ব্রেকিং:
বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ই-পাসপোর্ট বিতরণ কর্মসূচির উদ্বেধন করলেন প্রধানমন্ত্রী। ভারতে বিতর্কিত সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) বাতিল করার জন্য করা ১৪৪টি মামলার শুনানি চলছে দেশটির সুপ্রিমকোর্টে।

বুধবার   ২২ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ৯ ১৪২৬   ২৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

৫২

সোলাইমানি হত্যাকাণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করেছিলো ইসরায়েল

প্রকাশিত: ১২ জানুয়ারি ২০২০  

ইরানের বিখ্যাত ইসলামী রেভ্যুলিউশনারি গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) কুদস ফোর্সের প্রধান মেজর জেনারেল কাসেম সোলাইমানি হত্যাকাণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করেছিলো ইসরায়েলি গোয়েন্দা বাহিনী। সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম সমূহের প্রতিবেদনে সে কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
সংবাদমাধ্যম এনবিসি জানিয়েছে, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ সোলাইমানি সম্পর্কে যে তথ্য পেয়েছিল তা নিশ্চিত করেছিল ইসরায়েলি গোয়েন্দারা।

আরেক সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা সম্পর্কে আগে থেকেই মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর সঙ্গে ওয়াশিংটনের কোনো মিত্রের যদি কথা হয়ে থাকে, তবে তিনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী।

গত ৩ জানুয়ারি মধ্যরাতে জেনারেল সোলাইমানিকে হত্যা করে মার্কিন সামরিক বাহিনী। ইরাকের বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বেরোতেই তার গাড়িবহরে ড্রোন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে মার্কিন সামরিক বাহিনী সোলেইমানিকে হত্যা করে।

তেহরান থেকে দামেস্ক গিয়ে, সেখান থেকে বৈরুত এবং বৈরুত থেকে দামেস্ক হয়ে বাগদাদে আসছিলেন সোলাইমানি।

সোলাইমানি কোন সময় কোন জায়গা থেকে কীভাবে কোথায় যাচ্ছেন সেই তথ্য মূলত দিয়েছিলো ইসরায়েল। তার ওপর ভিত্তি করেই নিখুঁতভাবে হামলা চালাতে সক্ষম হয় যুক্তরাষ্ট্র।

জানা গেছে, ওই গাড়িতে চারটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়।

এ হামলায় আরো প্রাণ হারান ইরাকে ইরানের সমর্থিত সশস্ত্র সংগঠন হাশদ আশ-শাবির নেতা আবু মাহদি আল মুহান্দিসও।

ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, সোলাইমানিকে কখন হত্যার জন্য হামলা চালানো হবে, সে ব্যাপারে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামেন নেতানিয়াহু'কে জানিয়েছিলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও।

হামলার দু'দিন আগে অর্থাৎ ১ জানুয়ারি পম্পেও ফোন করে নেতানিয়াহুকে ধন্যবাদ জানান। জানা গেছে, ইরাকে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে হামলার ঘটনায় ইরানকে মোক্ষম জবাব দেওয়ার ব্যাপারে ইসরায়েল পাশে থাকার জন্যই নেতানিয়াহুকে ধন্যবাদ দেন পম্পেও।

অন্যদিকে গ্রিসের রাজধানী অ্যাথেন্স ছেড়ে যাওয়ার আগেই তিনি বলেছিলেন, মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের পরিবর্তন হতে যাচ্ছে। সোলাইমানি হত্যার আভাসই তিনি সেই কথার মাধ্যমে দিয়েছেন বলে গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –
এই বিভাগের আরো খবর