ব্রেকিং:
করোনাভাইরাস মোকাবিলায় এপ্রিল মাসে স্থলবন্দর দিয়ে কাউকে ঢুকতে দেয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডাক্তার অনুপস্থিতির দুর্দিন এলে প্রয়োজনে বিদেশ থেকে আনা হবে:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত খুনি আব্দুল মাজেদকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বপরিবারে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আবদুল মাজেদ গ্রেফতার
  • মঙ্গলবার   ০৭ এপ্রিল ২০২০ ||

  • চৈত্র ২৪ ১৪২৬

  • || ১৩ শা'বান ১৪৪১

সর্বশেষ:
করোনার পরীক্ষামূলক ওষুধ তৈরিতে আশার আলো দেখাচ্ছে বাংলাদেশ! বিশ্বব্যাপী মহামারির মধ্যেই আজ বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস করোনা পরিস্থিতি দেখে ভয় পেলে ভয় পেলে চলবে না, সতর্ক থাকতে হবে:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টেলিভিশনে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের পাঠদান শুরু আজ জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন
৪২

সুব্রত-মন্টুকে বাদ দিয়ে গণফোরামের নতুন কমিটি 

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৩ মার্চ ২০২০  

পাল্টাপাল্টি বহিষ্কারের ঘটনায় গণফোরামে সৃষ্ট ‘অচলাবস্থা’ কাটাতে ৪ মার্চ দলের কেন্দ্রীয় কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছিলেন দলটির সভাপতি ড. কামাল হোসেন। এক সপ্তাহ পর বৃহস্পতিবার দলটির ৭২ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

আহ্বায়ক কমিটি বলা হলেও কমিটির সভাপতি হিসেবে ড. কামাল হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ড. রেজা কিবরিয়ার নাম ঘোষণা করা হয়। তবে রেজা কিবরিয়া স্বাক্ষরিত এই কমিটিতে জায়গা হয়নি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, মোস্তফা মহসিন মন্টু ও অধ্যাপক আবু সাইয়িদসহ অনেক জ্যেষ্ঠ নেতার।

বিজ্ঞপ্তিতে ‘অনুমোদিত’ লিখে কামাল হোসেনের স্বাক্ষর রয়েছে। হঠাৎ কমিটি থেকে বাদ পড়া জ্যেষ্ঠ নেতারা সংক্ষুব্ধ। ফলে অচলাবস্থা নিরসনের বদলে দলটিতে অভ্যন্তরীণ সংকট আরও বাড়লো বলে মনে করছেন দলের নেতা-কর্মীরা।

উল্লেখ্য, সুব্রত চৌধুরী ও মন্টু দুজনই গণফোরামের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। কাউন্সিলের মাধ্যমে সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে বাদ পড়ার পর গত দুটি কমিটিতে সুব্রত চৌধুরী দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আর গত বছরের ২৯ এপ্রিল কাউন্সিলের পর সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে বাদ পড়েন মন্টু। এরপর মন্টুকে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রাখা হলেও তিনি দলীয় রাজনীতিতে পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় থাকেন। সর্বশেষ কাউন্সিলের পর গঠিত কমিটিতে অধ্যাপক আবু সাইয়িদকে নির্বাহী সভাপতি পদ দেওয়া হয়
ক্ষুব্ধ সুব্রত চৌধুরী ইত্তেফাককে বলেন, ‘কারা কমিটি ভাঙ্গে, কারা আহ্বায়ক কমিটি করে, কেন এসব করে- কিছুই জানি না। এসব গঠনতন্ত্র-পরিপন্থী। আমাদের কমিটি রয়েছে, ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে আমরা দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে চাই। মাঝখানে কারা কামাল হোসেনকে কুবুদ্ধি দিচ্ছে তা বের করতে হবে।’

আর ড. রেজা কিবরিয়ার দাবি, যারা দলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে সহযোগিতা করেননি তাদেরই কমিটি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। রেজা কিবরিয়ার ভাষ্য, কামাল হোসেনের চেম্বারে বসে গণফোরামের রাজনীতির দিন শেষ। এখন তৃণমূলে গিয়ে দলকে সংগঠিত করতে হবে।

মোস্তফা মহসিন মন্টুর প্রতিক্রিয়া, ‘দল প্রতিষ্ঠার ২৬ বছরে এরকম সমস্যা দেখিনি। আমরা চাই না গণফোরাম ভেঙ্গে যাক। আজকের এই পরিস্থিতি দলের জন্য খারাপ, এটা কামাল হোসেনের জন্য আরও বেশি খারাপ।’

ঘোষিত কমিটিতে সদস্য হিসেবে যাদের নাম রয়েছে তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- মোকাব্বির খান এমপি, অ্যাডভোকেট আ.ও.ম শফিক উল্লাহ, অ্যাডভোকেট আবদুল আজিজ, অ্যাডভোকেট মহসিন রশীদ, মোশতাক আহমেদ প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, এবছরের ফেব্রুয়ারিতে গণফোরামে অভ্যন্তরীণ কোন্দল দেখা দেয়। ঘটে পাল্টাপাল্টি বহিষ্কারের ঘটনা। সর্বশেষ গত ২ মার্চ গণফোরামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোশতাক আহমেদ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হেলাল উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক লতিফুল বারী হামিম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক খান সিদ্দিকুর রহমান এবং প্রবাসীকল্যাণ সম্পাদক আবদুল হাছিব চৌধুরীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। পরদিন এই বহিষ্কৃত চারজন দলটির সাধারণ সম্পাদক রেজা কিবরিয়া, সহসভাপতি মহসীন রশীদ ও শফিকউল্লাহ এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক আহমেদকে দল থেকে বহিষ্কার করেন। তবে কোনো বহিষ্কারের বিজ্ঞপ্তিতেই দলের সভাপতি ড. কামাল হোসেনের স্বাক্ষর ছিল না।

সংগঠন সংবাদ বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর