এবং পাট পাটজাত পণ্যসহ আরও কিছু পণ্যের রপ্তানি আয় আগের বছরের তুলনায় কমেছে।

এই বিভাগের আরো খবর