রোববার   ১৭ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২ ১৪২৬   ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

সর্বশেষ:
এই মুহূর্তে পেঁয়াজ আমদানিতে কোনো আমদানি শুল্ক দিতে হবে না, অর্থসহ যেকোনো ধরণের সহায়তা দিতে প্রস্তুত সরকার - অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল গাইবান্ধায় আগুন দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করা গৃহবধুর ঢামেকে মৃত্যু রাবি শিক্ষার্থীকে মারধরের প্রতিবাদে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ বিদেশ থেকে শ্রমিকরা লাশ হয়ে ফিরুক চায় না সরকার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ নেপালে ৪ দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে শুক্রবার সন্ধ্যায় দেশে ফিরেছেন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সেচ্ছাসেবক লীগের জাতীয় সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
১৯

১৩টি আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে সংস্কারের অপেক্ষায়

প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর ২০১৯  

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে বন্যার্তদের জন্য রয়েছে ১৩টি আশ্রয়কেন্দ্র। এর মধ্যে ১০টি গুচ্ছ গ্রাম ও তিনটি বন্যা শেল্টার রয়েছে। তবে দীর্ঘদিন থেকে এসব আশ্রয়কেন্দ্র সংস্কার, পুনঃনির্মাণ, মাটি ভরাট, পরিচর্যার অভাব ও বসবাস না করায় ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এছাড়া গুচ্ছ গ্রামগুলো এখন প্রভাবশালীদের দখলে রয়েছে।

উপজেলার তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, চন্ডিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউপির উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে তিস্তা নদী। নদীটি এখন একাধিক শাখা ও নালায় রূপ নিয়েছে। ফলে ভাঙনের তীব্রতা দিন দিন বেড়েই চলছে। পানির গতিপথ একমুখী না হওয়ায় চরাঞ্চলে বসবাসকারী পরিবারগুলো প্রতিনিয়ত ভাঙনের শিকার হচ্ছে। সেই সঙ্গে ভাঙনের কবলে পড়ে নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি, জমি ও বিভিন্ন স্থাপনা।  

চলতি বছরের বন্যায় চরাঞ্চলের আশ্রয়ণকেন্দ্র ও গুচ্ছ গ্রামগুলোর ভেতরে তিন থেকে চার ফুট পর্যন্ত পানি ঢুকে। এতে বন্যার সময় আশ্রয় নিতে পারেনি বানভাসিরা।

কাপাসিয়া ইউপির রফিকুল ইসলাম জানান, আশ্রয়ণ প্রকল্প শুধু নামে রয়েছে, কাজে নেই। কেন্দ্রের কক্ষগুলো ব্যবহারের অযোগ্য। তাছাড়া বেশিভাগ আশ্রয়কেন্দ্রের কক্ষগুলো তালাবদ্ধ। চরের কিছু সংখ্যক অসাধু ব্যক্তি জোরপূর্বক ঘর বরাদ্দ নিয়ে তালাবদ্ধ করে রেখে অন্যত্র বসবাস করে। বন্যার সময় ত্রাণ নিতে ঘরে এসে বসবাস শুরু করে। দীর্ঘদিন ঘরগুলো ব্যবহার না করায় দিন দিন ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

হরিপুর ইউপি চেয়ারম্যান নাফিউল ইসলাম জিমি জানান, ইউপিতে এনজিও সংস্থার নির্মিত একটি আশ্রয়কেন্দ্র ২০১৫ সালের বন্যার স্রোতে ভেঙে গেছে। কিন্তু আজও সেটি সংস্কার করা হয়নি। এছাড়া সরকারিভাবে নির্মিত আশ্রয়ণকেন্দ্রগুলো সংস্কার না করায় দিন দিন ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ছে। প্রয়োজনের তুলনায় আশ্রয়ণকেন্দ্রের সংখ্যা অনেক কম বলে জানান তিনি।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নুরুন্নবী সরকার জানান, আগের নির্মাণ করা সব আশ্রয়ণকেন্দ্র দিন দিন ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। উপজেলার ছয়টি ইউপিতে কমপক্ষে ১৮টি মজিব কেল্লা নির্মাণের প্রয়োজন। তাই মজিব কেল্লা নির্মাণের জন্য চাহিদা পাঠানো হয়েছে।

সুন্দরগঞ্জের ইউএনও মো. সোলেমান আলী জানান, উপজেলার বিভিন্ন চরাঞ্চলে আধুনিক প্রযুক্তির আশ্রয়ণ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য চাহিদা পাঠানো হয়েছে।

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –