• শনিবার   ১০ ডিসেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ২৫ ১৪২৯

  • || ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

সর্বশেষ:
তারা বুদ্ধিজীবী না, বুদ্ধিপ্রতিবন্ধীজীবী- প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রার প্রশংসায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন ঘূর্ণিঝড় ‘মানদৌস’ নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করতে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে: নৌপ্রতিমন্ত্রী শামসুল আলমের প্রতি ভারতীয় হাই কমিশনারের শ্রদ্ধা

ঢাবিতে শুরু হলো বঙ্গমাতার অবদান নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৭ আগস্ট ২০২২  

জাতি গঠনে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের অবদান ও জীবন দর্শন নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন। সম্মেলনটির আয়োজন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা সেন্টার ফর জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ।

রোববার (৭ আগস্ট) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে সম্মেলনটি শুরু হয়। এতে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধান অতিথি হিসেবে সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন তিনি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন খ্যাতিমান কথা সাহিত্যিক ও বাংলা একাডেমির সভাপতি মিসেস সেলিনা হোসেন। ঢাবির সিনেট ভবনে আয়োজিত দুই দিনের এ সম্মেলনে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বক্তা আলোচনা করবেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা সেন্টার ফর জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের পরিচালক অধ্যাপক ড. তানিয়া হক।

ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজজীবনে লিঙ্গবৈষম্য নিরসনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের দর্শন ও চিন্তাভাবনা অধ্যয়নের লক্ষ্যে একটি গবেষণা সেন্টার করার আহ্বান জানিয়েছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। সেই উদ্যোগের অংশ হিসেবে বঙ্গমাতার অবদান ও জীবন দর্শন অনুসরণ করে জেন্ডার সমতা, নারীর ক্ষমতায়ন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন গবেষণার লক্ষ্যে ২০২১ সালের ৮ নভেম্বর বঙ্গমাতা সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হয়।

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী। বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের ধারাবাহিক ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ তিনি। সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত না থেকেও বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক প্রেরণার সবচেয়ে বড় উৎস ছিলেন বেগম মুজিব।

বঙ্গমাতা সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক তানিয়া হক বলেন, বঙ্গমাতার জন্মদিনের শুভক্ষণে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরুর এ পদক্ষেপ সেন্টারের ভবিষ্যৎ কার্যক্রমকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে। এ সেন্টার শিক্ষা, গবেষণা এবং পরামর্শ কার্যক্রমের মাধ্যমে জেন্ডার সমতা, ন্যায়বিচার, ক্ষমতায়ন এবং সমসাময়িক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে জাতীয় উন্নয়ন নিশ্চিতকরণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।