• বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ৬ ১৪৩১

  • || ১২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের প্রশ্নে কখনো আপস নয়-পানিসম্পদ উপমন্ত্রী

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২০ মার্চ ২০২৩  

 
পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম বলেছেন, বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধুর প্রশ্নে, মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রশ্নে ও বাংলাদেশের প্রশ্নে কখনো আপস করা যাবে না। গতকাল রোববার শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার ডিঙ্গামানিকের আহমদ নগর দাখিল মাদরাসার বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর রাজনৈতিক অভিলাষ চরিতার্থের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত না হতে মাদরাসা শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান উপমন্ত্রী।

তিনি বলেন, একাত্তরের পরাজিত শক্তির একটি অংশ মিথ্যা, বানোয়াট, মনগড়া বক্তব্য দিয়ে ধর্মপ্রাণ সাধারণ মুসলমানদের বিভ্রান্ত করতে ইদানীং মাঠে নেমেছে। সমাজে অশান্তি সৃষ্টি করতে চাচ্ছে। মাদরাসার সঙ্গে যুক্ত সবাইকে অনুরোধ জানাবো, যে সমস্ত ব্যক্তিরা তাদের রাজনৈতিক অভিলাষ চরিতার্থ করার জন্য আপনাদের ব্যবহারের অপচেষ্টা করছে, তাদের বর্জন করুন। তাদের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হবেন না এবং কোমল শিশু-কিশোর শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করবেন না। 

এনামুল হক শামীম বলেন, জাতির পিতা ১৯৭২ সালে বলেছিলেন ধর্মকে রাজনীতির হাতিয়ার না করতে। কিন্তু পরাজিত শক্তির দোসররা দেশকে আবার ৫০ বছর আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে। ধর্মনিরপেক্ষতায় বিশ্বাসী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ইসলাম ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষা এবং প্রসারে যা করেছেন, ইসলামের নামে মুখোশধারী সরকারগুলো তা কখনই করেনি।

তিনি বলেন, আইন করে মদ-জুয়া-ঘোড়দৌড় নিষিদ্ধ করা, ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করা, মাদরাসা বোর্ড স্থাপন, ওআইসির সদস্যপদ অর্জনের মতো কাজগুলো বঙ্গবন্ধুর হাত ধরেই স্বাধীনতা অর্জনের মাত্র সাড়ে তিন বছরের মধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছিল।

এনামুল হক শামীম বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার বহু কাজ করেছেন এবং ইসলামের খেদমতে তিনি যে সমস্ত কাজ করেছেন অতীতে তা কেউ করেনি। প্রায় এক লাখ মসজিদে স্থাপিত মক্তবের আলেমদের প্রতিমাসে ভাতা তিনি চালু করেছেন। সারাদেশে প্রতিটি উপজেলায় একটি করে মসজিদ নির্মাণ প্রকল্পও তিনি বাস্তবায়ন করে চলেছেন। দেশে কওমি মাদরাসার স্বীকৃতি দিয়েছেন। সেখান থেকে পাস করা অনেককে সরকারি চাকরিও দিয়েছেন।