• সোমবার ২০ মে ২০২৪ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৬ ১৪৩১

  • || ১১ জ্বিলকদ ১৪৪৫

গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের অগ্রগতি হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী 

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৪ আগস্ট ২০২৩  

নিরবচ্ছিন্ন উন্নয়নের ধারার স্বার্থে দেশে অবাধ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, উন্নয়ন কেবল গণতান্ত্রিক ধারার মাধ্যমেই সম্ভব। এটা অব্যাহত রাখতে হবে যাতে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা কেউ বাধাগ্রস্ত করতে না পারে।

বুধবার (২৩ আগস্ট) দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গের রেডিসন ব্লু হোটেল স্যান্ডটনে আফ্রিকান দেশগুলোতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতদের নিয়ে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ দূত সম্মেলনে’ উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, দেশে অবাধ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার কারণে গত সাড়ে ১৪ বছরে বাংলাদেশে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে।

তিনি বলেন, ২০০৮ সাল থেকে উন্নয়ন চলছে কারণ দেশে ধারাবাহিক গণতন্ত্র রয়েছে, স্থিতিশীল সরকার রয়েছে। আমরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে সঠিক কাজ করতে পেরেছি। সে কারণেই আমরা এই সফলাতা পেয়েছি।

শেখ হাসিনা উল্লেখ করেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের পর ২১ বছর ধরে বাংলাদেশ কোনো অগ্রগতি করতে পারেনি। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় এসেছে (২১ বছর পর) সাফল্যের সঙ্গে দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত করেছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের এখন মানবসৃষ্ট ও প্রাকৃতিক যে কোনো ধরনের দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা ও ক্ষমতা রয়েছে।

সরকার প্রধান বলেন, এই নিষেধাজ্ঞার জন্য (ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে) সবকিছুর দাম বেড়েছে যার ফলে মুদ্রাস্ফীতি হয়েছে। এটা একটা বড় সমস্যা। আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে এই সমস্যার মোকাবিলা করতে হবে। তিনি আফ্রিকার দেশগুলোতে অবস্থানরত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূতদের আগামী দিনে রেমিট্যান্স প্রবাহের দিকে বিশেষ নজর দিতে বলেন। তিনি তাদের সারা বিশ্বে নতুন বাজার ও গন্তব্যে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ করতে বলেন। তিনি আফ্রিকান দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও ব্যবসা বৃদ্ধির ওপর জোর দেন।

প্রধানমন্ত্রী আফ্রিকার দেশগুলোতে আরও বাংলাদেশি দক্ষ জনশক্তি পাঠানো, রেমিট্যান্স বাড়ানোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আফ্রিকার দেশগুলোতে জাতিসংঘ মিশনে কর্মরত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের বিশেষ যত্ন নেওয়ার জন্য কাজ করতে বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূতদের বলেন, কারণ তারা বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। বাংলাদেশ যাতে মাথা উঁচু করে বিশ্ব মঞ্চে এগিয়ে যেতে পারে তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে তিনি রাষ্ট্রদূতদের নির্দেশ দেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া সম্মেলনের সঞ্চালনা করেন এবং পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।

দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি হাইকমিশনার নূর-ই-হেলাল সাইফুর রহমান, মরক্কোতে রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন, মিশরে রাষ্ট্রদূত মো. মনিরুল ইসলাম, মরিশাসে হাইকমিশন রেজিনা আহমেদ, নাইজেরিয়ায় হাইকমিশন মাসুদুর রহমান, আলজিয়ার্সে রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ জুলকার নাইন, কেনিয়ায় নিযুক্ত হাইকমিশনার তারেক আহমেদ, লিবিয়ার রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ, মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ খায়রুল বাশার এবং সুদানে রাষ্ট্রদূত তারেক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।