• শুক্রবার   ২২ অক্টোবর ২০২১ ||

  • কার্তিক ৬ ১৪২৮

  • || ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

সর্বশেষ:
পূর্বাচলে বঙ্গবন্ধু এক্সিবিশন সেন্টার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী একই দিনে উদ্‌যাপিত হলো তিন ধর্মের উৎসব চীন থেকে এলো আরো ৫৫ লাখ সি‌নোফা‌র্মের টিকা শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশে সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের ছাড় দেওয়া হবে না ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারী যেই হোক ব্যবস্থা নেয়া হবে’

‘বিএনপি জিয়াকে মুক্তিযোদ্ধা বললেও মনে তা ধারণ করে না’

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১  

বাণিজ্যমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা টিপু মুনশি বলেছেন, শেখ হাসিনার সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের কষ্ট লাঘবে সম্মানি ২০ হাজার টাকা করে দিয়েছে। এটা নিয়ে তো মুক্তিযোদ্ধার দল দাবিদার বিএনপি কোনো কথা বলেনি। তারা মুখে তাদের নেতাকে মুক্তিযোদ্ধা দাবি করলেও মনে তা ধারণ করে না।

শনিবার দুপুরে রংপুর টাউন হল মিলনায়তনে মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতি কথা সম্বলিত ‘স্মৃতিতে রণাঙ্গন’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিএনপি মুক্তিযুদ্ধবিরোধী দল। তারা মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে কথা বলে না। বিএনপি তাদের নেতা জিয়াউর রহমানকে মুখে মুক্তিযোদ্ধা বললেও মনে তা ধারণ করে না বলেই তারা মুনাফিক। তারা ঢালাওভাবে শুধু সরকারের বাজেটের বিরোধিতা করে।

একাত্তরের সম্মুখযুদ্ধে পরাজিতরা বাংলাকে পাকিস্তান করার স্বপ্নে বিভোর হয়ে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছেন দাবি করে টিপু মুনশি বলেন, ১৫ আগস্টের পর জয়বাংলার পরিবর্তে বাংলাদেশ জিন্দাবাদ স্লোগানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ওপর আঘাত করলেন স্বাধীনতা বিরোধীরা। যে স্লোগান দিয়ে আমরা মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধ করলাম। ১৫ আগস্ট মুহূর্তের মধ্যেই সেই জয়বাংলা স্লোগান হয়ে গেল বাংলাদেশ জিন্দাবাদ। এটা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ওপর করা প্রথম আঘাত।  

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে পাকিস্তান প্রীতিকে জাগিয়ে রেখে বাংলাদেশকে ২১ বছর পেছনে ফেলে রাখা হয়েছিল। কিন্তু সেই বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার হাত ধরেই বাংলাদেশ উন্নয়নে বিশ্বের মডেল। পাকিস্তান এখন বাংলাদেশের চেয়ে সব সূচকে পেছনে পড়ে গেছে। আমাদের রিজার্ভ যখন ৪৮ বিলিয়ন ডলার, তখন পাকিস্তানে তার অর্ধেক। প্রতিটা ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখন পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে।

মুক্তিযুদ্ধের প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের স্মৃতিচারণ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, একজন মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে একেকটি ইতিহাসের সাক্ষীর মৃত্যু ঘটছে। তাই স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস পরবর্তী প্রজন্মকে জানাতে হবে। বঙ্গবন্ধুর লেখা কারাগারের রোজনামচা, অসমাপ্ত আত্মজীবনীসহ তাকে নিয়ে লেখা যত বই আছে নতুন প্রজন্মসহ সবাইকে তা পড়তে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।