• বুধবার   ৩০ নভেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৬ ১৪২৯

  • || ০৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

সর্বশেষ:
ক্ষমতায়ন ছাড়া সমাজে নারীর অবস্থান উন্নত হবে না: প্রধানমন্ত্রী অপপ্রচারকারীদের কনস্যুলার সেবা দেবে না কানাডার বাংলাদেশ মিশন ‘দেশের ফুটবল দলকে বিশ্বকাপের উপযোগী করতে কাজ চলছে’ ট্রেনের ধাক্কায় ইউএনও অফিসের নৈশপ্রহরীর মৃত্যু ‘পলিথিন প্রস্তুতকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে’

জিনপিংকে শুভেচ্ছা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর চিঠি

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২ অক্টোবর ২০২২  

জিনপিংকে শুভেচ্ছা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর চিঠি                      
চীনের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল শনিবার (১ অক্টোবর) আলাদা চিঠিতে তারা চীনের সরকার ও জনগণকে এ শুভেচ্ছা জানান। ঢাকায় চীনের দূতাবাস থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

আলাদাভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াংকে এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইকেও শুভেচ্ছাপত্র দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ তার চিঠিতে বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধার নীতির ওপর ভিত্তি করে অসাধারণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে পথ চলছে বাংলাদেশ ও চীন। বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমাদের সম্পর্কের অবিশ্বাস্য উন্নতি হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, দু’দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও দৃঢ় ও গভীর হবে বলে তিনি আত্মবিশ্বাসী।

দেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে চীনের প্রেসিডেন্ট, সরকার ও বন্ধুবৎসল জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও চীন অসাধারণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে রয়েছে। আমাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের অন্যতম শীর্ষ অংশীদার চীন। আমাদের সম্পর্ক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে, বিশেষ করে বিগত এক দশকে।

২০১৬ সালে শি জিনপিংয়ের বাংলাদেশ সফরের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেসময় আমরা নিজেদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে কৌগলগত অংশীদারত্বে সম্প্রসারিত করার বিষয়ে মতৈক্যে পৌঁছেছিলাম। কৌশলগত অংশীদারত্বের সম্ভাবনা উপলব্ধি করতে আরও সহযোগিতার ক্ষেত্র উন্মোচনের এটাই সেরা সময়।

২০১৯ সালে নিজের চীন সফর ও সেখানে প্রেসিডেন্ট জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের কথা স্মরণ করে শেখ হাসিনা বলেন, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি, নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করছে বাংলাদেশ ও চীন। বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমাদের দুই দেশের সরকার ও জনগণের মধ্যে সম্পর্ক সামনের দিনগুলোতে আরও গভীর হবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।