ব্রেকিং:
মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ উপহার হিসেবে প্রথম পর্যায়ে রংপুর বিভাগের আট জেলায় স্বপ্নের নীড় পেল ৯ হাজার ১৯৫টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার
  • শনিবার   ২৩ জানুয়ারি ২০২১ ||

  • মাঘ ১০ ১৪২৭

  • || ০৯ জমাদিউস সানি ১৪৪২

সর্বশেষ:
৭০ হাজার গৃহহীন পরিবারকে পাকা ঘর দিলেন প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশ গবেষণার ফসল- প্রধানমন্ত্রী আ.লীগের শেকড় অনেক গভীরে প্রোথিত- প্রধানমন্ত্রী ২ কোটি ৩৬ লাখ মানুষকে টেলিমেডিসিন সেবা দিয়েছে সরকার আর্থিক লেনদেনে অনিয়ম ও হয়রানি রোধে চালু হবে আইডিটিপি

সেই ফাতেমা পেলেন ভাতার কার্ড, পাবেন দুর্যোগসহনীয় ঘর

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১২ জানুয়ারি ২০২১  

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার সেই অসহায় ফাতেমার বাড়ি পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক আবু জাফর ও কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রবিউল হাসান। সোমবার (১১ জানুয়ারি) বিকেলে তারা ফাতেমার বাড়ি পরিদর্শন করেন।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসময় অসহায় এই নারীর হাতে ভাতার একটি কার্ড, কম্বল, শুকনো খাবার এবং পরিবেশ ও মানবাধিকার বিষয়ক আইন সহায়তা সংস্থা এনভায়রনমেন্ট অ্যাওয়ার অ্যান্ড হিউম্যানিটি সোসাইটির (ইয়াস) পক্ষ থেকে একটি খাট, লেপ, তোশক, ফাতেমা বেগমের মেয়েদের জন্য দুইটি থ্রি পিস জামা তুলে দেয়া হয়। অসহায় ফাতেমা বেগমকে (খ) তালিকায় দুর্যোগসহনীয় একটি ঘর করে দেয়ার আশ্বাস দেন জেলা প্রশাসক আবু জাফর।

এসময় অন্যদের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ফেরদৌস আহমেদ, এনভায়রনমেন্ট অ্যাওয়ার অ্যান্ড হিউম্যানিটি সোসাইটির (ইয়াস) জেলা পরিদর্শক আরিফুজ্জামান এবং দলগ্রাম ইউনিয়নের ফ্যামিলি প্ল্যানিং ইন্সপেক্টর মো. মুর্শিদ হক উপস্থিত ছিলেন।

উপহারসামগ্রী পেয়ে অনেকটা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিন মেয়েকে নিয়ে অসহায় জীবনযাপন করা ফাতেমা বেগম। তিন বলেন, ‘ডিসি স্যার, ইউএনও স্যার, পিআইও স্যার মোর খবর নিতে আসছিল। মোক অনেক কিছু দিল। ডিসি স্যার মোক ঘর দেয়ার আশ্বাস দিছে।’

ঘর পাওয়ার কথা শুনে চোখের কোনায় পানি আসে ফাতেমার। জেলা প্রশাসক, ইউএনও, পিআইও এবং ইয়াস নামে একটি সংস্থার এমন মহানুভবতা দেখে তিনি খুশি হয়েছেন ও আনন্দিত।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রবিউল হাসান বলেন, ‘ভাতার কার্ড করার সময় আমাদের অগোচরে হয়তো কারো নাম বাদ পড়ে যায়। আমরা সবসময় চেষ্টা করি প্রকৃত ভাতা পাওয়ার মতো যোগ্যরা যেন ভাতার আওতায় আসেন। আমরা অসহায় ফাতেমার বিষয়টি পত্র-পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পেরে তার অবস্থা বিবেচনা করে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে দ্রুত উপজেলা সমাজসেবা অফিসের মাধ্যমে তার ভাতার কার্ডের ব্যবস্থা করে দিয়েছি।’

লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক আবু জাফর বলেন, ‘জরাজীর্ণ একটি টিনের চালায় অতিকষ্টে জীবনযাপন ও ফাতেমার অসহায়ত্বের কথা বিবেচনা করে ভাতার কার্ড, শুকনো খাবার, শীতবস্ত্র ও ইয়াস নামের একটি সংস্থা থেকে আসবাবপত্র দেয়া হয়েছে। ফাতেমার বসবাসের জন্য ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থা মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি দুর্যোগসহনীয় ঘর দেয়া হবে।’

প্রসঙ্গত, লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার ৪ নম্বর দলগ্রাম ইউনিয়নের দক্ষিণ দলগ্রাম (হাজীপাড়া) এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত সামছুল হকের স্ত্রী ফাতেমা বেগম (৩৭)। স্বামীর মৃত্যুর পর তিন মেয়েকে নিয়ে ভাঙা টিনের চালায় অসহায় জীবনযাপন করেন তিনি।