• শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ৭ ১৪৩১

  • || ১৩ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

গাইবান্ধায় গ্যাস সিলিন্ডারে চলছে অটোরিকশা, ঘটতে পারে দুর্ঘটনা

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৩১ মে ২০২৩  

 
গাইবান্ধায় আইন না মেনে বাসা বাড়িতে ব্যবহৃত এলপি গ্যাস সিলিন্ডার দিয়ে চালানো হচ্ছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা। চালকদের দাবি, বোতলে গ্যাস ভরার জন্য বগুড়ায় যাতায়াত করতে হয়রানি ও অতিরিক্ত চাঁদা দিতে হয়। এজন্য বাধ্য হয়ে গাড়িতে ঝুঁকিপূর্ণ এলপি গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করছেন তারা।

জানা গেছে, জেলা শহর থেকে গোবিন্দগঞ্জের নাকাইহাট, সাঘাটা, ফুলছড়ি, সুন্দরগঞ্জ, সাদুল্যাপুর ও পলাশবাড়ী সড়কে প্রতিদিন কয়েক শতাধিক সিএনজি চলাচল করে। একটি অটোরিকশার পেছনের সিটে তিনজন ও সামনে চালকের সঙ্গে দুজন যাত্রী নিয়ে ঝুঁকির মধ্যে চলাচল করছে এসব অটোরিকশা। পাশাপাশি আইনের তোয়াক্কা না করে ঝুঁকি নিয়ে বাসা-বাড়িতে ব্যবহৃত এলপি গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করে চলছে এসব অটোরিকশা।

এ ধরনের সিলিন্ডার ঝাঁকুনি ছাড়া সুরক্ষিত স্থানে রাখার নিয়ম থাকলেও গাড়িতে প্রতিনিয়ত ঝাঁকুনির ফলে যেকোনো মুহূর্তে বিস্ফোরণ হয়ে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

গাইবান্ধা জেলা শহর থেকে প্রতিদিন বিভিন্ন উপজেলা সড়কে ৭০০- ৮০০ অটোরিকশা চলাচল করে। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন এলাকায় রয়েছে হাজারের অধিক সিএনজি অটোরিকশা।

অটোরিকশা চালকরা জানান, সিএনজি গ্যাসের বোতল ভরানোর জন্য যেতে হয় পার্শ্ববর্তী জেলা বগুড়ায় আর সেখানে  যাতায়াত করতে নানা হয়রানির পাশাপাশি নামে বেনামে বিভিন্ন সংগঠনকে গাড়ি প্রতি ২০০-৩০০ টাকা চাঁদা দিতে হয়। সম্প্রতি জেলা শহরে সিএনজি ফিলিং স্টেশন হলেও ওজনে কম দেওয়া ও মিটার ব্যবস্থা নেই। বাধ্য হয়ে ক্ষতির বিষয়টি জেনেও এলপি গ্যাস সিলিন্ডার দিয়েই গাড়ি চালানো হচ্ছে।

এ বিষয়ে বিআরটিএ গাইবান্ধা সার্কেলের সহকারী পরিচালক মো. রবিউল ইসলাম জানান, বাসা-বাড়িতে ব্যবহৃত এলপি গ্যাস সিলিন্ডার দিয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালানো আইনত অপরাধ। যাত্রীদের এসব ঝুঁকিপূর্ণ গাড়ি পরিহার করা উচিত। যারা এ ধরনের কাজ করছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।