• বৃহস্পতিবার   ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ১৯ ১৪২৯

  • || ০৯ রজব ১৪৪৪

সর্বশেষ:
ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়াতে মুসলিমদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সংখ্যালঘু বলতে কোনো শব্দ নেই, আমরা সবাই বাঙালি: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আইএমএফের ঋণই প্রমাণ করে দেশের অর্থনীতির ভিত্তি মজবুত: অর্থমন্ত্রী করোনা মহামারির মধ্যেও বাংলাদেশের অর্থনীতি ৩.৮% প্রসারিত হয়েছে শিক্ষা নিয়ে ব্যবসা করার মানসিকতা পরিহার করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

যুক্তরাষ্ট্রের রোহিঙ্গা নেওয়া শুরু

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১০ ডিসেম্বর ২০২২  

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে প্রথম ধাপে ২৪ জন যুক্তরাষ্ট্রের পথে রয়েছেন। এমিরেটস এয়ারলাইনসের ইকে ৫৮৫ ফ্লাইটে গতকাল রাত ১টায় ঢাকা থেকে রওয়া দিয়ে দুবাই হয়ে আজ তাদের যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএমের তত্ত্বাবধানে এই দলটি যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ৬২ রোহিঙ্গাকে পাইলটিং ভিত্তিতে তৃতীয় দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়ের কাজ চলছে। এরই মধ্যে প্রথম ২৪ জন প্রথমে পৌঁছাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্র। 

এদিকে ঢাকা সফর শেষে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের প্রতিমন্ত্রী জুলিয়েটা ভলস নয়েস এক বিবৃতিতে বলেছেন, এ সপ্তাহে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের জীবনে মিয়ানমার কর্তৃক সংঘটিত সহিংসতার প্রভাব অনুধাবনের জন্য আমি বাংলাদেশি কর্মকর্তা, অন্যান্য বাংলাদেশি, রোহিঙ্গা শরণার্থী ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের অংশীদারদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সুযোগ পেয়েছি। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহায়তার জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারিত্বের বিষয়টিকে যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে। 

আমেরিকার জনগণ ২০১৭ সাল থেকে মিয়ানমার, বাংলাদেশ ও এ অঞ্চলের অন্যত্র রোহিঙ্গা ও তাদের আশ্রয়দানকারী জনগোষ্ঠী তথা ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর জন্য মানবিক সহায়তা হিসেবে ১.৯ বিলিয়ন ডলার প্রদান করেছে। জুলিয়েটা ভলস নয়েস বলেন, বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে অংশীদারিত্ব এবং রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য আমাদের ব্যাপক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র সরকার জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার ও পুনর্বাসন সহায়তাদানকারী অন্যান্য দেশের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে সবচেয়ে নাজুক রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য একটি পুনর্বাসন কার্যক্রম হাতে নিতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত। 

তিনি বলেন, নিজ জনসমাজে শরণার্থীদের উদারভাবে স্বাগত জানানোর জন্য এবং আমাদের কাছে যেটা স্পষ্ট- অর্থাৎ এই শরণার্থীদের জন্য দেশে ফিরে যাওয়া এখনো নিরাপদ নয় সেটা অনুধাবনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের জনগণকে সাধুবাদ জানায়। শরণার্থী ও তাদের আশ্রয়দানকারী বাংলাদেশিদের চাহিদা পূরণে আমরা বাংলাদেশের পাশে আছি, কারণ সব মানুষেরই নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে বেঁচে থাকার অধিকার আছে।