বৃহস্পতিবার   ২১ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৬ ১৪২৬   ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

সর্বশেষ:
৩৯তম বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে ৪ হাজার ৪৪৩ জনকে স্বাস্থ্য ক্যাডারে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি সারাদেশে পরিবহন ধর্মঘট, ভোগান্তিতে জনগণ কবি বেগম সুফিয়া কামালের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যা বিষয়ক জাদুঘর স্থাপনে সহায়তা করবে রাশিয়া গুজবে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে: কাদের কাভার্ডভ্যান মালিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চালের দাম বাড়ানোর চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা: খাদ্যমন্ত্রী চার দিনের সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঐতিহাসিক টেস্ট থেকে আঙুলের চোটের কারণে ছিটকে গেলেন সাইফ
৩৪৩

হেঁটে জুমার নামাজে যাওয়ার সওয়াব

প্রকাশিত: ১৪ নভেম্বর ২০১৮  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

জুমার নামাজে হেঁটে উপস্থিত হওয়া মুসল্লির জন্য উত্তম ও ফজিলতপূর্ণ। কারণ, হেঁটে জুমায় যাওয়া রাসুল (সা.)-এর সুন্নত। অবশ্য মসজিদ যদি বেশি দূরে হয়, তখন কষ্ট করে হেঁটে যাওয়ার দরকার নেই। হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল (ফরজ) অথবা (সাধারণ) গোসল করলো, তাড়াতাড়ি মসজিদে গেলো অথবা যাওয়ার চেষ্টা করলো, যাওয়ার পথে কোনো কিছুতে আরোহন না করে হেঁটে গেলো, ইমামের কাছে ঘেঁষে বসলো, কোনো প্রকার অহেতুক কথাবার্তা না বলে মনোযোগের সঙ্গে খুতবা শোনে ও নামাজ আদায় করে, তাহলে তার প্রতিটি কদমের (পদক্ষেপ) বিনিময়ে এক বছর রোজা ও নামাজের সওয়াব দেওয়া হবে। (তিরমিজি, হাদিস নম্বর: ৪৫৬) অন্যান্য সাহাবায়ে কেরামের মতো রাসুল (সা.)-এর প্রিয় সাহাবি আবদুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা (রা.) মসজিদে হেঁটে আসতেন, তবে ফিরে যাওয়ার সময় কখনো হেঁটে যেতেন, আবার কখনো আরোহন করে যেতেন। (ইবনে আবি শায়বা)। ওমর ইবনে আবদুল আজিজ (রহ.) তার গভর্নরদের কাছে লিখে পাঠিয়ে ছিলেন যে, কেউ যেন আরোহিত হয়ে জুমায় না আসেন। (ইবনে সায়াদের বরাতে ‘ফাতহুল বারি লিল হাফিজ ইবনে রজব আল-হাম্বলি)

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –