• রোববার   ২৯ মে ২০২২ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৫ ১৪২৯

  • || ২৬ শাওয়াল ১৪৪৩

সর্বশেষ:
শান্তিরক্ষীরা দেশের ভাবমূর্তি আরো উজ্জ্বল করবেন আশা প্রধানমন্ত্রীর এ অঞ্চলের যোগাযোগের কেন্দ্রস্থল হতে চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেট্রোরেলের সমন্বিত চলাচল পরীক্ষা আগস্টে শিক্ষাঙ্গনকে অস্থিতিশীল করতে চায় স্বার্থান্বেষী মহল: শিক্ষামন্ত্রী শ্লোগানে ঘাতক চরিত্রের পরিচয় দিচ্ছে বিএনপি নেতারা: কাদের

কিশোরগঞ্জের বালুচরের বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে চিনাবাদাম

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ৫ মে ২০২২  

পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ, ঔষধি ফসল চিনাবাদাম। সোনার মোহর খ্যাত অর্থকরী এ ফসলের বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে। এ চাষাবাদে সার্বিক পরামর্শে সফলতার মুখ দেখাচ্ছেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। 

২০২১-২০২২ অর্থবছরে রাজস্ব খাতের অর্থায়নে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে প্লোট প্রদর্শনীর মাধ্যমে বারি চিনাবাদাম-৮ জাতের বীজ ও সার সরবরাহের মাধ্যমে এর চাষাবাদে কৃষকরা ঘুরে দাঁড়ানো স্বপ্ন বুনছেন। 

রোগবালাই, উৎপাদন খরচ কম, বাজার মূল্য ভালো, বিপণনে ঝামেলাবিহীন, বালুচরসহ আলু, ভুট্টার জমিতে সহজে চাষযোগ্য হওয়ায় লাভের মুখ দেখছেন কৃষকেরা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, চাঁদখানা ইউনিয়নের দক্ষিণ চাঁদখানা শাহ্ পাড়া গ্রামের কোলঘেঁষে বহমান যমুনেশ্বরীর নদীর বুকে জেগে ওঠা ধু-ধু বালুচরে চিনাবাদামের হাট বসেছে। সবুজের সমারোহে বালুর নিচে মুঠো মুঠো গুপ্তধনের আশায় উৎফুল্ল কৃষকের মন। 

এসময় মিরা খাতুন জানান, কৃষি বিভাগের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নুরুন্নবী ইসলামের উৎসাহে প্রথমবারের মতো আমাদের প্রত্যেককে ৩৩ শতাংশ করে চরের জমিতে বাদাম চাষে আগ্রহী করে তুলছেন। অনাবাদি, ধু-ধু বালু চরে এমন বাদাম হবে এটা অবিশ্বাস্য ব্যাপার। কম খরচে, ভাল ফলন পেয়ে অধিক লাভবান হবেন এমন প্রত্যাশা তাদের। 

একই গ্রামের ফজলুর রহমান বলেন, বিঘা প্রতি বাদাম রোপণ থেকে উত্তোলন খরচ হবে ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা। যা ফলন হবে ২০০ কেজির মতো। এতে কৃষকেরা লাভবান হবেন। এবার বাজার মূল্য ভালো পেলে আগামীতে আরো অধিক জমিতে এর চাষাবাদ করবেন। 

কৃষি অফিস জানায়, চিনাবাদামে চর্বি বা স্নেহ জাতীয় পদার্থ রয়েছে, যা কোলেস্টেরল কমায়। এ ছাড়া এতে বিভিন্ন ভিটামিন জাতীয় পদার্থ যেমন থায়ামিন, রিবোফ্লোবিন, নিয়াসিন, প্যানটোথেনিক অ্যাসিড, ভিটামিন বি-৬ ও ফোলেট রয়েছে প্রচুর পরিমাণে। যা মানুষে দুরারোগ্য ক্যান্সার, রক্তস্বল্পতা, ডায়াবেটিস, জয়েন্ট এবং পিঠে ব্যাথার মত রোগ নিরাময়ে কাজ করে। 

কিশোরগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার হাবিবুর রহমান বলেন, অনাবাদি জমি, নদীর চর এলাকার মানুষকে বীজ, সার দিয়ে বাদাম চাষে উৎসাহিত করা হয়েছে। এতে জমির ব্যবহার হচ্ছে। বাদাম চাষিরা বিঘা প্রতি ১৫০-২০০কেজি ফলন পাবেন বলে আশা করছেন।