• বুধবার   ১০ আগস্ট ২০২২ ||

  • শ্রাবণ ২৬ ১৪২৯

  • || ১১ মুহররম ১৪৪৪

সর্বশেষ:
কম খরচে মাছের ভাসমান খাদ্য তৈরির যন্ত্র উদ্ভাবন শেকৃবি গবেষকের জনবিচ্ছিন্নদের ৭ দলীয় জোট রাজনীতিতে গুরুত্বহীন: তথ্যমন্ত্রী রংপুরে বাল্যবিয়ে ও নারী নির্যাতন বন্ধে শপথ নিলেন ২৫০ রিকশাচালক দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আবারো মনোনয়ন বাণিজ্যে তারেক বঙ্গবন্ধুকে সম্মানসূচক মরণোত্তর ডি-লিট ডিগ্রি দেবে ঢাবি

‘পদ্মাসেতু দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতির লাইফ লাইন হিসেবে কাজ করবে’

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৫ জুন ২০২২  

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, বাঙালি জাতির জীবনে আজকে একটি গৌরবোজ্জ্বল দিন। আমরা জাতি হিসেবে আজকে আত্মমর্যাদা, আত্মবিশ্বাস এবং আত্মনির্ভরতার একটা পরিচয় সারাবিশ্বে দিতে পেরেছি। এই পদ্মাসেতু বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতির লাইফ লাইন হিসেবে কাজ করবে।

তিনি বলেন, স্ব-অর্থায়নে সর্ববৃহৎ একটি অবকাঠামো এ পদ্মাসেতু। আমাদের প্রাণের সেতু এটি। দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার সঙ্গে সারাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জায়গায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

শনিবার পদ্মাসেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

স্পিকার বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। কেননা প্রধানমন্ত্রী দৃঢ়তা, অদম্য সাহস, সততা এবং দেশের মানুষের প্রতি তার অঢেল ভালোবাসার কারণে এই পদ্মাসেতু নির্মাণ সম্ভব হয়েছে। এই সেতু শুধু ইট-পাথরে গাঁথা একটি সেতু নয়। এটা আমাদের গৌরবের সেতু। ভালোবাসা এবং অহংকারের সেতু।

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, যিনি বাঙালির অধিকার প্রতিষ্ঠায় আজীবন আপসহীন সংগ্রাম করে গেছেন, কিন্তু কখনও মাথা নত করেননি। সে জিনিসটিই আমরা পুনর্বার দেখেছি। তার কন্যা বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা শত বাধা অতিক্রম করে এবং অনেক চাপ থাকার পরেও তার কাছে কখনও নতি স্বীকার না করে অবিচল থেকে তার লক্ষ্যে স্থির থেকে বাঙালি জাতি ও জনগণকে উপহার দিয়েছেন পদ্মাসেতু।

স্পিকার বলেন, আওয়ামী লীগের যে মূল দর্শন যেটা আমরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কাছ থেকে শিখেছি, সেটা হচ্ছে দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো এবং এদেশের মানুষের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির জন্যই জাতির পিতা সারাজীবন সংগ্রাম করেছেন। রাজনৈতিক মুক্তি অর্জিত হলেও অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। কাজেই সে অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনের পদ্মাসেতু তো অবশ্যই একটা অনেক বড় ও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে এবং দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের মানুষের বাণিজ্য, আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপট প্রতিটি ক্ষেত্রেই এই সেতু অবদান রাখবে।