• বৃহস্পতিবার ২৫ এপ্রিল ২০২৪ ||

  • বৈশাখ ১১ ১৪৩১

  • || ১৫ শাওয়াল ১৪৪৫

সর্বশেষ:
যুদ্ধের অর্থ জলবায়ু পরিবর্তনে ব্যয় হলে বিশ্ব রক্ষা পেত- প্রধানমন্ত্রী দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনের রেকর্ড মেডিকেল কলেজের ক্লাস অনলাইনে নেয়ার নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ‘গণতান্ত্রিক রীতিনীতি না মানলে জনগণই বিএনপিকে প্রতিহত করবে’ লালমনিরহাটে হত্যা মামলায় বিএনপির দুই নেতা কারাগারে

পরিশ্রম করেও পেটের মেদ কমছে না?

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ১১ জানুয়ারি ২০২৩  

সারাদিন পরিশ্রম, তারপর হাঁটাহাঁটি, ডায়েট মেনে খাওয়াদাওয়া তারপরেও পেটের  মেদ কমে না! এতে শরীরের মোট ওজন কমলেও পেটের মেদ সব সময় কমে না। পেটের মেদ কমাতে দরকার পড়ে ধৈর্য আর শারীরিক কিছু কসরতের। 

পরিশ্রম করার পাশাপাশি সারা দিনে কাজের ফাঁকেও কিছু কৌশল অবলম্বণ করতে হয়। তবেই কমবে পেটের মেদ। বহু পরিশ্রম করেও যাদের পেটের মেদ কমার কোনো লক্ষণ নেই, তাদের জন্য রইল সহজ  টিপস।

>> পেটের বাড়তি মেদ কমানোর প্রধান ধাপ হচ্ছে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া। শরীরে পর্যাপ্ত প্রোটিন ও ফাইবার না গেলে ওজন বাড়বে ঠিকই, কিন্তু কমবে না। তাই ইচ্ছে করলেই বাইরের ভাজাভুজির বদলে ফল, ওটস, বাদাম, ডিম, সবুজ শাকসব্জি বেশি করে খান। ওটস এবং অন্যান্য উচ্চ ফাইবার, কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার রক্তে শর্করার মাত্রা বজায় রেখে ওজন কমাতে সাহায্য করে। 

>> পেটের মেদ কমানোর আরো একটি সহজ উপায় হল শরীরচর্চার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা। অল্প সময় ধরে করুন। কিন্তু তা যেন নিয়মিত হয়। একটি নির্দির্ষ্ট ফিটনেস রুটিন তৈরি করুন। পরিশ্রমসাধ্য কোনো ব্যায়াম করতে হবে এমন নয়। সাঁতার কাটা, সাইকেল চালানো, পালাটেস— এর মতো কিছু শারীরিক পরিশ্রম রোজের ফিটনেস রুটিনে রাখুন।

>> পেটের মেদ কমাতে কী খাচ্ছেন তা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই কতটা খাচ্ছেন সেটা আরো বেশি জরুরি। তাই স্বাস্থ্যকর খাবার হলেও একসঙ্গে বেশি খাবার খাবেন না। হজমশক্তি উন্নত করতে ৩-৪ ঘণ্টা অন্তর অল্প অল্প খাবার খান। ক্যালোরি আছে এমন খাবার কম খাওয়ার চেষ্টা করুন।

>> পেটের মেদ কমাতে সারা দিনে প্রচুর পরিমাণে পানি খাওয়ার বিকল্প নেই। পানি শরীরের যাবতীয় দূষিত পর্দার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খেলে বারে বারে খিদে পাওয়ার প্রবণতাও হ্রাস পায়। প্রতি দিন কমপক্ষে ৬-৮ গ্লাস পানি খান। তবে অ্যালকোহল, চিনিযুক্ত কোনো পানীয় এড়িয়ে চলুন। এতে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

>> শরীরের ওজন বৃদ্ধি এবং বাড়তি মেদ জমার অন্যতম কারণ কিন্তু মানসিক চাপ। অবসাদে বাড়ে ওজন। তাই মানসিক চাপ কমাতে ও মন শান্ত রাখতে নিয়মিত ধ্যান করুন। বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান, মন খুলে কথা বলুন।