ব্রেকিং:
রাজবাড়ীর পাংশায় আন্তনগর মধুমতি এক্সপ্রেসে পাথর নিক্ষেপ করেছে বখাটেরা। এতে এক যাত্রী আহত হয়েছেন। ত্রাণ প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে জাইকা প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ পদ্মাসেতুর রেল রুটও যুক্ত হচ্ছে ট্রান্স-এশিয়ান নেটওয়ার্কে মাগুরায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বন্দুকযুদ্ধে দুই ডাকাত নিহত পঞ্চগড় বোদা উপজেলায় মাইক্রোবাস ও দেশীয় অস্ত্রসহ তিন ডাকাত দলের সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার   ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ৭ ১৪২৬   ২৪ জমাদিউস সানি ১৪৪১

সর্বশেষ:
শুকনো মৌসুমে কুড়িগ্রামের ধরলা নদীর ভাঙন শুরু হওয়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন তিন গ্রামের মানুষ। সোলাইমানির হত্যাকাণ্ডে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘিত হয়েছে : জাতিসংঘ বিএনপির রাজনীতি খালেদার অসুস্থতার মধ্যে আটকে আছে: তথ্যমন্ত্রী প্রস্তুতি ম্যাচে কাল মুখোমুখি বাংলাদেশ-পাকিস্তান কুড়িগ্রামে চুরি করে সিসি ক্যামেরায় ধরা খেল পুলিশ ফেনীতে স্থায়ী শহীদ মিনার পেল মাদরাসা শিক্ষার্থীরা
১১১

শিক্ষকের বিরুদ্ধে সরকারি পাঠ্য বই বিক্রির অভিযোগ

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৪ জানুয়ারি ২০২০  

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সরকারি পাঠ্য বই বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।  সোমবার দুপুরে স্থানীয় এক হকারের কাছে বিক্রির সময় ১ শ ২৫ কেজি সরকারি বই এবং  ১ শ ১৫ কেজি পরীক্ষার খাতা আটক করা হয়।

উপজেলার ৭ নম্বর বিরিশিরির দক্ষিণ ভবানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম সরকারি বইগুলো অবৈধ ভাবে বিক্রি করেছেন বলে জানা গেছে। প্রতি কেজি বই ৮ টাকা ও খাতা ৯ টাকায় বিক্রি করা হয়।  

খবর পেয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সদস্যরা আটক প্রাথমিক শাখার সরকারি বই ও পরীক্ষার খাতাগুলো নিয়ে আসেন।

১৯৬৩ সালে দক্ষিণ ভবানীপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়টি স্থাপিত হয়। ১৯৭৩ সালে বিদ্যালয়টিকে সরকারিকরণের আওতায় আনে সরকার। বর্তমানে শিশু শ্রেণি থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ২ শ ৫০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে।  

স্থানীয় বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম জানান, শুধু বই নয়, প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদানের পর থেকে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির সঙ্গে যোগসাজসে বিদ্যালয়ের চত্বরের গাছ থেকে শুরু করে নানা রকম দুর্নীতি করে আসছেন তিনি। শিক্ষার্থী বই চাইলেই বলেন, বই নেই।  

প্রধান শিক্ষক বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে বইগুলো পড়ে আছে। ফলে কক্ষ সবসময় বন্ধ করে রাখতে হয়। তাই বই, খাতাগুলো বিক্রি করেছি।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের সরকারি বই বিক্রির কোনো অনুমতি নেই। তিনি যে কাজটি করেছেন তা পুরোপুরি অন্যায়। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

এই বিভাগের আরো খবর