• সোমবার ২০ মে ২০২৪ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৬ ১৪৩১

  • || ১১ জ্বিলকদ ১৪৪৫

যৌনতায় মেতে থাকতেন তারা

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৭ জানুয়ারি ২০২৩  

যশ, প্রতিপত্তি বেড়ে যাওয়ার পরেও অনেক তারকা মাটির মানুষ হয়ে তার অনুরাগীদের কাছাকাছি পৌঁছে যান। কোনো তারকা আবার নিজেকে আলোর প্রচার থেকে দূরে রাখতে চান। কিন্তু এমন কয়েকজন তারকা আছেন, যারা নিজেদের যশ, খ্যাতির সুযোগ নিয়ে অনেক সঙ্গীর সঙ্গে যৌনতায় মেতে থাকতেন। যাদের বেশির ভাগ হতেন তাদের ভক্ত। কখনো আত্মজীবনী কখনো বা সাক্ষাৎকারে এই কথা স্বীকার করেছেন এই তারকারা।

‘রোলিং স্টোনস’ ব্যান্ডের মুখ্য গীতিকার হিসাবে আন্তর্জাতিক স্তরে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন মাইকেল ফিলিপ জ্যাগার। মাইকেলের জীবনী লেখার সময় গায়কের জীবনের খুঁটিনাটি জানতে তার সংস্পর্শে এসেছিলেন ঐ বইয়ের লেখক ক্রিস্টোফার অ্যান্ডারসন। ক্রিস্টোফার এক সাক্ষাৎকারে জানান যে, সারা জীবনে ৪ হাজার মহিলার শয্যাসঙ্গী ছিল তার। নারী পাশাপাশি পুরুষদের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ হতেন তিনি। মাইকেলের শয্যাসঙ্গীদের তালিকায় অভিনেত্রী ফারাহ ফসেট এবং আমেরিকার এক বিখ্যাত শিল্পী আ্যান্ডি ওয়ারহল রয়েছেন বলে ক্রিস্টোফারের দাবি।

জন জোসেফ নিকলসনের নাম উঠলেই ‘দ্য শাইনিং’, ‘ব্যাটম্যান’, ‘দ্য ডিপার্টেড’ ছবির কথা মনে আসে। তবে অভিনেতার শয্যাসঙ্গীর সংখ্যাও কম ছিল না। এক সাক্ষাৎকারে জন জানিয়েছিলেন যে, তিনি বয়সের ধার ধারতেন না। প্রাপ্তবয়স্কা হলেই হল।

সারা জীবনে ২ হাজার নারীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হয়েছেন বলে দাবি করেন জন। অভিনেতার মন্তব্য, ‘আমি কারও সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হতে গিয়ে জেনেছি যে তার মা-ও কখনও আমার শয্যাসঙ্গী ছিলেন।’

হলিউডের নামজাদা অভিনেত্রী জেনিফার কুলিজ। ‘সেক্স অ্যান্ড দ্য সিটি’, ‘আমেরিকান পাই: রিইউনিয়ন’-সহ অনেক ছবিতে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে তাকে। জেনিফার এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন যে, ‘আমেরিকান পাই: রিইউনিয়ন’ ছবি তার জীবনে ভিন্ন স্বাদ এনে দিয়েছিল।

এই ছবিতে অভিনয় করার পর অভিনেত্রীর সঙ্গে অনেকেই ঘনিষ্ঠ হতে চেয়েছিলেন। তবে জেনি‌ফারের দাবি, তিনি ২০০ জনকে সরাসরি নাকচ করে দিয়েছিলেন। তবুও তার শয্যাসঙ্গীর কখনও অভাব হয়নি। ১৯৬৯ সালে ‘অন হার ম্যাজেস্টিস সিক্রেট সার্ভিস’ চলচ্চিত্রে জেমস বন্ডের চরিত্রে অভিনয় করে জনপ্রিয় হয়েছিলেন জর্জ রবার্ট লেজনবি। বন্ডের চরিত্রে অভিনয় করা সর্বকনিষ্ঠ অভিনেতা তিনি।

দ্য গার্ডিয়ানকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে জর্জ বলেছিলেন, ‘একটা সময় এমন কাটিয়েছি যে, দিনে অন্তত ৪ থেকে ৫ জন নারীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হতাম। অস্ট্রেলিয়া থেকে এসেছিলাম আমি। দেখতে শুনতেও ভালো ছিলাম। তাই আমার শয্যাসঙ্গীর কোনও অভাব হয়নি।’

আমেরিকার বাস্কেটবল খেলোয়াড় উইল্টন নরম্যান চেম্বারলিন তার লেখা ‘অ্যা ভিউ ফ্রম অ্যাবাভ’ বইয়ে লিখেছেন, ‘‘আমার শয্যাসঙ্গীর সংখ্যা ছিল কুড়ি হাজার। এক জনের সঙ্গে এক বার ঘনিষ্ঠ হওয়ার পর দ্বিতীয় বার আর তার সঙ্গে সময় কাটাতাম না।

