• শনিবার   ১০ ডিসেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ২৫ ১৪২৯

  • || ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

সর্বশেষ:
তারা বুদ্ধিজীবী না, বুদ্ধিপ্রতিবন্ধীজীবী- প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রার প্রশংসায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন ঘূর্ণিঝড় ‘মানদৌস’ নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করতে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে: নৌপ্রতিমন্ত্রী শামসুল আলমের প্রতি ভারতীয় হাই কমিশনারের শ্রদ্ধা

মুজিববর্ষ উপলক্ষে নতুন ঘর পাচ্ছে চট্টগ্রামের ১৩৭৪ গৃহহীন পরিবার 

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২০  

মুজিববর্ষে নতুন ঘর পাচ্ছে চট্টগ্রামের এক হাজার ৩৭৪টি গৃহহীন পরিবার। জেলার আট উপজেলায় যাদের জমি এবং ঘর নেই- স্থানীয় প্রশাসনের তত্বাবধানে তাদেরকে এসব ঘর দেওয়া হবে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গুচ্ছগ্রাম (দ্বিতীয় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া, পটিয়া, চন্দনাইশ, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, বাঁশখালী এবং ফটিকছড়িতে ১ হাজার ৩৭৪টি গৃহহীন পরিবারকে নতুন ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হবে।

এর মধ্যে রাঙ্গুনিয়ায় ৬৫টি, পটিয়ায় ৫০২টি, চন্দনাইশে পাঁচটি, সাতকানিয়ায় ১৩৪টি, লোহাগাড়ায় ১৮টি, বাঁশখালীতে ২৫টি এবং ফটিকছড়িতে ৬০০টি গৃহহীন পরিবার ২ শতাংশ খাস জমির বন্দোবস্তসহ দুই কক্ষ বিশিষ্ট সেমিপাকার এসব নতুন ঘর পাবেন।

প্রথমপর্যায়ে এক হাজার ৩৭৪টি গৃহহীন পরিবারের মধ্যে ২৩৮টি পরিবারকে আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে ২ শতাংশ  জমি বন্দোবস্তসহ নতুন ঘর বুঝিয়ে দেওয়া হবে। বাকিরা পর্যায়ক্রমে সরকারি খাস জমি বন্দোবস্ত ও নতুন সেমিপাকা ঘর পাবেন।

এইসময়ে নতুন ঘর পাওয়াদের মধ্যে রাঙ্গুনিয়ার ১০টি, পটিয়ার ৬০টি, চন্দনাইশের ৫টি, সাতকানিয়ার ২৫টি, লোহাগাড়ার ১৮টি, বাঁশখালীর ২৫টি এবং ফটিকছড়ির ৭০টি গৃহহীন পরিবার রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ইতোমধ্যে ২৩৮টি পরিবারকে নতুন ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) অনুকূলে ৪০ কোটি ৬ লাখ ৯৮ হাজার টাকা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ঘর নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে এক লাখ ৭১ হাজার টাকা।

ইটের দেওয়াল, কংক্রিটের মেঝে এবং টিনের ছাউনি দিয়ে তৈরি এসব সেমিপাকা ঘরে দুইটি শয়নকক্ষ, একটি খোলা বারান্দা, একটি রান্না ঘর এবং একটি শৌচাগার থাকবে।

চট্টগ্রামের আট উপজেলার মধ্যে মুজিববর্ষের উপহার হিসেবে সবচেয়ে বেশি ঘর পাচ্ছেন ফটিকছড়ি উপজেলার গৃহহীন মানুষেরা। এই উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সায়েদুল আরেফীন জানান, সরকারি নির্দেশনা পেয়ে ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষের জন্য নতুন ঘর নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। তিনি বলেন, উপজেলার যেসব সরকারি খাস জমিতে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য ঘর নির্মাণ করা হবে, সেসব জমি ঘর নির্মাণের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে ফটিকছড়ি উপজেলার গৃহহীনদের জন্য ঘর নির্মাণ কাজ শুরু হবে। সরকার নির্দেশিত সময়েই ঘর নির্মাণ করে গৃহহীনদের বুঝিয়ে দেওয়া হবে।

চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এসএম জাকারিয়া জানান, মুজিববর্ষের উপহার হিসেবে সরকার ক ক্যাটাগরিতে যারা ভূমিহীন ও গৃহহীন তাদের এবং খ ক্যাটাগরিতে যাদের ভূমি আছে কিন্তু গৃহ নেই তাদের নতুন ঘর তৈরি করার উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি বলেন, ক ক্যাটাগরির অন্তর্ভূক্ত ভূমিহীন এবং গৃহহীন চট্টগ্রামের ১ হাজার ৩৭৪টি পরিবারের তালিকা আমরা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছিলাম। এর মধ্যে প্রথম পর্যায়ে ২৩৮টি পরিবারকে জমি ও ঘর নির্মাণ করে দিতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বাকিদের পর্যায়ক্রমে জমি বন্দোবস্তসহ ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হবে।