ব্রেকিং:
শহীদদের নামে রংপুরের সড়কগুলোর নামকরণের দাবি উত্তরের ফসলি জমি গিলে খাচ্ছে তামাক আজ ২০ ফেব্রুয়ারি ‘বিশ্ব সামাজিক ন্যায়বিচার দিবস’ মহান শহীদ দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকাকে পাঁচটি সেক্টরে বিভক্ত করে তিন ধাপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে র‌্যাব নারী বিশ্বকাপ ওয়ার্ম-আপ ম্যাচ: পাকিস্তানকে ৫ রানে হারালো বাংলাদেশ

শুক্রবার   ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ৮ ১৪২৬   ২৬ জমাদিউস সানি ১৪৪১

সর্বশেষ:
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে শুক্রবার অমর একুশে গ্রন্থমেলার দ্বার খুলবে সকাল ৮টায় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচন ১১ ও ১২ মার্চ দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে দুই ডাকাত নিহত লালমনিরহটের হাতীবান্ধা উপজেলায় ষাটোর্ধ্ব এক বৃদ্ধা মাকে মারধর করে ঘর থেকে বের করে দিয়েছেন ছেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রাক্কালে ২০ ব্যক্তি এবং এক প্রতিষ্ঠানের মাঝে ‘একুশে পদক-২০২০’ প্রদান করেছে
২৮

সন্তানের শেষ আশ্রয়স্থল বাবা

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৫ জানুয়ারি ২০২০  

বাবা, দুই অক্ষরের ছোট্ট একটি শব্দ। কিন্তু এই শব্দের বিশালতা সীমাহীন। কারণ বাবা মানেই বটবৃক্ষের ছায়া আর তীব্র রোদে শান্তিদায়ক ছাতা। বাবা মানেই গভীর অন্ধকারে পথ দেখানো দৃশ্যমান এক আলোকরশ্নি। বাবা মানেই এগিয়ে চলার প্রেরণা। বাবা মানেই আবদারের এক অফুরন্ত ভান্ডার। সব মিলিয়ে বাবা অদ্ভুত এক চরিত্র। 
মায়ের বকুনির ভয়ে পালিয়ে বেড়ানো সন্তানের একমাত্র আশ্রয়স্থল থাকেন এই বাবা। বাবা এমন এক শব্দ, এমন এক সম্পর্ক যা কাছে থেকে উপলব্ধি করা কঠিন, একটু আড়াল হলেই বোঝা যায় বাবার মাঝে লুকিয়ে থাকা অদ্ভুত এক মায়াবি প্রকাশ।

বাবা মানেই এক অন্য মানব, যার কাঁধটা অন্য সবার চেয়ে একটু বেশিই চওড়া। আর তাই সংসারের সমস্ত বোঝা তিনি অবলীলায় বয়ে বেড়ান। বাবা সত্যিই অদ্ভুত, কারণ তার পা দুটো অন্য সবার চেয়ে একটু দ্রুতই চলে, তা না হলে কেমন করে এত বাঁধা বিপত্তি সত্বেও দ্রুত সামনে এগিয়ে চলেন তিনি?

বাবা মানেই পাগলামো মাখা মানবদেহ, কারণ পাগল না হলে, কি করে, খেয়ে, না খেয়ে, সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য দিন-রাত পরিশ্রম করেও হাসিমুখে ঘুরে বেড়ান?বাবা শত শত সাধারণের মাঝেও অসাধারণ হয়ে ওঠা মানবপিন্ড, যার শেষ মুহুর্তটুকু দিয়েও সন্তানকে ভালোবেসে যান অকাতরে। বাবারা সূর্য হন। নিজেদের সবসময় জ্বেলে রেখে, জ্বালিয়ে রেখে শত অন্ধকার থেকে আমাদের আগলে রাখেন। বাবারা আকাশ হন। যে আকাশের নিচে আমরা একটু একটু করে বড় হই, যে আকাশ আমাদের কাছে ভরসার একমাত্র জায়গা, যে আকাশকে দেখে আমরা লড়াই করতে শিখি।

সন্তান বাবার মর্মার্থ্য তখনই বেশি উপলব্ধি করেন যখন সে নিজে বাবা হন। তবু্ও বাবাদের আমরা ভুল বুঝি, আড়ালে বকা দেই, এড়িয়ে চলি। সব সহ্য করে বাবারা অভিনয়টা চালিয়ে যায়। এই হলো আমাদের অভিনেতা বাবা। বাবাদের কোনো চাহিদা নেই, তাদের পেশা যেটাই হোক না কেন তাদের কোনো স্বার্থ নেই। কারণ এটি রক্তের সাথে রক্তের টান। স্বার্থের অনেক উর্ধ্বে।