বাস্কেটবল খেলে জনপ্রিয় হয়েছিলেন লামার জোসেফ ওডোম। লামার তার আত্মজীবনী ‘ডার্কনেস টু লাইট’-এ লিখেছেন, ‘আমার জীবনে এমন একটা সময় এসেছিল যখন আমি যৌনতা ছাড়া আর কিছুই বুঝতাম না। দুই হাজারেরও বেশি নারীর সঙ্গে সঙ্গমে লিপ্ত হয়েছি আমি। কখনো কখনো আমি তাদের টাকাপয়সাও দিতাম। কিন্তু কোনো দিন ঐ নারীদের আমি ছোট করে দেখিনি।’

আমেরিকার বিখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী জন উইলিয়াম ওটস তারকাদের এই তালিকায় রয়েছেন। পেজ সিক্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জন জানান যে, সত্তর এবং আশির দশকে তিনি সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছেছিলেন। সেই সময় এত নারীর সঙ্গে তিনি ঘনিষ্ঠ হয়েছিলেন যে তার শয্যাসঙ্গীর সংখ্যাও মনে নেই। কমপক্ষে হাজারের বেশি নারীর সঙ্গে তিনি সঙ্গমে লিপ্ত হয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

‘টু অ্যান্ড আ হাফ মেন’ আমেরিকার একটি নামকরা টেলিভিশন ধারাবাহিক। এই ধারাবাহিকে চার্লি হারপারের চরিত্রে অভিনয় করে মন জিতে নিয়েছিলেন অভিনেতা চার্লি শীন। ২০০০ সালে দেওয়া একটি পুরনো সাক্ষাৎকারে চার্লি জানিয়েছেন, তিনি ৫ হাজার নারীর সঙ্গে তিনি ঘনিষ্ঠ হয়েছিলেন। একসঙ্গে ৩ জন নারীর সঙ্গে সঙ্গমে লিপ্ত হতে বেশি পছন্দ করতেন চার্লি।

আমেরিকার বিখ্যাত কুস্তিগির ছিলেন রিচার্ড মরগ্যান ফ্লেয়ার। সারা বছরে ১০ হাজারেরও বেশি নারীর সঙ্গে যৌনতায় মেতেছিলেন রিচার্ড। এমনটাই দাবি করেছেন তিনি। কিন্তু রিচার্ড জানিয়েছেন, ওয়েন্ডি বার্লোর সঙ্গে তার বিয়ে হওয়ার পর তিনি অন্য কোনো নারীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়াননি।

বিশ্বের প্রথম সুপারমডেল। এমনটাই দাবি করেন জেনিস ডিকিনসন নিজেই। ৫২ বছর বয়সি জেনিস এক সাক্ষাৎকারে তার যৌনজীবন নিয়ে মুখ খুলেছিলেন। জেনিস জানান, কমপক্ষে হাজারের বেশি পুরুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হয়েছিলেন তিনি। হলিপাড়ার নামী তারকারা তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে আসতে চেয়েছিলেন বলেও দাবি জেনিসের।

‘কিস’ হার্ড রক ব্যান্ডের সঙ্গীতশিল্পী হিসাবে প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন জিন সিমনস। ২০১১ সালে শ্যানন টুইডের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন জিন। কিন্তু বিয়ের আগে শর্ত রেখেছিলেন শ্যানন।

এক সাক্ষাৎকারে জিন বলেছেন, ‘আমি যখন যে নারীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হয়েছি, তখন তার পোলারয়েড ছবি তুলে রেখেছিলাম। বিয়ের আগে আমার বৌ শর্ত রেখেছিল যে, আমি এই ছবিগুলো পুড়িয়ে ফেললে তবে ও আমায় বিয়ে করবে। ছবি পোড়ানোর সময় লক্ষ করি আমার কাছে ৪ হাজার ৮০০টি পোলারয়েড রয়েছে। তখন আমার খেয়াল হয় যে, আমি এত জন নারীর সঙ্গে সঙ্গমে লিপ্ত হয়েছি।’

‘ব্যাটম্যান’ চরিত্রে অভিনয় করে অ্যাডাম ওয়েস্ট জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু ছবির শুটিংয়ের মাঝেই পোশাক বদল করার ঘরে চলত শরীরের খেলা। এ কথা দাবি করেছেন তিনি নিজেই। এক পুরনো সাক্ষাৎকারে অভিনেতা জানিয়েছিলেন যে, এক রাতে ৮ জন নারীর সঙ্গে যৌনতায় মাততেন তিনি। প্রতি রাতেই সঙ্গমে লিপ্ত হতেন অ্যাডাম। এমনকি, ড্রেসিং রুমে তাড়াহুড়োর মধ্যেও অভিনেতা নারীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হতেন।