• মঙ্গলবার   ০৪ অক্টোবর ২০২২ ||

  • আশ্বিন ১৮ ১৪২৯

  • || ০৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

সর্বশেষ:
মুজিববর্ষে সরকারি ঘর পেয়েছে প্রায় ২ লাখ পরিবার: প্রধানমন্ত্রী আগামী প্রজন্মের জন্য পরিকল্পিত নগরায়ণের বিকল্প নেই: রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ অঞ্চলের ৫০ লাখ ভিডিও সরিয়েছে টিকটক: টেলিযোগাযোগমন্ত্রী করতোয়ায় দেশের বৃহত্তম ওয়াই ব্রিজ হবে: রেলমন্ত্রী সুজন বিএনপি সুযোগ পেলে আবার নির্যাতন চালাবে: তোফায়েল আহমেদ

৩০০ বন্দি বিনিময় করলো রাশিয়া-ইউক্রেন

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২২  

সাত মাস আগে ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া। চলমান এ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্যে প্রায় ৩০০ বন্দী বিনিময় করেছে রাশিয়া ও ইউক্রেন। এর মধ্য ১০ জন বিদেশি নাগরিকও রয়েছে। অভিযান শুরুর পর থেকে দেশ দুইটির মধ্যে এটি সবচেয়ে বড় বন্দী বিনিময়ের ঘটনা।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিনিময়ের অংশ হিসেবে রাশিয়া ২১৫ ইউক্রেনিয়ানকে মুক্ত করেছে। এর মধ্যে পাঁচজন কমান্ডারও রয়েছে। তারা এই বছরের শুরুর দিকে দক্ষিণের বন্দর শহর মারিউপোলে ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং মরক্কোসহ বেশ কিছু দেশের যুদ্ধবন্দী রয়েছে, যাদের মধ্যে কয়েকজনকে ইউক্রেনে বন্দী হওয়ার পর মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল এবং ভাড়াটে হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছিল।

ইউক্রেন ৫৫ জন রাশিয়ান, মস্কোপন্থী ইউক্রেনীয় ও ভিক্টর মেদভেদচুককে ফেরত পাঠিয়েছে। তিনি একটি নিষিদ্ধ রুশপন্থী দলের নেতা, যিনি রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগের মুখোমুখি ছিলেন। জানা গেছে, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চুক্তিটি হতে সাহায্য করেছে সৌদি আরব-তুরস্ক।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি এক ভিডিও বার্তায় বলেছেন, এটা আমাদের দেশ ও সমাজের জন্য স্পষ্ট জয়। তবে প্রধান বিষয় হলো ২১৫টি পরিবার এখন তাদের ভালোবাসার মানুষকে দেখতে পারবে। এজন্য তিনি তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগানকে ধন্যবাদ জানান।

তবে এর আগে রাশিয়া ও এর নাগরিকদের রক্ষায় যুদ্ধ করার জন্য আরও সেনা সমাবেশের নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এই নির্দেশনার ফলে যারা কোনো এক সময় রুশ সেনাবাহিনীতে কাজ করেছেন বা প্রশিক্ষণ নিয়েছেন সেই সব রিজার্ভিস্টদের এখন যুদ্ধ করার জন্য ডেকে পাঠানো হবে।

ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, মাতৃভূমি, সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা আর জনগণের নিরাপত্তা রক্ষা করার জন্য তিনি সেনা সমাবেশের নির্দেশ দিয়েছেন। বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) থেকেই সৈন্য সমাবেশ শুরু হয়েছে।