• শুক্রবার   ০৪ ডিসেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ২০ ১৪২৭

  • || ১৮ রবিউস সানি ১৪৪২

সর্বশেষ:
পাকিস্তানকে ক্ষমা করতে পারব না- রাষ্ট্রদূতকে প্রধানমন্ত্রী পাইপলাইনে সরাসরি ভারত থেকে জ্বালানি তেল পাবে বাংলাদেশ স্পেনকে আরো বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য অনুমতি ছাড়া সমাবেশ করতে চায় বিএনপি’ বাংলাদেশের ‘শান্তির সংস্কৃতি’ রেজুলেশন জাতিসংঘে গৃহীত

সবাইকে একত্রিত হয়ে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার আহ্বান জানিয়েছেন গুতেরেস 

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৪ অক্টোবর ২০২০  

জাতিসংঘ দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেস বাণী দিয়েছেন। এন্তোনিও গুতেরেস তার বানীতে বিশ্ব বিশাল চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি জানিয়ে সবাইকে একত্রিত হয়ে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার আহ্বান জানিয়েছেন। 

শনিবার (২৪ অক্টোবর) জাতিসংঘ দিবসে তার দেওয়া বানী হুবহু তুলে ধরা হলো-

প্রিয় বন্ধুগণ,

৭৫তম বার্ষিকীর জাতিসংঘ দিবসটি একটি বৈশ্বিক মহামারির মাঝখানে পড়েছে। আমাদের প্রতিষ্ঠাকালীন উদ্দেশ্য পূর্বের যে কোন সময়ের চেয়ে অধিক সংকটপূর্ণ। মানব মর্যাদাকে এগিয়ে নেয়া। মানবাধিকারকে রক্ষা করা। আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন এবং যুদ্ধ থেকে মানবতাকে রক্ষা করা। যখন মহামারি আঘাত হানে, আমি বিশ্বব্যাপী যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছিলাম।

আজ এই বিশ্বে আমাদের সকলের একই প্রতিপক্ষ হল কোভিড-১৯। বিশ্বব্যাপী যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে শান্তির জন্য জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের এখনই সঠিক সময়। সময় পার হয়ে যাচ্ছে। আমাদেরকে অবশ্যই আমাদের এই গ্রহে শান্তি স্থাপন করতে হবে। জলবায়ুর জরুরি অবস্থা নিজের জীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ।

কার্বন নিরপেক্ষতা অর্জন করতে আমাদের অবশ্যই সমগ্র পৃথিবীকে একত্রিত করতে হবে- ২০৫০ সালের মধ্যে গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে হবে। ক্রমবর্ধমান সংখ্যক দেশ ও কোম্পানীসমূহ ইতোমধ্যে এই লক্ষ্য পূরণের অঙ্গীকার করেছে।

পৃথিবীব্যাপী দারিদ্র্য, বৈষম্য, ক্ষুধা এবং বিদ্বেষ থেকে মানব দুর্ভোগ অবসানে এবং জাতি, ধর্ম, লিঙ্গ বা অন্য কোনও পার্থক্যের ভিত্তিতে বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য আমাদের আরও বেশি কিছু করতে হবে। মহামারির মাসগুলিতে নারী এবং নারীশিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা মারাত্মক বৃদ্ধি পেয়েছে।

আমাদের অবশ্যই উন্নতির ধারা বলিষ্ঠ করতে হবে। সবার জন্য নিরাপদ, সাশ্রয়ী এবং সহজলভ্য কোভিড-১৯ টিকার জন্য উল্লেখযোগ্য বৈশ্বিক সহযোগিতা চলমান আছে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাগুলো আমাদেরকে অধিক কার্যকররূপে ক্ষতি সামলে নেওয়ার অনুপ্রেরণামূলক দিকনির্দেশনা প্রদান করে।

আমরা বিশাল চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। বৈশ্বিক সংহতি ও সহযোগিতা দিয়ে আমরা এগুলি কাটিয়ে উঠতে পারি। এটাই জাতিসংঘের সকল কাজের লক্ষ্য।

প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর এই উদযাপনের দিনে আমি পৃথিবীর সকল প্রান্তের মানুষকে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানাই। জাতিসংঘ শুধুমাত্র আপনার পাশে দাঁড়িয়েছে তা নয়... জাতিসংঘ আপনার প্রতিষ্ঠান এবং আপনারাই জাতিসংঘ: ‘‘আমরা জনগণ।’’ চলুন, একসাথে আমরা জাতিসংঘ সনদের স্থায়ী মূল্যবোধকে তুলে ধরি।

আসুন আমরা দশকজুড়ে আমাদের অগ্রগতিকে গড়ে তুলি। সকলের জন্যে আরো ভালো বিশ্ব গড়ে তোলায় আসুন আমরা আমাদের মিলিত অভীষ্টকে উপলব্ধি করি।