ব্রেকিং:
গত ২৪ ঘন্টায় দেশে নতুন করে ২ হাজার ৯৭৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে এবং মৃত্যু হয়েছে আরও ৩৯ জনের
  • শুক্রবার   ০৭ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ২২ ১৪২৭

  • || ১৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

সর্বশেষ:
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৭৯তম প্রয়াণ দিবস আজ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৭৯তম প্রয়াণ দিবস আজ ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে মাঠে গড়াতে পারে দেশের ঘরোয়া লিগের জনপ্রিয় আসর বিপিএল কাজে ফিরেছে দিনাজপুরের মধ্যপাড়া পাথরখনির শ্রমিকরা ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সাংসদ রমেশ চন্দ্র করোনায় আক্রান্ত শেখ হাসিনার দূরদর্শিতায় বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাস ভুল প্রমাণিত হয়েছে: কাদের
৪১৪

সেবা খাতে রফতানি আয় বেড়েছে

নীলফামারি বার্তা

প্রকাশিত: ২২ নভেম্বর ২০১৮  

দেশে সেবা খাতে রফতানি আয় বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) প্রথম তিন মাসে বিভিন্ন ধরনের সেবা রফতানি করে প্রায় ১৪০ কোটি মার্কিন ডলার আয় করেছে। এটি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৫৫ দশমিক ৫২ শতাংশ বেশি।

গেল অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে আয় হয়েছিল ৯০ কোটি ৬৩ লাখ ডলার। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

এতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন ধরনের সেবা খাতে এই অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে রফতানির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১২৫ ডলার। এ থেকে আয় হয়েছে ১৪০ কোটি ৯৪ কোটি ডলার। সে হিসাবে লক্ষ্যমাত্রা থেকে ১২ দশমিক ৭৬ শতাংশ বেশি আয় হয়েছে।

ইপিবির তথ্য বলছে, পরিবহন খাতে চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১৮ কোটি ২৫ লাখ ডলার। আর এ থেকে আয় হয় ১৯ কোটি এক লাখ ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে এক দশমিক ৩ শতাংশ আয় বেশি।

একই সময় নির্মাণ সেবা খাতে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ৩ কোটি ৮৭ লাখ ডলার। যার বিপরীতে আয় হয় ৯ কোটি ২৬ লাখ ডলার। এতে আয় বেশি হয় ১৩৪ দশমিক ৯৭ শতাংশ।

টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি সেবা খাতে অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ১৩ কোটি ২০ লাখ ডলার। আয় হয় ১৪ কোটি ৯২ লাখ ডলার। আয় বেশি হয় ১৩ দশমিক ২ শতাংশ।

এছাড়া বিভিন্ন ব্যবসা খাতে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২০ কোটি ৭৫ লাখ ডলার। এর বিপরীতে আয় হয় ২৪ কোটি ৭০ লাখ ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৯ দশমিক ৬ শতাংশ আয় বেশি হয়।

অন্যদিকে ভ্রমণ সেবা খাত থেকে অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ১০ কোটি ৬২ লাখ ডলার। এতে আয় হয় ৮ কোটি ১৬ লাখ ডলার। আয় কম হয় ২৩ দশমিক ২১ শতাংশ।

উন্নয়ন বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর