• বৃহস্পতিবার   ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ২৬ ১৪২৯

  • || ১৬ রজব ১৪৪৪

সর্বশেষ:
এইচএসসিতে: পাসের হার ৮৫.৯৫, জিপিএ-ফাইভ ১৭৬২৮২ নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী চীন: রাষ্ট্রদূত দল ও দেশের জন্য নিবেদিত ছিলেন মোছলেম উদ্দিন: প্রধানমন্ত্রী নীলফামারীতে সেচের আওতায় আসছে ১ লাখ হেক্টর জমি ৮ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল কিনবে সরকার

জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ পাচ্ছেন বেরোবির ৪০ শিক্ষার্থী

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৬ জানুয়ারি ২০২৩  

জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ পাচ্ছেন বেরোবির ৪০ শিক্ষার্থী          
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে উচ্চ শিক্ষায় গবেষণা সহযোগিতা প্রকল্প ‘জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ’ (এনএসটি) পাচ্ছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ৪০ শিক্ষার্থী। মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত উপসচিব খান রেজা-উন-নবী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা যায়।

জানা যায়, ফেলোশিপপ্রাপ্তরা এমএসসি ক্যাটাগরিতে প্রত্যেকে ৫৪ হাজার টাকা পাবেন। সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের গবেষণা প্রকল্পের আওতায়২০২২-২৩ অর্থবছরে বেরোবির ৭টি বিভাগ থেকে ৪০ জন শিক্ষার্থী এ ফেলোশিপ পাচ্ছেন।

এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ ১৩ জন, পরিসংখ্যান বিভাগ থেকে ৬ জন, রসায়ন বিভাগ থেকে ৫ জন, গণিত বিভাগ থেকে ৪ জন, ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৪ জন, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৭ জন ও ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে ১ জন শিক্ষার্থী এনএসটি ফেলোসিপের জন্য মনোনীত হয়েছেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের জীব ও ভূ-বিজ্ঞান অনুষদের ডিন আবু রেজা তৌফিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য এটি একটি ইতিবাচক দিক যে একসঙ্গে অনেক সংখ্যক শিক্ষার্থী গবেষণার জন্য ফেলোশিপ পাচ্ছেন। আমি প্রত্যেক শিক্ষার্থীকেই বলবো, গবেষণা যেন কোয়ালিটিসম্পন্ন হয়। যা থেকে দেশ ও জাতি উপকৃত হতে পারে।

ফেলোশিপের জন্য মনোনীত রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী মোকছেদুল ইসলাম বলেন, খুব ভালো লাগছে যে ফেলোশিপের জন্য মনোনীত হয়েছি। গবেষণার জন্য তো অর্থেরও প্রয়োজন হয়। আমি কিছুটা অর্থসংকটে ছিলাম, এমতাবস্থায় ফেলোশিপ পেয়ে আমার জন্য সুবিধা হলো। আমি আশা করছি, ভালোভাবেই গবেষণা করতে পারব।

১৯৭৭-৭৮ অর্থবছর থেকে গবেষণা কার্যক্রমকে আরো এগিয়ে নিতে ভৌত বিজ্ঞান, জীব ও চিকিৎসাবিজ্ঞান, খাদ্য ও কৃষি বিজ্ঞান এই তিনটি ক্যাটাগরিতে শিক্ষার্থী ও গবেষকদের ফেলোশিপ দেওয়া হয়। তিন ক্যাটাগরির নির্ধারিত কমিটি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত ও গবেষণারত এমএস, এমফিল, পিএইচডি, পোস্ট-ডক্টরাল শিক্ষার্থী ও গবেষকদের আবেদনগ্রহণ, যাচাই-বাছাই ও সাক্ষাৎকার গ্রহণের মাধ্যমে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এই ফেলোশিপ দিয়ে থাকে।