ব্রেকিং:
কুড়িগ্রামে জেএমবি কর্তৃক ধর্মান্তরিত মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলী হত্যা মামলার সাক্ষ্য গ্রহন অনুষ্ঠিত দিনাজপুরে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় বেকারী মালিক সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন সৈয়দপুরে তিন দিনব্যাপী জাতীয় লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য ও প্রযুক্তি মেলার শুরু সৈয়দপুর বিমানবন্দরে জোরপূর্বক প্রবেশের চেষ্টাকালে তিন যুবক গ্রেফতার সালমান শাহ পারিবারিক কলহে আত্মহত্যা করেছেন : পিবিআই

মঙ্গলবার   ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ১৩ ১৪২৬   ০১ রজব ১৪৪১

সর্বশেষ:
পিলখানা বিদ্রোহ আর হত্যাযজ্ঞের ১১ বছর আজ ডিজিএফআইয়ের নতুন ডিজি মেজর জেনারেল সাইফুল আলম লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় সালাম না দেয়ায় সরকারি এক কর্মকর্তাকে পিটিয়ে আহত করেছেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বিশ্বজয়ী আকবর আলী ও জাতীয় টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়ন হৃদয়কে সম্মানী ভাতা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন রসিক মেয়র সীমান্তে চোরাচালান রোধে বিজিবিকে সজাগ থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
৩৪০

শিশুদের বঙ্গবন্ধু

নীলফামারি বার্তা

প্রকাশিত: ১৮ নভেম্বর ২০১৮  

সকল শিশুদের নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছিল অবারিত দুয়ার। শিশুদের সঙ্গে সময় কাটানো, তাদের জন্য কিছু করার আগ্রহ ছিল তার প্রবল। এমনকি তিনিই প্রথম ভেবেছিলেন শিশুদের সুরক্ষায় পূর্ণাঙ্গ একটি আইন থাকা জরুরি। আর সেই পথ ধরেই ১৯৭৪ সালের ২২ জুন জাতীয় শিশু আইন (চিলড্রেন অ্যাক্ট) প্রণয়ন করা হয়।

বঙ্গবন্ধু বিশ্বাস করতেন, আজকের শিশুরাই আগামী জাতির ভবিষ্যৎ। আগামী দিনে দেশগড়ার নেতৃত্ব দেবে শিশুরাই। ফলে আগে তাদেরই গড়ে তুলতে হবে আগামীর বিশ্ব। যখন তিনি বঙ্গবন্ধু হয়ে ওঠেননি, একজন নেতা হয়ে উঠছেন কেবল, তখনও তিনি তার পরিকল্পনায় শিশুবান্ধব সিদ্ধান্ত রাখতেন বলে জানিয়েছেন তার সব সহযোদ্ধারা। শিশুরা সৃজনশীল এবং মুক্তমনের মানুষ হিসেবে গড়ে উঠুক সেটি ছিল তার আকাঙ্ক্ষার বিষয়। স্বাধীন বাংলাদেশে তিনি যখন সবার বঙ্গবন্ধু হয়ে উঠেছেন, তখনও তিনি শিশুদের সঙ্গে সময় কাটাতে পছন্দ করতেন। শিশুদের যেকোন সমাবেশে গেলে বা শিশুরা গণভবনে তার কাছে গেলে, তিনি শিশুর মতো তাদের সঙ্গে মিশে যেতেন। সেই বিবেচনায় ২০০৯ সাল থেকে তার জন্মদিনের দিনটিকে জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

 

বঙ্গবন্ধু শিশুদের সবসময় খুব আদর করতেন। তিনি জানতেন, শিশুদের তৈরি করতে পারলেই আগামী দিনে তিনি পাবেন একটি সৎ এবং সাহসী জাতি। ইতিহাসের পাতা বলে, হাজার ব্যস্ততার মধ্যে তিনি কচিকাঁচার মেলা, খেলাঘরসহ অন্যান্য সংগঠনের শিশুবন্ধুদের অনুষ্ঠান এবং সমাবেশে গিয়েছেন। তাদের মার্চপাস্ট, লাঠিখেলায় বঙ্গবন্ধু উৎসাহ দিয়েছেন। তাকে যারা দেখেছেন, তারা বলেন, তিনি এত সহজে, এত আন্তরিকভাবে শিশুদের সঙ্গে মিশে যেতেন যে, শিশুরা তাকে অনায়াসে একান্ত আপন করে নিত। জানা যায়, শিশু-কিশোর, তরুণ-তরুণী, যুবক-বৃদ্ধ সবার কাছেই বঙ্গবন্ধু ছিলেন মুজিব ভাই। এর ফলে বয়সের ব্যবধান ঘুচে যেত।

 

শিশুদের আদর করার পাশাপাশি তিনি তাদের সুরক্ষার দিকটিও বিবেচনায় নিয়েছিলেন বলেই ১৯৭৪ সালের ২২ জুন জাতীয় শিশু আইন (চিলড্রেন অ্যাক্ট) জারি করেন। এই আইনের মাধ্যমে শিশুদের নাম এবং জাতীয়তার অধিকারের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে; সব ধরনের অবহেলা, শোষণ, নিষ্ঠুরতা, নির্যাতন, খারাপ কাজে লাগানো ইত্যাদি থেকে নিরাপত্তার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ষড়যন্ত্রকারী ঘাতকরা তাকে সপরিবারে হত্যা না করলে তিনি একটি উজ্জ্বল প্রজন্ম দিতেন আমাদের।

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া গ্রামের শেখ পরিবারে ১৯২০ খ্রিস্টাব্দের ১৭ মার্চ যে শিশুটির জন্ম হয়েছিল, তার ডাকনাম খোকা আর পুরোনাম শেখ মুজিবুর রহমান। এই খোকা আজীবন শিশুদের সাথে শিশুতোষ মন নিয়ে মেশার পাশাপাশি তাদের জন্য এনে দিয়েছেন স্বাধীন বাংলাদেশ যেখানে তারা শিরদাড়া উঁচু করে জীবনযাপন করবে।