ব্রেকিং:
কুড়িগ্রামে জেএমবি কর্তৃক ধর্মান্তরিত মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলী হত্যা মামলার সাক্ষ্য গ্রহন অনুষ্ঠিত দিনাজপুরে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় বেকারী মালিক সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন সৈয়দপুরে তিন দিনব্যাপী জাতীয় লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য ও প্রযুক্তি মেলার শুরু সৈয়দপুর বিমানবন্দরে জোরপূর্বক প্রবেশের চেষ্টাকালে তিন যুবক গ্রেফতার সালমান শাহ পারিবারিক কলহে আত্মহত্যা করেছেন : পিবিআই

মঙ্গলবার   ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০   ফাল্গুন ১৩ ১৪২৬   ০১ রজব ১৪৪১

সর্বশেষ:
পিলখানা বিদ্রোহ আর হত্যাযজ্ঞের ১১ বছর আজ ডিজিএফআইয়ের নতুন ডিজি মেজর জেনারেল সাইফুল আলম লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় সালাম না দেয়ায় সরকারি এক কর্মকর্তাকে পিটিয়ে আহত করেছেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বিশ্বজয়ী আকবর আলী ও জাতীয় টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়ন হৃদয়কে সম্মানী ভাতা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন রসিক মেয়র সীমান্তে চোরাচালান রোধে বিজিবিকে সজাগ থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
৯৬

২০২৩ সালের মধ্যেই সকল প্রাইমারি স্কুলে দেওয়া হবে দুপুরের খাবার

নীলফামারি বার্তা

প্রকাশিত: ২০ আগস্ট ২০১৯  

২০২৩ সালের মধ্যে দেশের সব প্রাইমারি স্কুলে শিশুদের দুপুরের খাবার দেয়া হবে। বর্তমানে দেশের ১০৪টি উপজেলায় শুকনো রান্না করা খাবার দেয়া হচ্ছে। এর বদলে শুধু শুকনো খাবার দেয়ার প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে সরকার। প্রতিটি শিশুর জন্য দুপুরের খাবার বাবদ বরাদ্দ ধরা হয়েছে ২০ থেকে ২২ টাকা। সংক্রান্তজাতীয় স্কুল মিল নীতি-২০১৯অনুমোদনের জন্য আজ মন্ত্রীসভার বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠেয় মন্ত্রীসভার বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে আরও রয়েছে চাঁদপুর বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ আইন, বাংলাদেশ প্রকৌশল গবেষণা কাউন্সিল আইনসহ বেশকিছু অবহিতকরণ প্রস্তাব। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।

জাতীয় স্কুল মিল নীতি-২০১৯প্রসঙ্গে প্রাথমিক গণশিক্ষা সচিব আকরাম-আল-হোসেন বলেন, বর্তমানে দেশের ১০৪টি উপজেলার কিছু স্কুলে পরীক্ষামূলকভাবে রান্না শুকনো খাবার দেয়া হচ্ছে। এসব স্কুলে শিক্ষার্থীর ভর্তি শতভাগ নিশ্চিত হয়েছে। উপস্থিতির হার আগের তুলনায় -১৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

যেসব স্কুলে রান্না করা খাবার দেয়া হচ্ছে সেখানে উপস্থিতির হার বেড়েছে ১১ শতাংশ আর শুকনো খাবার (বিস্কুট) দেয়া স্কুলগুলোতে বেড়েছে শতাংশ। শিক্ষার্থীদের রক্তস্বল্পতার হার কমেছে যথাক্রমে ১৬ দশমিক দশমিক শতাংশ। এসব স্কুলের শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হারও কমেছে দশমিক শতাংশ। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, সরকারের চলতি মেয়াদেই দেশের সব প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের দুপুরের খাবার দেয়া হবে।

নানা জটিলতায় সেখানে শুকনো খাবার (ডিম, কলা উন্নতমানের বিস্কুট) দেয়ার চিন্তা করা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে সরকারের নীতিনির্ধারকরা যে সিদ্ধান্ত নেবে তাই বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্পের ব্যয় কিভাবে নির্বাহ করা হবে- জানতে চাইলে সচিব বলেন, রান্না করা খাবারের কথা বলা হয়েছে প্রস্তাবিত নীতিতে। এতে প্রতি বছর ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় হাজার কোটি টাকা। বর্তমানে ফান্ড দিচ্ছে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) তবে আগামীতে প্রকল্প সরকারের টাকায় বাস্তবায়ন করা হবে। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে সংক্রান্ত ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রপোজাল (ডিপিপি) চূড়ান্ত করা হবে। এতে রান্না করা শুকনো খাবার দুটো প্রস্তাবই থাকবে। সরকারের ঊর্ধ্বতন মহল যেটি পছন্দ করবে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। একটি শিশুর জন্য প্রতিদিন ২০-২২ টাকা বরাদ্দ ধরে ডিপিপি তৈরি হচ্ছে।

প্রস্তাবিত নীতিতে বলা হয়েছে- প্রাক-প্রাথমিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গমনোপযোগী দেশের সব শিশুকে স্বল্পতম সময়ের মধ্যে পর্যায়ক্রমে স্কুল মিল নীতির আওতায় আনা হবে।

তাদের শিক্ষা, পুষ্টি, স্বাস্থ্য সামাজিক নিরাপত্তায় যথার্থ আবদান রাখা যাবে। কার্যক্রম শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধিসহ গ্রাম শহর, ধনী গরিবের মধ্যে ব্যবধান কমিয়ে শিক্ষার মানের ব্যবধান কমাতে সাহায্য করবে।

শিক্ষার্থীদের মেধার উৎকর্ষ সাধন, চিন্তা কল্পনা শক্তির বিকাশ, সৃজনশীলতা এবং দক্ষ যোগ্য মানবসম্পদে পরিণত হতে ভূমিকা রাখবে। এটি কার্যকর হলে প্রাথমিক স্তরের সব শিক্ষার্থীদের স্কুলে ভর্তি, উপস্থিতির হার বৃদ্ধি, পাঠে মনোনিবেশ বিদ্যালয় ধরে রাখতে অবদান রাখবে।

শিশুদের পুষ্টির বিষয়ে এতে আরও বলা হয়েছে- থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় শক্তির চাহিদার ন্যূনতম ৩০ শতাংশ স্কুল মিল থেকে আসা নিশ্চিত করা হবে। বিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে দিন রান্না করা খাবার এবং একদিন উচ্চপুষ্টিমান সম্পন্ন বিস্কুট সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।

এই বিভাগের আরো খবর