• সোমবার   ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০ ||

  • আশ্বিন ৬ ১৪২৭

  • || ০৩ সফর ১৪৪২

সর্বশেষ:
জনগণের সেবা করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য- প্রধানমন্ত্রী আইনমন্ত্রীর মহানুভবতায় গাইবান্ধায় বিক্রি করা সন্তান ফিরে পেল মা বিরল ও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত: এক প্রকল্পে সাশ্রয় ২৮৬ কোটি টাকা সাড়ে ৯ হাজার শ্রমিককে ৪০ কোটি টাকা সহায়তা প্রদান আইপিএল নিয়ে জুয়া: কুড়িগ্রামে ছয় যুবক আটক
৬০

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রণালয়   

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০  

কেন্দ্রীয়ভাবে নয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার ভার্চুয়াল বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।


তিনি জানান, স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০২০ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আগে ছয়মাস আগে নির্বাচন করতে হতো। তখন শপথে অনেকদিন অপেক্ষা করতে হয়। আইনটি পাস হলে নির্বাচন ৩ মাস আগে হবে। শপথ নেওয়ার পর ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে দায়িত্ব নেবে। সিটি নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা বছরে তিন মাসের বদলে এক মাস ছুটি পাবেন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘দেখা গেছে, বাস্তবে (সিটি করপোরেশন আইন অনুযায়ী) কাজ করতে গেলে কিছু অসুবিধা হয়। এখন নিয়ম রয়েছে, (মেয়াদ উত্তীর্ণের আগে) ৬ মাসের (১৮০ দিন) মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। অন্যদিকে রয়েছে যেদিন তারা (মেয়র ও কাউন্সিলর) মিটিং করবে সেই থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত তাদের সময় থাকবে। দেখা গেছে, ৪-৫ মাস আগে যদি নির্বাচন হয়ে যায়, শপথ হলেও তারা দায়িত্ব নিতে পারতেছে না এই কন্ট্রাডিকশনের জন্য। (মেয়াদ পূর্ণ না হাওয়ায়) অনেক দিন তাদের অপেক্ষা করতে হয়।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচন তো বটেই, শপথ নেওয়ার পরও তাদের অপেক্ষা করতে হয়। সেজন্য এটাকে একটু চেইঞ্জ করে নিয়ে আসা হয়েছে। (মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে) তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন শেষ করতে হবে। যেদিন শপথ হবে এর ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে দায়িত্ব হস্তান্তর হয়ে যাবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বাংলাদেশ বিমান করপোরেশন আইন এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। এছাড়াও ড্রোন নিবন্ধন ও উড্ডয়ন নীতিমান এর খসড়া অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। বিনোদনের জন্য (৫ কেজির নীচের ড্রোন) ও রাষ্ট্রীয় ও সামরিক কাজে ড্রোন ব্যবহারে অনুমোদন নিতে হবে না। তবে বাণিজ্যক কাজে ব্যবহারের জন্য ৫ কেজির ওপরে যে কোনো ড্রোন ব্যবহারের জন্য অনুমোদন নিতে হবে সিভিল এভিয়েশন ও কেপিআই কর্তৃপক্ষের।

শিক্ষা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর