• শুক্রবার   ২২ অক্টোবর ২০২১ ||

  • কার্তিক ৬ ১৪২৮

  • || ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

সর্বশেষ:
পূর্বাচলে বঙ্গবন্ধু এক্সিবিশন সেন্টার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী একই দিনে উদ্‌যাপিত হলো তিন ধর্মের উৎসব চীন থেকে এলো আরো ৫৫ লাখ সি‌নোফা‌র্মের টিকা শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশে সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের ছাড় দেওয়া হবে না ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারী যেই হোক ব্যবস্থা নেয়া হবে’

ডেমারে বিশ্ব নদী দিবস পালিত 

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১  

নদী সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে প্রতিবছর সেপ্টেম্বর মাসের শেষ রবিবার পালন করা হয় বিশ্ব নদী দিবস। তাই গতকাল রবিবার(২৬ সেপ্টেম্বর/২০২১) নীলফামারীতে দিবসটি পালন করছে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সহযোগী সংগঠন তিস্তা নদী রক্ষা কমিটি ও ‘দেওনাই নদী সুরক্ষা কমিটি’।

“ভাইরাসমুক্ত বিশ্বের জন্য চাই দূষণমুক্ত নদী” প্রতিপাদ্যে দিবসটি পালনে পৃথকভাবে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা নদী ও দেওনাই নদী এলাকায়।

দুপুরে ডোমার উপজেলার হরিণচড়া ইউনিয়নের শেওটগাড়ি গ্রামে ‘দেওনাই নদী সুরক্ষা কমিটি’  আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সুরক্ষা কমিটির আহবায়ক আব্দুল ওয়াদুদ। বক্তব্য দেন সদস্য সচিব আরিফুর রহমান মিলন ও সদস্য আব্দুল জলিল। পরে একটি র‌্যালি স্থানীয় সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে স্থানীয়রা অংশগ্রহণ করেন। 

অপর দিকে জেলার পূর্বছাতনাই এলাকায় তিস্তপাড়ে দিবসটি পালন করে তিস্তা নদী রক্ষা কমিটি। সেখানেরাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবে অবৈধ নদী দখল, বালু উত্তোলনে নদীর গতিপথ পরিবর্তনে তীব্র ভাঙ্গন রোধ ও স্বাভাবিক পানি প্রবাহের দাবিতে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন তিস্তা বাঁচাও, নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের বিভাগীয় সদস্য হাফিজার রহমান, ডিমলা উপজেলা কমিটির সভাপতি গোলাম মোস্তফা, সমাজ সেবক নবীর উদ্দিন প্রমূখ।

বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, প্রতি বছর তিস্তা নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে হাজার হাজার পরিবার বাস্তুভিটা ও জমি হারিয়ে সর্বস্বান্ত হচ্ছে। অন্যদিকে শুষ্ক মৌসুমে তিস্তার পানি একেবারে কমে যায়, ফলে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। তাই বন্যা ও ভাঙ্গনের হাত থেকে মুক্তি চান নদী তীরবর্তী মানুষ। তিস্তা নদীর সুরক্ষা, দুই তীরের বন্যা-ভাঙ্গন রোধ ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণের দাবিও জানান তারা।

উল্লেখ যে,১৯৮০ সাল থেকে প্রতিবছর সেপ্টেম্বর মাসের শেষ রবিবার বিশ্ব নদী দিবস হিসেবে পালন করতে শুরু করে কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়া (বিসি) ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি। যার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছিল বিসি রিভারস ডে পালন দিয়ে। ১৯৮০ সালে কানাডার খ্যাতনামা নদীবিষয়ক আইনজীবী মার্ক অ্যাঞ্জেলো দিনটি নদী দিবস হিসেবে পালনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। বিসি রিভারস ডে পালনের সাফল্যের হাত ধরেই তা আন্তর্জাতিক রূপ পায়।

২০০৫ সালে জাতিসংঘ নদী রক্ষায় জনসচেতনতা তৈরি করতে জীবনের জন্য জল দশক ঘোষণা করে। সে সময়ই জাতিসংঘ দিবসটি অনুসমর্থন করে। এরপর থেকেই জাতিসংঘের বিভিন্ন সহযোগী সংস্থা দিবসটি পালন করছে, যা দিন দিন বিস্তৃত হচ্ছে। গত বছর বিশ্বের প্রায় ৬০টি দেশে পালন করা হয়েছে বিশ্ব নদী দিবস। বাংলাদেশে ২০১০ সাল থেকে এ দিবস পালিত হচ্ছে।