• বৃহস্পতিবার   ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ২৬ ১৪২৯

  • || ১৬ রজব ১৪৪৪

সর্বশেষ:
এইচএসসিতে: পাসের হার ৮৫.৯৫, জিপিএ-ফাইভ ১৭৬২৮২ নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী চীন: রাষ্ট্রদূত দল ও দেশের জন্য নিবেদিত ছিলেন মোছলেম উদ্দিন: প্রধানমন্ত্রী নীলফামারীতে সেচের আওতায় আসছে ১ লাখ হেক্টর জমি ৮ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল কিনবে সরকার

‘করোনার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে স্বাস্থ্যখাতে মানোন্নয়ন করা হবে’

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৩০ নভেম্বর ২০২২  

করোনা মোকাবিলার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে স্বাস্থ্যখাতের মানোন্নয়ন করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। 

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ও চিকিৎসকসহ সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ করোনা যুদ্ধে জয়লাভ করেছি। সে সময় সবাই সবার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেছে।

মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে কোভিড-১৯ মোকাবিলায় সম্মুখ যোদ্ধাদের সম্মানে রোডম্যাপ টু রেসিলিয়েন্স অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

জাহিদ মালিক বলেন, করোনাকালে আমরা কেন আগাম প্রস্তুতি নিইনি। সেটা নিয়ে অনেকে প্রশ্ন করেছেন, সমালোচনা করেছেন। অথচ এটা সম্পূর্ণ নতুন ছিল, এর বিষয়ে আমরা কিছু জানি না। আগাম প্রস্তুতি কী করে নেব? করোনাকালে আমরা হাসপাতাল তৈরিতেও বাধা পেয়েছি। ভয়ে অনেক এলাকার লোকজন হাসপাতাল তৈরি করতে দিতে চায়নি। সরকারির পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা চালুর চেষ্টা করেছি। ভয় পেয়ে অনেকেই তখন চিকিৎসা দিয়ে রাজি ছিল না। কিন্তু সবশেষে সবাই এগিয়ে এসেছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা ভেবেছিলাম করোনা আমাদের দেশে আসবে না। কিন্তু ২০২০ সালের মার্চ মাসে আমাদের দেশে প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। মৃত্যুর ঘটনাও একই মাসে ঘটেছে। আমরা মুক্তিযুদ্ধ অংশ নিতে পারিনি। কিন্তু আমরা করোনাকেই একটা যুদ্ধ হিসেবে নিয়েছি। এটাকে দেশের জন্য কিছু করার সুযোগ হিসেবে নিয়েছি। অনেকে আপনজন হারিয়েছি। আমাদের সব থেকে আশার দিক ছিল, চিকিৎসক নার্স টেকনোলজিস্ট কেউ পিছ পা না হওয়া। সবাই তার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেছে। আমরা সকলে মিলে এই যুদ্ধে অংশ নিয়েছি।  

তিনি বলেন, আমরা শূন্য হতে করোনা মোকাবিলার কাজ শুরু করেছি। অল্প সময়ের মধ্যে করোনা চিকিৎসায় আমরা ২০ হাজার আলাদা বেড তৈরি করেছি, সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইন স্থাপন করেছি। আমাদের মাত্র একটা ল্যাব ছিল, আর এখন পর্যায়ক্রমে সরকারি-বেসরকারি মিলে ৮০০ এর অধিক ল্যাব আছে। আমরা জনগণের জন্য ভ্যাকসিন নিশ্চিত করেছি। আমরা ফ্রন্টলাইনারদের আগে দিয়েছি, এরপর বয়স বিবেচনায় দিয়েছি। পর্যায়ক্রমে সকলকে ভ্যাকসিনের আওতায় এনেছি। আমাদের মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা নৌকা দিয়ে, হেঁটে, পাহাড় চড়ে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছি। আমরা একদিনে ১ কোটি ২০ লাখ টিকা দিয়েছি৷ ফলে আমরা ভালো আছি।

জাহিদ মালেক বলেন, আমরা দেশের স্বাস্থ্যখাতে অবকাঠামো, সেবা ও শিক্ষার মানোন্নয়ন করতে চাই। স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নের মাধ্যমে সুনাম অর্জন করতে চাই। যেমনটা আমরা কোভিড মোকাবিলায় সারাবিশ্বে অর্জন করেছি।