ব্রেকিং:
দেশে করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মারা গেলেন ৩ হাজার ২৬৭ জন। এছাড়া নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন দুই হাজার ৬৫৪ জন। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ৪৬ হাজার ৬৭৪ জন।
  • বৃহস্পতিবার   ০৬ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ২১ ১৪২৭

  • || ১৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

সর্বশেষ:
অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ কামাল ছিলেন নির্লোভ, নির্মোহ- কাদের মুক্তি পেলো বঙ্গবন্ধুর উক্তি নিয়ে চলচ্চিত্র ‌‘চল যাই’ বন্যায় এ পর্যন্ত ১০ হাজার ৪৮ মেট্রিক টন চাল বিতরণ ঠাকুরগাঁওয়ে করোনায় আরো একজনের মৃত্যু
৮৮

রোহিঙ্গারা বাংলাদেশি, ক্যামেরনকে বলেছিলেন সু চি

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

২০১৩ সালে এক বৈঠকে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি বলে উল্লেখ করেছিলেন মিয়ানমারের নেতা অং সান সু চি। নিজের স্মৃতিকথা ‘ফর দ্য রেকর্ড'-এ এর উল্লেখ করেছেন যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন। ডয়েচে ভেলের এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

২০১২ সালে প্রথম ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মিয়ানমার সফরে গিয়েছিলেন ক্যামেরন। কিন্তু এরপর দেশটির অবস্থা, বিশেষ করে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিষয়ে সু চির অবস্থান নিয়ে স্মৃতিকথায় বিরক্তি প্রকাশ করেছেন তিনি।

ক্যামেরন লিখেছেন, ‘‘আমি গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চির সঙ্গে বৈঠক করি। তিনি শিগগিরই প্রেসিডেন্ট পদে লড়াই করবেন। ১৫ বছরের গৃহবন্দিত্ব থেকে সত্যিকার গণতন্ত্রের পথে যাত্রা, তার এই দারুণ গল্প নিয়েই আমরা কথা বলেছি। কিন্তু ২০১৩ সালের অক্টোবরে সু চি যখন লন্ডন সফরে আসেন, সবার চোখ তখন রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর। বুদ্ধ রাখাইনরা তাদের নিজ বাসস্থান থেকে তাড়িয়ে দিচ্ছিল। ধর্ষণ, হত্যা, জাতিগত নিধনসহ অনেক কিছুই আমরা শুনতে পাচ্ছিলাম। আমি তাকে বললাম, বিশ্ব সব দেখছে। তিনি উত্তর দিলেন, তারা আসলে বার্মিজ নয়। তারা বাংলাদেশি। এরপর ২০১৫ সালে তিনি মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় নেতা হলেন, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা চলতেই থাকলো''

বাংলাদেশে এখন যে এগারো লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী আছে, তার বড় অংশই বাংলাদেশে প্রবেশ করা শুরু করেছিল ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট। এরপর জাতিসংঘসহ নানা সংস্থার নানা উদ্যোগের পর বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সরকারের আলোচনায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সিদ্ধান্ত হয়েছিল। ২০১৮ সালের ২৩ জানুয়ারি প্রত্যাবাসন শুরুর কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা আর হয়নি। বরং প্রত্যাবাসনের শর্ত হিসেবে উল্টো নিজেদের কিছু দাবির কথা তুলে ধরছেন রোহিঙ্গারা। এর মধ্যে আছে - নাগরিকত্ব, নিরাপত্তা, বাড়িঘর জমি ফেরত পাওয়ার নিশ্চয়তার মতো বিষয়গুলো।

আন্তর্জাতিক বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর