• শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ৭ ১৪৩১

  • || ১৩ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

উন্নত দেশে আম রফতানি বৃদ্ধি পেলে উৎপাদনকারীরা লাভবান হবেন

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১১ জুন ২০২৪  

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ বলেছেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের আমের যথেষ্ঠ সুনাম ও চাহিদা রয়েছে। বাংলাদেশ থেকে উন্নত দেশের মূলধারার সুপার মার্কেটগুলোতে আম সরবরাহ করা গেলে রফতানির পরিমাণ বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে। সেই সঙ্গে আম উৎপাদনকারীরা অধিকতর লাভবান হবেন।

সোমবার রাজধানীর শ্যামপুরে অবস্থিত কেন্দ্রীয় প্যাকিং হাউজে আম রফতানি কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, চলতি বছরে তাপদাহে আমসহ বেশকিছু ফসল উৎপাদন কম হয়েছে, তাই কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষকদের সার, বীজ, কীটনাশকসহ যাবতীয় কৃষি উপকরণ বেশি করে যথাসময়ে সরবরাহ করা হবে।

তিনি বলেন, বৈদেশিক আয় বৃদ্ধি করতে আম রফতানি খুবই সম্ভাবনাময়। কৃষিবান্ধব বর্তমান সরকার আম রফতানির মাধ্যমে উল্লেখ্যযোগ্য পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের লক্ষ্যে নানান পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে।

আম রফতানিকারকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, আম রফতানি বৃদ্ধি করার জন্য শ্যামপুরে অবস্থিত কেন্দ্রীয় প্যাকিং হাউজ আধুনিক ও শক্তিশালীকরণ করা হয়েছে। অন্যান্য প্রতিবন্ধকতা দূর করতে কাজ চলমান রয়েছে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে আম রফতানি উদ্বোধন করা হলেও মে মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে এ পর্যন্ত ১৫টি দেশে গোপালভোগ, হিমসাগর জাতের প্রায় ১৮৯ মেট্রিক টন আম রফতানি করা হয়েছে। এ দিন ১৪টি কনসাইনমেন্টে ইংল্যান্ড, জার্মানি, ইতালি ও ফ্রান্সে ২৫ মেট্রিক টন আম রফতানি করা হবে।

এ বছর কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে প্রায় ৩৮টি দেশে গোপালভোগ, হিমসাগর, আম্রপালি, ফজলি, সুরমা ফজলি, বারি-৪ জাতের রফতানিযোগ্য ৩ হাজার ১০০ মেট্রিক টন আম রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২৩ সালে ৩৮টি দেশে ৩ হাজার ৯২ মেট্রিক টন আম রফতানি করা হয়।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ড. মো. আওলাদ হোসেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাস, রফতানিযোগ্য আম উৎপাদন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ আরিফুর রহমান প্রমুখ।