• মঙ্গলবার   ২৮ জুন ২০২২ ||

  • আষাঢ় ১৫ ১৪২৯

  • || ২৭ জ্বিলকদ ১৪৪৩

সর্বশেষ:
পদ্মাসেতু জাতীয় সম্পদ, বিরোধিতাকারীরা জাতির শত্রু: হাইকোর্ট নিজের ভাগ্য নয়, জনগণের ভাগ্য বদলই একমাত্র লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল নিষিদ্ধ যুক্তরাজ্যকে এক লাখ রোহিঙ্গা নিতে অনুরোধ বাংলাদেশের বিএনপির নেতিবাচক রাজনীতি পদ্মার গহীনে নিমজ্জিত: ওবায়দুল কাদের

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট, সুফলভোগী ৫০ লাখ শিক্ষার্থী

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২০ জুন ২০২২  

চলতি বছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের মাধ্যমে মাধ্যমিক, উচ্চ-মাধ্যমিক এবং স্নাতক পর্যায়ের প্রায় অর্ধ কোটিরও বেশি শিক্ষার্থী সুফলভোগী হবে।

এ বছরের কার্যক্রমের উদ্বোধন উপলক্ষে রোববার রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইন্সটিটিউটে এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

জানা গেছে, ২০২২ সালে প্রধানমন্ত্রীর ১০টি বিশেষায়িত স্কীমের আওতায় শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট গঠন করা হয়। এর মাধ্যমে এ বছর মাধ্যমিক পর্যায়ে ৪০ লাখ ১৩ হাজার ৪৩৪ জন শিক্ষার্থীকে ৬৭৪ কোটি ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা, উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ৮ লাখ ৮২ হাজার ৭৬৯ জন শিক্ষার্থীকে ৪৫০ কোটি ৩০ লাখ ৪৪ হাজার টাকা এবং স্নাতক (পাস) ও সমমান পর্যায়ে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৫৫৩ জন দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে উপবৃত্তি ও টিউশন ফি বাবদ ৭৪ কোটি ৮২ লাখ ৩১ হাজার ৭০০ টাকা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি নিশ্চিতকরণে ৫০৫ জন্য দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে ৩১ লাখ ১০ হাজার টাকা ভর্তি সহায়তা হিসেবে প্রদান করা হবে।

ট্রাস্ট থেকে উপবৃত্তি প্রাপ্ত ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী মোহতাসিম ফুয়াদ বলেন, আমার মতো দরিদ্র শিক্ষার্থীর পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্টদের কাছে এজন্য কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবু বকর ছিদ্দীক প্রধানমন্ত্রীর এই কার্যক্রমের প্রশংসা বলেন, রবীন্দ্রনাথের ভাষায় বলতে হয়—
‘তুমি কেমন করে গান করো হে গুণী,
আমি অবাক হয়ে শুনি’।  
প্রধানমন্ত্রীর মাথায় যে কীভাবে এসব প্রকল্পের ধারণা আসে আমি অবাক হয়ে যাই। তিনি বলেন, কোনো শিক্ষার্থীর মেধা থাকলে, তার শিক্ষা এখন থেকে আর অর্থের অভাবে বন্ধ হবে না।

কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব কামাল হোসেন বলেন, এটি এমন একটি উদ্যোগ যা অনেক দেশেই নেই। এটি সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী একজন বড় হৃদয়ের মানুষ বলে। আশা করি, এই উদ্যোগ শিক্ষা ক্ষেত্রে গুণগত পরিবর্তন আনবে।

এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট থেকে ফেলোশিপ ও বৃত্তি বাবদ এম. ফিল কোর্সে মাসিক ১০ হাজার টাকা হারে দুবছর মেয়াদে এবং পিএইচ.ডি কোর্সে মাসিক ১৫ হাজার টাকা হারে তিন বছর মেয়াদে প্রদান করা হচ্ছে।

একই সঙ্গে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের এককালীন আর্থিক সহায়তা হিসেবে মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক এবং স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে ১০ হাজার-৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রদান করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ড. দীপু মনি ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অতিরিক্ত সচিব নাসরীন আফরোজ।