• বৃহস্পতিবার   ০৮ ডিসেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ২৪ ১৪২৯

  • || ১৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

সর্বশেষ:
সাংস্কৃতিকভাবে মেধাবীদের মেধা বিকাশের কাজ করছে সরকার গাইবান্ধার চরে যাতায়াতে একমাত্র ভরসা ঘোড়ার গাড়ি নীলফামারীতে দেরিতে স্কুলে আসায় ৮ শিক্ষককে শোকজ জলঢাকায় নবাগত এসিল্যান্ডের যোগদান খানসামায় আনসার ও ভিডিপি সমাবেশ অনুষ্ঠিত

মেলেনি বাবার মরদেহ, করতোয়ার পাড়ে দিন কাটছে ছেলের

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২  

বাবা সরেন্দ্র নাথ বর্মণের মরদেহ খুঁজে পেতে করতোয়ার পাড়ে রাত-দিন পার করছেন তার ছেলে তপন চন্দ্র বর্মণ। পঞ্চগড়ে নৌকাডুবির ঘটনার ছয়দিন অতিবাহিত হলেও খোঁজ মেলেনি তার বাবার। কোথায় কোনো মরদেহের খবর পেলে ছুটে যান সেখানে কিন্তু তবুও বাবার খোঁজ মিলে না।

তপন চন্দ্র বর্মণ জানান, অনেক মানুষের প্রাণ গেলো, মরদেহ পাওয়া গেল। আমার আত্মীয়-স্বজনসহ আমার পরিবারের মানুষ নিখোঁজ ছিল। এক এক করে পাঁচজনের মরদেহ পেলাম। এখন পর্যন্ত আমার বাবাকেই পেলাম না। ছয়দিন ভোরে উঠে যেখানেই মরদেহ উদ্ধারের খোঁজ পাচ্ছি। সেখানে দেখি আমার বাবা নাই। পঞ্চগড় থেকে দিনাজপুরের খানসামা পর্যন্ত নদী এলাকায় খোঁজ করেছি। কিন্তু আমার বাবাকে কোথাও পাইনি।

তিনি বলেন, বাবাকে জীবিত পাওয়া আর আশা নেই। ছয়দিন পর সঠিকভাবে মরদেহ পাওয়ারও আশা নাই। কিন্তু আমি যে তার ছেলে। বাবার কোনো কিছু পেলেই আমরা সৎকার করবো।

তপনের বাবা সরেন্দ্র নাথ বর্মণসহ এখনও তিনজনের খোঁজ পাওয়া যায়নি। নিখোঁজ বাকি দুইজন হলেন- পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ শালডাঙ্গা ইউনিয়নের হাতিডুবা শিকারপুর গ্রামের মদনের ছেলে ভূপেন (৪০) ও একই উপজেলার ঘাটিয়ার পাড়া গ্রামের ধীরেন্দ্র নাথের শিশুকন্যা জয়া রানী (৪)।

এদিকে দুর্ঘটনার ছয়দিনে উদ্ধার কাজ অব্যাহত রেখেছেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। শুক্রবারও সকাল সাড়ে ৫টা থেকে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের ১২ ইউনিট এবং ১২ জনের ডুবুরি দল উদ্ধার কাজ করছেন। তবে কোনো মরদেহ উদ্ধার করা যায়নি।

এ ব্যাপারে পঞ্চগড় ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক শেখ মো. মাহবুবুল ইসলাম বলেন, ৭০ জন উদ্ধারকর্মী পঞ্চগড় থেকে দিনাজপুরের খানসামা পর্যন্ত করতোয়া নদী বিভিন্ন এলাকায় উদ্ধার কাজ করছে। একজন নিখোঁজ থাকলেও উদ্ধার কাজ চলবে।