• মঙ্গলবার   ০৪ অক্টোবর ২০২২ ||

  • আশ্বিন ১৮ ১৪২৯

  • || ০৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

সর্বশেষ:
মুজিববর্ষে সরকারি ঘর পেয়েছে প্রায় ২ লাখ পরিবার: প্রধানমন্ত্রী আগামী প্রজন্মের জন্য পরিকল্পিত নগরায়ণের বিকল্প নেই: রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ অঞ্চলের ৫০ লাখ ভিডিও সরিয়েছে টিকটক: টেলিযোগাযোগমন্ত্রী করতোয়ায় দেশের বৃহত্তম ওয়াই ব্রিজ হবে: রেলমন্ত্রী সুজন বিএনপি সুযোগ পেলে আবার নির্যাতন চালাবে: তোফায়েল আহমেদ

দুই বছর পর ঠাকুরগাঁওয়ে ১০ দিনব্যাপী বৃক্ষমেলার আয়োজন

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০২২  

দুই বছর পর ঠাকুরগাঁওয়ে ১০ দিনব্যাপী বৃক্ষমেলার আয়োজন               
করোনার কারণে দুই বছর পর ঠাকুরগাঁওয়ে ১০ দিনব্যাপী বৃক্ষমেলার আয়োজন করা হয়েছে। জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে অংশ নিয়ে বৃক্ষমেলাকে প্রাণবন্ত করেছেন নার্সারির মালিকরা। গত ৪ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া এ বৃক্ষমেলা শেষ হবে ১৪ আগস্ট। 

জেলার পৌরশহরের কালিবাড়ি পাবলিক ক্লাব মাঠে এই বৃক্ষমেলার আয়োজন করেছে জেলা প্রশাসন ও  বন বিভাগ। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা চলছে। মেলায় প্রবেশে কোনো টিকিট লাগছে না। দুই বছর পর মেলা হওয়ায় অনেকটাই উচ্ছ্বসিত নার্সারি মালিক ও গাছপ্রেমী দর্শনার্থীরা। 

বৃক্ষমেলায় আসা দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আলভি বলেন, গাছ আমার খুব ভালো লাগে। এমনিতে সব নার্সারিতে যাওয়া হয় না। তাই বৃক্ষমেলায় এসে খুব ভালো লাগছে। অনেক নার্সারির সঙ্গে পরিচিত লাভ করা যাচ্ছে। আর গাছ অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আমার বাসায় অনেকগুলো গাছ রয়েছে। প্রথম গাছ সুন্দর ও সবুজময়। আমাদের সকলের গাছ লাগানো উচিত বলে আমি মনে করি। 

বৃক্ষমেলা থেকে গাছ ক্রয় করার পর মুঞ্জিরা মুবিন বলেন, বৃক্ষমেলা মানেই ভালো লাগার একটা জায়গা। সে থেকেই বৃক্ষমেলায় আসা। গাছ কিনি আর গাছকে অনেক ভালোবাসি। গাছ আমার অনেক পছন্দের একটা জিনিস। এ রকম মেলার জন্য দুই বছর ধরে অপেক্ষা করে ছিলাম। মেলা হওয়ায় আমি অনেক খুশি। সকলের মেলায় আসা উচিত। গাছ পৃথিবীকে সবুজ করে পাশাপাশি মনটাকেও সবুজ করে। আজকে মেলায় আমি ১৫টি গাছ কিনলাম। আমার অনেক ভালো লাগছে। 

আরেক দর্শনার্থী অ্যাডভোকেট জাহিদ ইকবাল বলেন, যেহেতু দুই বছর পর এই বৃক্ষমেলা হচ্ছে, আমার মনে হয় প্রচার প্রচারণাটা আরও বাড়ানো দরকার। প্রতিটি স্কুল-কলেজের সামনে একটি করে ব্যানার টাঙিয়ে দেওয়া উচিত যে ১০ দিনব্যাপী বৃক্ষমেলা চলছে। অভিভাবকদের বর্তমান প্রেক্ষাপটে বৃক্ষমেলায় এসে শিশুদের গাছের সঙ্গে পরিচয় করে দেওয়া উচিত। যখন শিশুটি জানতে পারবে এটি এই ফুলের গাছ, ওটি ফলের গাছ, তখন গাছের প্রতি ভালোবাসাটা বৃদ্ধি পাবে। তখন সে গাছ লাগাতে শিখবে। শিশুরা যেমন বাবা-মায়ের কাছে চকলেট আর খাবারের বায়না ধরে, তখন সে গাছ কেনার বায়না ধরবে। এ রকম কাজ করে গাছকে ভালোবাসার একটা বীজ বপন করা দরকার আমাদের। 

মেলায় স্টল নেওয়া খাজা নার্সারির মালিক বলেন, দুই বছর পর মেলায় স্টল নিয়েছি। অনেকে দেখছেন আবার কিনছেন। সব খরচ বাড়ার সঙ্গে গাছের কিছুটা দাম বেড়েছে। আরও কয়েকদিন আছে মেলার, বেচাকেনা বাড়বে বলে আশা করছি। 

আরেক নার্সারির মালিক মোস্তাক আহমেদ বলেন, এর আগে মেলায় যে হারে মানুষ আসত, এবার অনেক কম। বিক্রিও অনেক কম হচ্ছে। তবে আরও কয়েকদিন রয়েছে মেলার। আশা করছি দর্শনার্থী ও ক্রেতা বাড়বে। 

বনবিভাগ ঠাকুরগাঁওয়ের সহকারী বন সংরক্ষক সোহেল রানা বলেন, এখানে জেলার বিভিন্ন নার্সারির মালিক স্টল নিয়েছেন। মেলার সমাপনীর দিনে আমরা সেরা তিনটি স্টল নির্বাচিত করে পুরস্কৃত করব।