• শুক্রবার   ০৪ ডিসেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ২০ ১৪২৭

  • || ১৮ রবিউস সানি ১৪৪২

সর্বশেষ:
পাকিস্তানকে ক্ষমা করতে পারব না- রাষ্ট্রদূতকে প্রধানমন্ত্রী পাইপলাইনে সরাসরি ভারত থেকে জ্বালানি তেল পাবে বাংলাদেশ স্পেনকে আরো বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য অনুমতি ছাড়া সমাবেশ করতে চায় বিএনপি’ বাংলাদেশের ‘শান্তির সংস্কৃতি’ রেজুলেশন জাতিসংঘে গৃহীত

সিন্ডিকেট ভাঙতে কাজ করছে সরকার: ওবায়দুল কাদের 

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৪ অক্টোবর ২০২০  

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘সিন্ডিকেটের কাছে হেরে যাওয়া, কথাটা ঠিক নয়। দ্রব্যমূল্যের ওঠানামার পেছনে সিন্ডিকেট আছে সরকার সে সিন্ডিকেট ভাঙতে কাজ করছে। আপনি প্রতিবেশী সব দেশের দিকে তাকান, এই করোনা পরিস্থিতিতে বাজারমূল্য, কোথাও আমদানি-রফতানিতে আগের পর্যায়ে কেউ নেই এবং এখানে উৎপাদনেরও একটা বিষয় আছে।’

তিনি বলেন, ‘পেঁয়াজ যদি আমাদের দেশে ঘাটতি থাকে, সেটা আমরা কাছের দেশ ভারত থেকে আনি। আমাদের সরকারের চেষ্টার ফলে ভারতীয় পেঁয়াজ আসতে শুরু করেছে। অন্যান্য জিনিসপত্রের দামও ওঠানামা করবে। এখন বর্ষা, এ সময়ে একটু দ্রব্যমূল্য বাড়ে, আবারও এগুলো ঠিক হয়ে আসে। এসব বিষয়গুলো নিয়ে আমাদের বাণিজ্যমন্ত্রী আপনাদেরকে তার বিফ্রিংয়ে বলে থাকেন। কাজেই এ নিয়ে আর মন্তব্য করতে চাই না।’

গতকাল শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘একটা কথা বলা হয়, এতদিন সব সাংগঠনিক কার্যক্রম বন্ধ ছিল। এ কথা ঠিক নয়। ৭ মাস ধরেই আমাদের রাজনৈতিক, সাংগঠনিক কার্যক্রম চালু ছিল। সারাদেশে বন্যা মোকাবিলা, ঘূর্ণিঝড় আম্ফান ও বৈশ্বিক মহামারি করোনা মোকাবিলায় আমাদের নেতাকর্মীরা সারাদেশে সক্রিয় ছিল। আওয়ামী লীগ কোথাও অনুপস্থিত ছিল না।’

কাদের বলেন, ‘আমাদের নেত্রী ধর্ষণ-নারী নির্যাতনের সঙ্গে যারাই জড়িত, কোনো অপরাধীকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড় দেননি। এখানে কোনোপ্রকার আপস করা হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘ব্রিটেনের মতো দেশে ৫৫ হাজার নারী ধর্ষিত, নির্যাতিত হয়েছে। করোনার জন্য সারাবিশ্বে পারিবারিক সহিংসতা বেড়ে গেছে। নারীরা বেশি শিকার হয়েছেন। সেখানে বাংলাদেশ ব্যতিক্রম নয়। আমাদের দেশের হিসেবে এক বছরে এক হাজার ধর্ষণ নির্যাতনের বিষয় আপনি আনতে পারেন। কিন্তু ব্রিটেনের মতো দেশে এই যে ৫৫ হাজার নারী নির্যাতিত হয়েছে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন সরকারের পদত্যাগ কেউ দাবি করেনি।’

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, মির্জা আজম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক আব্দুস সবুর, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-দফতর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ।