ব্রেকিং:
দেশে করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মারা গেলেন ৩ হাজার ৪৭১ জন। এছাড়া নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন দুই হাজার ৯৯৬ জন। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ৬৩ হাজার ৫০৩ জন।
  • মঙ্গলবার   ১১ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ২৭ ১৪২৭

  • || ২১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

সর্বশেষ:
শোক দিবসে দেশের সকল মসজিদে বিশেষ দোয়া ‘আধুনিক পদ্ধতি অনুসরণ করে শিশুদের পাঠদান করতে হবে’ লেবাননে পৌঁছেছে বাংলাদেশ সরকারের মানবিক সহায়তা ‘স্বাস্থ্যখাতের দুর্নীতি রোধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার’ প্রণব মুখার্জির দ্রুত আরোগ্য কামনা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
৯৭

রোগ মুক্তিতে হাজার হাজার মানুষ দুধ খাচ্ছে ‘শ্যামলী’র!

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৫ অক্টোবর ২০১৯  

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার বাশতলী গ্রামের মহানন্দ মন্ডলের ১৮ মাস বয়সী বকনা বাছুর বাচ্চা প্রসব ছাড়াই দৈনিক চার কেজি দুধ দিচ্ছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। 

প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ দুধ খাচ্ছে এই বকনা বাছুর ‘শ্যামলী’র। ভোর থেকেই শ্যামলীর দুধ নিতে লম্বা লাইন পড়ে যায়। কেউ খালি হাতে, কেউ বোতল নিয়ে। কয়েকদিন ধরে এমন ঘটনা ঘটছে। এই দুধ পান করে বিভিন্ন রোগমুক্তির জন্য প্রতিদিন হাজার হাজার লোক ভিড় করছে মহানন্দের বাড়িতে।

শনিবার সকালে দেখা গেছে, মহানন্দের বাড়ির সামনে অটোবাইক, রিকশা, মটর সাইকেল, মাহিন্দ্রসহ নানা যানবাহন। আঙ্গিনায় হাজারও নারী পুরুষ, শিশুসহ নানা বয়সী মানুষ।  

শ্যামলীর মালিক মহানন্দ জানান, জেলা সদরের বেমরতা ইউপির কোন্ডলা গ্রামের সরোয়ার হোসেনের কাছ থেকে ৮ মাস বয়সী একটি বকনা বাছুর ক্রয় করি। যার বয়স ১৮ মাস। চারমাস আগে গোয়ালঘরে গিয়ে দেখি ওই বকনাটির বান থেকে দুধ পড়ছে। দুই তিনদিন একই ঘটনা দেখার পরে, দুধ সংগ্রহ শুরু করি।

প্রাণী সম্পদ বিভাগকে জানালে তারা জানান, এই দুধ খেলে কোনো সমস্যা হবে না। এরপর থেকেই আশপাশের মানুষ দুধ খাওয়া শুরু করে। অনেকেই বলতে থাকে এই দুধ খেয়ে তাদের বিভিন্ন রোগ সেরেছে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন এলাকা থেকে দুধ নিতে অনেক মানুষ আসে। কিন্তু পর্যাপ্ত চাহিদা মিটাতে পারছি না।

মহানন্দ আরো বলেন, দুধের বিনিময়ে আমরা কারো কাছ থেকে কোনো পয়সা নেই না। কিন্তু কেউ যদি কোনো টাকা দেয়। আমরা সেটা গ্রহণ করি শ্যামলীর খাবারের জন্য। আর যদি একটু বেশি টাকা দিত তাহলে শ্যামলীর জন্য একটি ভাল ঘর বানাতে পারতাম। 

মল্লিকেরবেড় এলাকার এক বাসিন্দা জানান, পিজিতে ডাক্তার দেখিয়েছিলাম। তারপরও সুস্থ্য হইনি। কিন্তু এই দুধ খাওয়ার পরে সুস্থ্য হয়ে গেছি।

বাশতলী ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মাদ আলী বলেন, দুধ নিতে প্রতিদিন মহানন্দের বাড়িতে হাজার হাজার লোক আসে। শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য স্থানীয় লোকজন ও চকিদাররা  সহযোগিতা করছে। প্রশাসন এবং প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা এ বিষয়টি অবলোকন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার অনুরোধ জানান তিনি।

বাগেরহাট জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. লুৎফর রহমান বলেন, অনেক সময় হরমোন জনিত সমস্যার কারণে বাচ্চা প্রসবের আগেই বকনার বানে দুধ আসতে পারে। এটা একটি সমস্যা। তবে এ দুধ খেলে কোনো সমস্যা হবে না। গাভীর দুধের মত এই দুধও খাওয়া যায়। তবে কেউ যদি রোগমুক্তি বা বিশেষ কোনো কারণে এই দুধ পান করে থাকেন তবে এটা তার একান্ত নিজস্ব বিশ্বাসের ব্যাপার। এখানে কিছু বলার নেই।

ইত্যাদি বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর