• বৃহস্পতিবার ২৫ এপ্রিল ২০২৪ ||

  • বৈশাখ ১১ ১৪৩১

  • || ১৫ শাওয়াল ১৪৪৫

সর্বশেষ:
যুদ্ধের অর্থ জলবায়ু পরিবর্তনে ব্যয় হলে বিশ্ব রক্ষা পেত- প্রধানমন্ত্রী দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনের রেকর্ড মেডিকেল কলেজের ক্লাস অনলাইনে নেয়ার নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ‘গণতান্ত্রিক রীতিনীতি না মানলে জনগণই বিএনপিকে প্রতিহত করবে’ লালমনিরহাটে হত্যা মামলায় বিএনপির দুই নেতা কারাগারে

‘মুক্তিযোদ্ধারা আগামী নির্বাচনেও শেখ হাসিনার পক্ষে ঝাঁপিয়ে পড়বে’

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১৮ মার্চ ২০২৩  

বাংলাদেশের স্বার্থে, এদেশের মানুষের স্বার্থে বীর মুক্তিযোদ্ধারা আগামী নির্বাচনেও শেখ হাসিনার পক্ষে ঝাঁপিয়ে পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু।

শনিবার (১৮ মার্চ) মহানগর নাট্যমঞ্চে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন আয়োজিত 'বীর মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা-২০২৩' এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগে উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমির হোসেন আমু বলেন, "শেখ হাসিনা বেঁচে আছেন বলে আজ ১৮ কোটি মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা আছে। তিনি বেঁচে আছেন বলেই করোনাকালে সারা বিশ্ব যখন হুমকিতে পড়েছিল, বাংলাদেশ তখন মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। বিনা পয়সায় তিনি এদেশের কোটি কোটি মানুষকে ভ্যাকসিন দিতে সক্ষম হয়েছিলেন। অর্থনৈতিক মন্দা যখন সারা বিশ্বকে গ্রাস করে ফেলেছে তখনও বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে দৃঢ় পায়ে দাঁড়িয়ে আছে। আজকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে সারা বিশ্ব যখন হুমকিতে পড়েছে তখনও তিনি বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন। এই কাজগুলোর জন্য মহান রাব্বুল আলামিন তাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। তাই আমি মনে করি, দেশের মানুষের স্বার্থই শেখ হাসিনার স্বার্থ। সেজন্য এ দেশের ১৮ কোটি মানুষের স্বার্থে আগামী নির্বাচনেও শেখ হাসিনার বিজয় ত্বরান্বিত করতে এদেশের মুক্তিযোদ্ধারা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের মতোই ঝাঁপিয়ে পড়বে।"

হঠাৎ করে নয় বরং বঙ্গবন্ধুর দীর্ঘ সাধনা, পরিকল্পনা ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে উল্লেখ করে আমির হোসেন আমু বলেন, "হঠাৎ করে স্বাধীনতা আসেনি। হঠাৎ করে রাষ্ট্র পাননি। হঠাৎ করে ভারতের সাহায্য আসেনি। আমরা যখন ভারত গিয়েছিলাম- আমাদের থাকা, খাওয়া, আমাদের ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা, সবকিছু আমরা রেডিমেট পেয়েছিলাম। তার কারণ, আগে থাকতেই ওটা বঙ্গবন্ধু ব্যবস্থা করেছিলেন। আমাদের মুজিব বাহিনীর মূল নেতা ছিলেন শেখ মুজিব। তিনি এগুলো আগে থেকেই বন্দোবস্ত করেছিলেন। যার জন্য প্রত্যেকটি জায়গায় আমাদের ক্যাম্প ছিল, আমরা সবকিছু পেয়েছিলাম। আমাদের বিজয় অর্জিত হয়েছে।"

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস আবেগাপ্লুত কণ্ঠে মুক্তিযোদ্ধাদের সান্নিধ্যকে নিজের প্রয়াত পিতা শেখ ফজলুল হক মণির সান্নিধ্য পাওয়ার সাথে তুলনা করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম, এ্যাড কামরুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদ মান্নাফী, সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির, ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য কাজী মনিরুল ইসলাম মনু, ঢাকা-১০ আসনের সংসদ সদস্য শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য জিন্নাতুল বাকিয়া, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন হেলাল প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

উল্লেখ যে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন এলাকায় বসবাসকারী ১ হাজার ২৪৬ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদেরকে এই সংবর্ধনা দেওয়া হয়।