• রোববার   ২৯ মে ২০২২ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৫ ১৪২৯

  • || ২৬ শাওয়াল ১৪৪৩

সর্বশেষ:
বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রশংসা পর্তুগালের মরণোত্তর ‘দ্যাগ হ্যামারশোল্ড’ পেলেন দুই বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী দেশে ভেনামি চিংড়ি চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের শিল্পনগরী ও অর্থনৈতিক অঞ্চল হচ্ছে দিনাজপুর: হুইপ ইকবালুর রহিম আরও সময় নিয়ে বৈঠকের প্রস্তুতি নিতে চায় দুই ঢাকা-দিল্লি

সারের জন্য ৩০ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে: কৃষিমন্ত্রী

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৪ মে ২০২২  

আগামী অর্থবছরে সার বাবদ ৩০ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। শনিবার দুপুরে রাজধানীর রমনা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বাংলাদেশ কৃষি ফার্ম শ্রমিক ফেডারেশনের ৭ম জাতীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, এই বাংলাদেশে মানুষকে সারের জন্য জীবন দিতে হয়েছে। কৃষকরা সার ভিক্ষা চাইতে যায়নি। সারের জন্য ৯৫ /৯৬ সালে ১৮ জন কৃষককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। কৃষক সার পেত না। সারের জন্য প্রতিদিন কৃষক ডিলারের দোকানে বসে থাকতো। বিএনপি আমলে তিন হাজার টাকার টিএসপি সার কালোবাজারে পাঁচ হাজারে বিক্রি হতো। আমরা ১৪ দল ক্ষমতায় এসে ৯০ টাকার ডিএফপি সার ২৫ টাকা করি। টিএসপি সারের দাম ৮২ টাকা থেকে ২২ টাকা করি। ৬০ টাকার পটাশিয়াম সার ১৫ টাকা করেছি।

বর্তমান সরকার কৃষি এবং পল্লী বান্ধব উল্লেখ করে তিনি বলেন, পটাশিয়াম সারের দাম প্রতি টন ৩০০ ডলার ছিল, ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ এবং করোনা মহামারীর কারণে গত মাসে সেই সারের দাম এক হাজার ২০০ ডলার হয়েছে। আমরা সাত থেকে আট হাজার কোটি টাকা সারের দাম কমানোর জন্য ভর্তুকি দিতাম। এই (আসন্ন) অর্থ বছরে সারের দাম কমানোর জন্য ৩০ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে।  

বিএনপির আমলে উন্নয়ন বাজেট ছিল ২১ হাজার কোটি টাকা। ২০০৯ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে উন্নয়ন বাজেট ছিল ২৩ হাজার কোটি টাকা। আর আমরা ৩০ হাজার কোটি টাকা কৃষককে সারের জন্য ভর্তুকি দিচ্ছি, যোগ করেন আব্দুর রাজ্জাক।   

কৃষিমন্ত্রী আএরা বলেন, প্রতিদিন অর্থমন্ত্রী-অর্থসচিব আমাকে বলছেন, ড. রাজ্জাক কীভাবে আমরা দেশ চালাব, দেশের উন্নয়ন কীভাবে হবে? দেশে রাস্তাঘাট বানাব না, কলকারখানা স্কুল কলেজ করব না, শুধু কৃষি খাতে এত ভর্তুকি কোথা থেকে দেব? এত রাজস্ব কি আমরা পাই? 

‘আমি তখন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বললে, প্রধানমন্ত্রী আমাকে বলেন, ওদের বলতে দাও, যতদিন পারি কৃষককে দেই আমরা। এই ভর্তুকির টাকা সকল কৃষক পায়। গ্রামের মানুষের কাছে এই ত্রিশ হাজার কোটি টাকা যায়।’  

সম্মেলনের উদ্বোধন করেন ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় সভাপতি এবং রাশেদ খান মেনন এমপি।  

সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কৃষি ফার্ম শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ।