• বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ৬ ১৪৩১

  • || ১২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

সেই নওসিনের বোনের বিয়েতে এগিয়ে এলো উপজেলা প্রশাসন               

– নীলফামারি বার্তা নিউজ ডেস্ক –

প্রকাশিত: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩  

                          
নীলফামারীর সৈয়দপুরে অগ্নিকাণ্ডে সব হারানো স্নাতক পড়ুয়া নওসিন আক্তারের বড় বোন চাঁদনী আক্তারের বিয়ের দায়িত্ব নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। প্রাথমিকভাবে বিয়ের জন্য নওসিনের মা ইয়াসমিন আক্তারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে দুই বান্ডিল ঢেউটিনসহ ৫০ হাজার টাকা।

রোববার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলা পরিষদ চত্বরে আগুনে সব হারানো ৫টি পরিবারকে দুই বান্ডিল করে ঢেউটিন, বইখাতা পুড়ে যাওয়া অনার্স তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী নওসিন ও ১০ম শ্রেণির ছাত্র তাহাকে সবগুলো বই এবং বিয়ের জন্য নওশীনের পরিবারের হাতে ৫০ হাজার টাকা তুলে দেওয়া হয়।

উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর ও অফিসার্স ক্লাব অব সৈয়দপুরের সার্বিক সহযোগিতায় সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোখছেদুল মোমিন ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফয়সাল রায়হান উপস্থিত থেকে ওই সামগ্রী তাদের হাতে তুলে দেন।

পুড়ে যাওয়া বই ও বোনের বিয়ের জন্য আর্থিক সহযোগিতা পেয়ে খুশি নওসিন আক্তার। তিনি বলেন, ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বোনের বিয়ের জন্য অনেক কষ্ট করে জমানো টাকা পুড়েছে গেছে অনেক কেঁদেছি সেই টাকার জন্য। তবে আল্লাহ আমার সেই কান্না শুনছেন। আর পৃথিবীতে এখনও ভালো মানুষ আছে বিধায় ইউএনও স্যারসহ অনেকেই আমাদেরকে সহোযোগিতা করেছেন। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সাল রায়হান বলেন, বিয়ের যাবতীয় কিছু পুড়ে যাওয়ায় আমরা উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর ও অফিসার্স ক্লাবের সহযোগিতায় উপজেলা প্রশাসন থেকে ওই মেয়ের বিয়েতে ৫০ হাজার টাকার আর্থিক সহযোগিতা দিয়েছি। দুই শিক্ষার্থীর পুড়ে যাওয়া সব বইপত্র কিনে দেওয়া হয়েছে। আরও কিছু দেওয়ার চেষ্টা করছি আমরা। সেই সঙ্গে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচটি পরিবারকে ২ বান্ডিল করে ঢেউটিনসহ প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরের মুন্সিপাড়া এলাকায় এক অগ্নিকাণ্ডে ৫টি পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে যায়। এর মধ্যে রংপুর মডেল কলেজে স্নাতকপড়ুয়া ছাত্রী নওসিন আক্তারের ঘরের আসবাবপত্র, পড়নের পোশাক ও বইপত্র ও তার বড় বোন চাঁদনীর বিয়ের জন্য রাখা টাকাসহ সবকিছু পুড়ে যায়। এ নিয়ে বিভিন্ন গণম্যাধমে সংবাদ প্রকাশ  হলে বিষয়টি নজরে আসে সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সাল রায়হানের।