• বৃহস্পতিবার   ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ২৬ ১৪২৯

  • || ১৬ রজব ১৪৪৪

সর্বশেষ:
এইচএসসিতে: পাসের হার ৮৫.৯৫, জিপিএ-ফাইভ ১৭৬২৮২ নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী চীন: রাষ্ট্রদূত দল ও দেশের জন্য নিবেদিত ছিলেন মোছলেম উদ্দিন: প্রধানমন্ত্রী নীলফামারীতে সেচের আওতায় আসছে ১ লাখ হেক্টর জমি ৮ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল কিনবে সরকার

প্রাথমিকে চালু হচ্ছে নতুন শিখন পদ্ধতি: গণশিক্ষা সচিব

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৩০ নভেম্বর ২০২২  

প্রাথমিকে চালু হচ্ছে নতুন শিখন পদ্ধতি: গণশিক্ষা সচিব                    
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব ফরিদ আহমেদ বলেছেন, কোভিড-১৯ মহামারি পরিস্থিতির কারণে শিক্ষা খাতের ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে প্রাথমিক শিক্ষায় নতুন শিখন পদ্ধতি চালু করা হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীরা খেলার ছলে শিখতে পারবে। এটি সরাসরি এবং ভার্চুয়ালি শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অভিজ্ঞ করে তোলা হবে।

বুধবার রাজধানীর পিটিআই ভবনে আয়োজিত কোভিড-১৯ স্কুল সেক্টর রেসপন্স (সিএসএসআর) প্রকল্পে শিখন ঘাটতি পূরণে প্রিন্টিং বইয়ের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

গণশিক্ষা সচিব বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে সারা বিশ্বের মতো আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায়ও স্থবিরতা সৃষ্টি হয়। সংশ্লিষ্ট সবার প্রচেষ্টায় শিক্ষা ব্যবস্থা সচল রাখার চেষ্টা চালানো হয়। এই প্রচেষ্টার মাধ্যমে অনলাইনে শিক্ষকদের পাঠদানে অভিজ্ঞতা তৈরি হয়েছে। অভিজ্ঞ শিক্ষকদের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে নতুন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। নতুনভাবে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে আরো পারদর্শী করে তোলা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, সিএসএসআর প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা ভার্চুয়াল কনটেন্ট ও প্রিন্টেড সহায়ক বই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেবো। প্রথমে সুবিধাবঞ্চিত এলাকার (হাওর-বাওর ও উপকূলীয় অঞ্চল) দেড় লাখ শিক্ষার্থীর মাঝে এসব বই বিতরণ করা হবে। এসব বইয়ের মধ্যে বিভিন্ন খেলা ও আনন্দদায়ক পাঠ যুক্ত করা হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীরা খেলার ছলে শিখতে পারবে। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে তেমনভাবে তৈরি করা হয়েছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে করোনাকালে পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীরা তাদের ঘাটতি পূরণ করতে পারবে।

ফরিদ আহমেদ বলেন, এবার করোনার মধ্য দিয়ে আমরা অনলাইনে পাঠদানে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। শিক্ষকদের এমনভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে যেন তারা পরবর্তী সময়ে যে কোনো বিপর্যয় মোকাবিলা করে পাঠদান অব্যাহত রাখতে সক্ষম হন। আমাদের সহায়ক পাঠ্য বইগুলোও সেভাবেই তৈরি করা হচ্ছে।

সচিব বলেন, ২০২৩ সাল থেকে প্রাক-প্রাথমিক দুই বছর করা হবে। শিক্ষার্থীদের ওপর বইয়ের বোঝা থাকবে না। আনন্দের সঙ্গে শিখনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে প্রাক-প্রাথমিক স্তরকে সমন্বয় করতে এ প্রকল্পের কনটেন্টগুলো সহায়ক হবে। বাচ্চারা স্কুলে এসে খেলার ছলে শিখবে। সেই আলোকেই শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন- বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি কেইকো ইনোই, ইউনিসেফের প্রতিনিধি দীপা শংকর, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক (প্রশিক্ষণ) অধ্যাপক ড. প্রবীর কুমার, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পিইডিপি-৪) দীলিপ কুমার বণিক, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (রাজস্ব) সৈয়দ মামুনুল আলম, প্রকল্প পরিচালক ড. নুরুল আমিন প্রমুখ।